📌 সুন্দরবনের পূর্ব অংশে নতুন টহল কৌশলের কারণে হরিণ শিকার ও ফাঁদ পাতার ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। গত এক বছরে প্রায় ১ লাখ ১৪ হাজার ৫৫৩ ফুট ফাঁদ উদ্ধার ও ৭০ জন শিকারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে
সুন্দরবনের পূর্ব অংশে নতুন টহল কৌশলের কারণে হরিণ শিকার ও ফাঁদ পাতার ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। গত এক বছরে প্রায় ১ লাখ ১৪ হাজার ৫৫৩ ফুট ফাঁদ উদ্ধার করা হয়েছে। একই সময়ে হরিণের মাংস জব্দের পরিমাণও কমে দাঁড়িয়েছে ২৫০ কেজিতে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সুন্দরবনের পূর্ব অংশে ২০২৪ সালের মে থেকে ২০২৫ সালের এপ্রিল পর্যন্ত ২৪ হাজার ৬৪৮ ফুট ‘মালা ফাঁদ’ উদ্ধার করে বন বিভাগ
- 📌 একই সময়ে শিকার করা হরিণের মাংস জব্দ হয় ৭৯৩ কেজি
- 📌 পরের এক বছরে বনে পেতে রাখা ১ লাখ ১৪ হাজার ৫৫৩ ফুট ফাঁদ উদ্ধার করেছেন বন বিভাগের কর্মীরা
- 📌 এই সময়ে হরিণের মাংস জব্দের ঘটনা কমে ২৫০ কেজি হয়
- 📌 পূর্ব বন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, মে ২০২৫ থেকে এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত সময়ে প্রায় ১ লাখ ১৪ হাজার ৫৫৩ ফুট হরিণ শিকারের প্রাণঘাতী ‘মালা ফাঁদ’ উদ্ধার ও অপসারণ
- 📌 একই সময়ে ৮১৩টি সিটকা ফাঁদ ও ২ হাজার ২৯৪টি হাঁটা ফাঁদ উদ্ধার
- 📌 ফাঁদ থেকে জীবিত উদ্ধার করা গেছে বাঘ, হরিণ, শূকর, বানরসহ অন্তত ১৫টি প্রাণী
- 📌 ফাঁদ পাতার অভিযোগে গত এক বছরে ৭০ জন হরিণশিকারিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে
📰 বিস্তারিত
সুন্দরবনের পূর্ব অংশে নতুন টহল কৌশলের কারণে হরিণ শিকার ও ফাঁদ পাতার ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। গত এক বছরে প্রায় ১ লাখ ১৪ হাজার ৫৫৩ ফুট ফাঁদ উদ্ধার করা হয়েছে। একই সময়ে হরিণের মাংস জব্দের পরিমাণও কমে দাঁড়িয়েছে ২৫০ কেজিতে। বন বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, নিয়মিত টহল ব্যবস্থায় পরিবর্তনের ফলে জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সাফল্য এসেছে।
আগে মূলত খালে বা খালের পাড়ে জলযানে করে টহল দিতেন বনকর্মীরা। বর্তমানে বনের ভেতর ‘প্যারালাল লাইন সার্চিং’ বা সুশৃঙ্খলভাবে পাশাপাশি হেঁটে দলবদ্ধ টহল বৃদ্ধি করায় অনেক ফাঁদ উদ্ধার সম্ভব হচ্ছে। পূর্ব সুন্দরবনে ৪৩টি ফরেস্ট স্টেশন ও ক্যাম্প রয়েছে। প্রতিটি ইউনিট তাঁদের আওতাধীন বনাঞ্চলে নিয়মিত টহলের পাশাপাশি একদিন পরপর ফাঁদ অনুসন্ধান করেন।
সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, আগে বিভিন্ন সংস্থার অভিযানে একসঙ্গে ৫০০ থেকে ৬০০ কেজি পর্যন্ত হরিণের মাংস জব্দ হতো। এখন সেই ঘটনা প্রায় নেই বললেই চলে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই শিকার হওয়ার আগেই তাঁরা ফাঁদ অপসারণ করতে পারছেন।
"সুন্দরবনে মধু সংগ্রহের জন্য মৌয়ালরা যেভাবে হেঁটে হেঁটে মৌচাকের খোঁজ করেন, এখন অনেকটা সেভাবেই চলে টহল ও সার্চিং। একটু আগে-পরে হলেও দলে থাকা ছয় থেকে সাতজন পাশাপাশি হেঁটে চলেন; অনেকটা চিরুনির মতো করে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সুন্দরবন পূর্ব অংশ, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. রেজাউল করিম চৌধুরী, দ্বীপন চন্দ্র দাস
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৪ হাজার ৬৪৮ ফুট, ৭৯৩ কেজি, ১ লাখ ১৪ হাজার ৫৫৩ ফুট, ২৫০ কেজি, ৮১৩টি, ২ হাজার ২৯৪টি, ১৫টি প্রাণী, ৭০ জন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!