📌 বিশ্বব্যাপী তীব্র ‘সুপার এল নিনো’-এর কারণে ২০২৬ সালের জুন থেকে ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৪৫১ হাজার অতিরিক্ত মৃত্যু হতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে, গরমের কারণে এই সংখ্যক মৃত্যু হবে স্বাভাবিক বছরের তুলনায় অনেক বেশি
বিশ্বব্যাপী তীব্র ‘সুপার এল নিনো’-এর কারণে ২০২৬ সালের জুন থেকে ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৪৫১ হাজার অতিরিক্ত মৃত্যু হতে পারে। গবেষণা সংস্থা ক্লাইমেট ইম্প্যাক্ট ল্যাব (CIL) এর নতুন প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদন অনুসারে, এই ‘সুপার এল নিনো’-এর কারণে গরমের কারণে অতিরিক্ত মৃত্যুর সংখ্যা স্বাভাবিক বছরের তুলনায় ৪৫১ হাজার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৪৫১ হাজার অতিরিক্ত মৃত্যু হতে পারে ২০২৬ সালের জুন থেকে ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ‘সুপার এল নিনো’-এর কারণে।
- 📌 ২৪,৩৭৮টি অঞ্চল বিশ্লেষণ করে গবেষকরা এই সংখ্যা নির্ধারণ করেছেন, যেখানে স্থানীয় আবহাওয়ার অবস্থা ও সংবেদনশীলতা বিবেচনা করা হয়েছে।
- 📌 ৪৪ শতাংশ বেশি অত্যধিক গরমের দিন হতে পারে এই বছর, যা স্বাভাবিক বছরের তুলনায় অনেক বেশি।
- 📌 গবেষণা সংস্থা ‘সুপার এল নিনো’-কে বলেছে, ‘ভবিষ্যতের একটি পোস্টকার্ড’ — যা কয়েক দশক পরে স্বাভাবিক হয়ে যাবে।
- 📌 মাইকেল গ্রিনস্টোন, ইউনিভার্সিটি অফ চিকাগোর অর্থনীতিবিদ এবং CIL-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা, বলেছেন, এই প্রতিবেদন থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে যে কোথায় তাত্ক্ষণিক কার্যক্রম গ্রহণ করে লক্ষ লক্ষ জীবন বাঁচানো যায়।
- 📌 ২.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা পৌঁছেছে এই বছর ‘সুপার এল নিনো’-এর, যা শীঘ্রই ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।
📰 বিস্তারিত
‘সুপার এল নিনো’ বলতে বোঝায়, সমুদ্রের তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার বেশি বৃদ্ধি পায়। এই বছর ‘সুপার এল নিনো’-এর তাপমাত্রা ২.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস পৌঁছেছে, যা শীঘ্রই ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। গবেষকরা বলছেন, এই তাপমাত্রা বৃদ্ধি বিশ্বব্যাপী আবহাওয়ার পরিবর্তন সৃষ্টি করবে।
গবেষণা সংস্থা ক্লাইমেট ইম্প্যাক্ট ল্যাব (CIL) এর প্রতিবেদন অনুসারে, ‘সুপার এল নিনো’-এর কারণে অতিরিক্ত মৃত্যুর সংখ্যা ৪৫১ হাজার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। এই প্রতিবেদনে ২৪,৩৭৮টি অঞ্চলের তথ্য বিশ্লেষণ করে এই সংখ্যা নির্ধারণ করা হয়েছে। গবেষকরা বলেছেন, এই ‘সুপার এল নিনো’-এর কারণে অত্যধিক গরমের দিনের সংখ্যা ৪৪ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে।
গবেষণা সংস্থা ক্লাইমেট ইম্প্যাক্ট ল্যাব (CIL) এর প্রতিবেদন শিরোনাম দিয়েছে, ‘৪৫১,০০০ আতঙ্কিত: কোথায় কাজ করে জীবন বাঁচানো যায় ‘সুপার এল নিনো’-এর সময়’। গবেষকরা বলেছেন, এই ‘সুপার এল নিনো’-কে বলা যেতে পারে ‘ভবিষ্যতের একটি পোস্টকার্ড’, যা কয়েক দশক পরে স্বাভাবিক হয়ে যাবে।
গবেষণা সংস্থা ক্লাইমেট ইম্প্যাক্ট ল্যাব (CIL) এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা মাইকেল গ্রিনস্টোন বলেছেন, এই প্রতিবেদন থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে যে কোথায় তাত্ক্ষণিক কার্যক্রম গ্রহণ করে লক্ষ লক্ষ জীবন বাঁচানো যায়। তিনি বলেছেন, এই প্রতিবেদন থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে যে কোথায় তাত্ক্ষণিক কার্যক্রম গ্রহণ করে লক্ষ লক্ষ জীবন বাঁচানো যায়।
"৪৫১,০০০ আতঙ্কিত: কোথায় কাজ করে জীবন বাঁচানো যায় ‘সুপার এল নিনো’-এর সময়"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বিশ্বব্যাপী (বিশেষত গরমপ্রবণ অঞ্চল)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাইকেল গ্রিনস্টোন (ক্লাইমেট ইম্প্যাক্ট ল্যাব), Akshay Deoras (ইউনিভার্সিটি অফ রিডিং)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৫১,০০০ (অতিরিক্ত মৃত্যু), ২৪,৩৭৮ (বিশ্লেষিত অঞ্চল), ৪৪% (গরমের দিনের বৃদ্ধি), ২.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস (বর্তমান তাপমাত্রা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!