📅 ১ নভেম্বর ২০২৬, ১১:২৩ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

অপুষ্টির শিকার শিশুদের হাসপাতালে চিকিৎসা ছেড়ে দিচ্ছেন অভিভাবকরা: অর্থনৈতিক সংকটের শিকার পরিবার

অপুষ্টির শিকার শিশুদের হাসপাতালে চিকিৎসা ছেড়ে দিচ্ছেন অভিভাবকরা: অর্থনৈতিক সংকটের শিকার পরিবার

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ১০ লাখ শিশু তীব্র অপুষ্টির শিকার হয়। অর্থনৈতিক অক্ষমতা ও পরিবারিক দায়িত্বের কারণে অভিভাবকরা হাসপাতালে চিকিৎসা ছেড়ে দিচ্ছেন। রাঙামাটি ও নোয়াখালীতে এমন ঘটনার উদাহরণ পাওয়া গেছে।

বাংলাদেশে তীব্র অপুষ্টির শিকার শিশুদের হাসপাতালে চিকিৎসা অব্যাহত রাখতে পারছেন না অভিভাবকরা। অর্থনৈতিক অক্ষমতা ও পরিবারিক দায়িত্বের কারণে তারা মাঝপথেই চিকিৎসা ছেড়ে দিচ্ছেন। রাঙামাটি ও নোয়াখালীর বিভিন্ন এলাকায় এমন ঘটনার ঘটনা ঘটছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **রাঙামাটি**: ১ বছর বয়সী পিবি চাকমা তীব্র অপুষ্টির শিকার হলেও হাসপাতালে ৫ দিনের বেশি থাকতে পারেননি। মা সোনিয়া তঞ্চঙ্গ্যা বলেন, "ডাক্তার আরও ২-৩ দিন থাকতে বলছিলেন, কিন্তু টাকা নেই। খাবার ও পরিবহনের খরচে হাজার টাকা লাগে।"
  • 📌 **চট্টগ্রামে চিকিৎসা ছেড়ে দেন**: ৪ বছর বয়সী রাকিব হোসেনের মা আয়েশা বেগম ২৫ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে চট্টগ্রামে চিকিৎসা নিতে যান, কিন্তু হাসপাতালে থাকতে পারেননি।
  • 📌 **নোয়াখালীতে ৫৬টি শিশু**: বেগমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত ৫৬টি তীব্র অপুষ্টির শিকার শিশু চিকিৎসা নেয়, কিন্তু অধিকাংশ অভিভাবক হাসপাতালে থাকতে চান না।
  • 📌 **বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য**: সুস্থ সমবয়সীদের তুলনায় তীব্র অপুষ্টির শিকার শিশুদের মৃত্যুর ঝুঁকি ১১ গুণ বেশি।
  • 📌 **২০২৫ সালের অপুষ্টি হার**: বাংলাদেশে শিশুদের মধ্যে তীব্র অপুষ্টির হার বেড়ে দাঁড়ায় ২ দশমিক ৫ শতাংশে (২০১৯ সালে ছিল ১ দশমিক ৬ শতাংশ)।
  • 📌 **নদীভাঙনের প্রভাব**: নোয়াখালীর কিছু এলাকায় প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে বসতি স্থানান্তরিত হওয়ায় শিশুদের খাদ্যনিরাপত্তা ব্যাহত হচ্ছে।

📰 বিস্তারিত

রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ১ বছর বয়সী পিবি চাকমা তীব্র অপুষ্টির শিকার। গত আগস্টে হাসপাতালে চিকিৎসা শুরু হলেও পাঁচ দিন পর মা সোনিয়া তঞ্চঙ্গ্যা তাকে বাড়ি নিয়ে যান। সোনিয়া বলেন, "ডাক্তার আরও কয়েক দিন থাকতে বলছিলেন, কিন্তু আমার কাছে টাকা নেই। ওখানে থাকতে খরচ হয়, খাবার কিনতে হয়, আর বাড়ি থেকে আসা-যাওয়ায় হাজার টাকা লাগে।" সোনিয়া ও তার স্বামী রাজু চাকমা অন্যের বাড়িতে কাজ করেন এবং স্থায়ী আয় নেই।

রাঙামাটির তবলছড়ি বাসিন্দা আয়েশা বেগমের ৪ বছর বয়সী ছেলে রাকিব হোসেন জ্বর নিয়ে প্রথমে রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হন। পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার পর আবার রাঙামাটিতে ফিরে আসেন। ২৭ সেপ্টেম্বর আয়েশাকে জানানো হয়, রাকিব তীব্র অপুষ্টির শিকার। আয়েশা বলেন, "আমার স্বামী আরেক সংসারে আছে। আমি ছেলেকে নিয়ে মায়ের সঙ্গে থাকি। ২৫ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে চিটাগাং গেছি, কিন্তু জানি না আরও কত দিন হাসপাতালে থাকতে হবে।"

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত ৫৬টি তীব্র অপুষ্টির শিকার শিশু চিকিৎসা নেয়। তবে অধিকাংশ অভিভাবক হাসপাতালে থাকতে চান না। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, "জটিলতাসহ তীব্র অপুষ্টির শিকার শিশুদের প্রায় দুই সপ্তাহ হাসপাতালে থাকতে হয়। কিন্তু অর্থনৈতিক ও পরিবারিক কারণে অধিকাংশ অভিভাবক হাসপাতালে থাকতে চান না।"

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যমতে, সুস্থ সমবয়সীদের তুলনায় তীব্র অপুষ্টির শিকার শিশুদের মৃত্যুর ঝুঁকি ১১ গুণ বেশি। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ও ইউনিসেফের মাল্টিপল ইন্ডিকেটর ক্লাস্টার সার্ভে (এমআইসিএস) ২০১৯ প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশে শিশুদের মধ্যে তীব্র অপুষ্টির হার ১ দশমিক ৬ শতাংশ। ২০২৫ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ২ দশমিক ৫ শতাংশে।

"আমার স্বামী আরেক সংসারে আছে। আমি ছেলেকে নিয়ে মায়ের সঙ্গে থাকি। ২৫ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে চিটাগাং গেছি, কিন্তু জানি না আরও কত দিন হাসপাতালে থাকতে হবে।"

আয়েশা বেগম, রাকিবের মা

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রাঙামাটি, নোয়াখালী (বেগমগঞ্জ), চট্টগ্রাম, সিলেট, খুলনা বিভাগ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সোনিয়া তঞ্চঙ্গ্যা, আয়েশা বেগম, মো. জহিরুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ লাখ (প্রতিবছর তীব্র অপুষ্টির শিকার শিশু), ১১ (গুণ বেশি মৃত্যুর ঝুঁকি), ২৫ হাজার (টাকা ঋণ), ৫৬ (শিশু চিকিৎসা নেয়), ১ দশমিক ৬ (২০১৯ সালের অপুষ্টি হার), ২ দশমিক ৫ (২০২৫ সালের অপুষ্টি হার)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖