📅 ১ নভেম্বর ২০২৬, ১১:০৮ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সুন্দরবনের বানরদের কেওড়া ভোজে হৃষ্টপুষ্ট চেহারা: পর্যটক ও জেলেদের সাক্ষ্য

সুন্দরবনের বানরদের কেওড়া ভোজে হৃষ্টপুষ্ট চেহারা: পর্যটক ও জেলেদের সাক্ষ্য

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সুন্দরবনের কেওড়া ফলের মৌসুমে বানরদের শরীর হৃষ্টপুষ্ট হয়ে উঠেছে। জেলেরা ও পর্যটকরা বলেছেন, এই সময় বানরগুলো খাবারের প্রাচুর্যে টগবগে থাকে। আইইউসিএন জরিপে দেখা গেছে, বানরের সংখ্যা দুই দশকে ১ লাখ ৫২ হাজার পর্যন্ত বেড়েছে

সুন্দরবনের বনভূমিতে এখন কেওড়া ফলের মৌসুমের শেষের দিকে। এই সময়ে বানরদের শরীর হৃষ্টপুষ্ট হয়ে উঠেছে এবং তাদের আচরণেও পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। জেলেরা ও পর্যটকরা বলেছেন, কেওড়া ফলের প্রাচুর্যে বানরগুলো খাবারের আশায় মানুষের কাছে আসার প্রবণতা কমেছে। তবে বনভূমির খাদ্যচক্রে কেওড়ার ভূমিকা অপরিহার্য বলে উল্লেখ করেছেন বনকর্মীরা।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সুন্দরবনে কেওড়া ফলের মৌসুমের শেষে বানরদের শরীর হৃষ্টপুষ্ট হয়ে উঠেছে এবং তারা খাবারের আশায় মানুষের কাছে আসার প্রবণতা কমিয়ে দিয়েছে
  • 📌 জেলে আসাদুল সরদার ও ইকরামুল গাজী বলেছেন, শ্রাবণ থেকে কার্তিক মাস পর্যন্ত বনে কেওড়া ফল পাওয়া যায় এবং বানরগুলো এই সময় খাবারের প্রাচুর্যে টগবগে থাকে
  • 📌 আইইউসিএন জরিপে দেখা গেছে, সুন্দরবনে বানরের সংখ্যা ২০০৪ সালের ৫১ হাজার থেকে বেড়ে ২০২৩ সালে ১ লাখ ৫২ হাজার হয়েছে
  • 📌 পর্যটকবাহী ট্রলারের মালিক আনিসুর রহমান বলেছেন, কেওড়া খেয়ে বানরদের চেহারা হৃষ্টপুষ্ট হয়েছে এবং তারা খাবারের প্রতি আগ্রহ কমিয়ে দিয়েছে
  • 📌 বনকর্মী মহিউদ্দিন বলেছেন, কেওড়া সুন্দরবনের বানর, হরিণ ও পাখিদের প্রধান খাদ্য

📰 বিস্তারিত

সুন্দরবনের কয়রা নদীর তীরে গত বৃহস্পতিবার সকালে দেখা গেছে, কেওড়ার ফল নিয়ে বানরদের জমজমাট ভোজ। ফল নিয়ে কাড়াকাড়ি, ছোটাছুটি এবং দুষ্টুমিতে মুখর বানরদের দল। জেলে আসাদুল সরদার বলেছেন, শ্রাবণ থেকে আশ্বিন মাস পর্যন্ত বনে কেওড়া ফল পাওয়া যায়। জেলেরা এই ফল দিয়ে ডাল রান্না করেন এবং ফল সেদ্ধ করে বড়শিতে গেঁথে মাছ ধরেন। তিনি আরও বলেছেন, বানরগুলো এই সময়ে কেওড়া খেয়ে শরীর মোটাতাজা রাখে। এখন কার্তিক মাস চলছে এবং ফল ফুরিয়ে গেলে বানরগুলো কচি পাতা, ঘাস এবং নদীর ধারের কাঁকড়া খায়।

কলাগাছিয়া ইকোট্যুরিজম কেন্দ্রেও পর্যটকরা বানরদের চঞ্চলতা দেখেছেন। দলবদ্ধভাবে গাছের ডালে ছোটাছুটি, একে অন্যকে তাড়া করা এবং চেঁচামেচি করছে তারা। তবে পর্যটকদের কাছে খাবারের আগ্রহ কমে গেছে। ট্রলারের মালিক আনিসুর রহমান বলেছেন, আগে বানরগুলো খাবার না পেলে ক্ষিপ্ত হয়ে আক্রমণ করত, কিন্তু এখন কেওড়া খেয়ে তাদের খাবারের প্রতি আগ্রহ কমেছে।

বনকর্মী মহিউদ্দিন বলেছেন, কেওড়া সুন্দরবনের বানর, হরিণ ও নানা প্রজাতির পাখির প্রধান খাদ্য। তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, সুন্দরবনের বাংলাদেশ অংশে খাকি বানর বা রেসাস ম্যাকাকের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বন বিভাগের কর্মকর্তা এ জেড এম হাছানুর রহমান জানিয়েছেন, আইইউসিএন জরিপে দেখা গেছে, বানরের সংখ্যা ২০০৪ সালের ৫১ হাজার থেকে বেড়ে ২০২৩ সালে ১ লাখ ৫২ হাজার হয়েছে।

"এখন কার্তিক মাস চলে। এ সময় পর্যন্ত কেওড়া ফল খায়ে বানরগুলো বেশ টগবগি থাকে। ফল ফুরাই গেলি গাছের কচি পাতা, ঘাস, এমনকি নদীর ধারের কাঁকড়াও খায়। তখন শরীরে আর মেদ থাকে না, অনেকটা শুকাই যায়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সুন্দরবন, কয়রা নদী, কলাগাছিয়া ইকোট্যুরিজম কেন্দ্র
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আসাদুল সরদার, ইকরামুল গাজী, আনিসুর রহমান, মহিউদ্দিন, এ জেড এম হাছানুর রহমান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ লাখ ৫২ হাজার (বানরের সংখ্যা), ৫১ হাজার (২০০৪ সালের বানরের সংখ্যা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖