📅 ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯:১৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পপকর্ন ফুটে ওঠার রহস্য: বিজ্ঞানের চমকপ্রদ ব্যাখ্যা উন্মোচন

পপকর্ন ফুটে ওঠার রহস্য: বিজ্ঞানের চমকপ্রদ ব্যাখ্যা উন্মোচন

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পপকর্নের পরিচিত ‘পপ’ শব্দ ও ফোলা রহস্য উদঘাটনে বিজ্ঞানীরা তুলে ধরেছেন চমৎকার ব্যাখ্যা। ভুট্টার দানায় লুকিয়ে থাকা রসায়ন ও তাপের খেলা নিয়েই আলোচনা।

বিকেলের আড্ডা কিংবা সিনেমা দেখা—যেকোনো মুহূর্তেই সঙ্গী হয়ে ওঠে এক বাটি গরম পপকর্ন। এই ছোট্ট নাশতার প্রতি মানুষের আকর্ষণ অপরিসীম। কিন্তু কখনো কি ভেবে দেখেছেন, কীভাবে এই শক্ত ভুট্টার দানা মুহূর্তেই ফুলে ওঠে আর সেই পরিচিত ‘পপ’ শব্দটি উৎপন্ন হয়? এর পেছনে রয়েছে পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়নের এক চমৎকার সমন্বয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ভুট্টার দানায় প্রায় ১৪ শতাংশ পানি থাকে, যা গরম করার সময় বাষ্পে পরিণত হয়
  • 📌 প্রায় ১৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় দানার খোসা ফেটে যায় ও ভেতরের বাষ্প বেরিয়ে আসে
  • 📌 পপকর্নের পরিচিত ‘পপ’ শব্দটি আসলে খোসা ফাটার শব্দ নয়, বরং বাষ্পের হঠাৎ মুক্তির ফলে সৃষ্ট প্রতিধ্বনি
  • 📌 পপকর্নের সুগন্ধের জন্য দায়ী রাসায়নিক যৌগগুলোর মধ্যে রয়েছে ২–অ্যাসিটাইল–১–পাইরোলিন ও ২–ফারফিউরিলথিওল

📰 বিস্তারিত

পপকর্ন তৈরির সময় ব্যবহৃত ভুট্টার দানাগুলো বিশেষ ধরনের হয়ে থাকে। প্রতিটি দানার ভেতরে প্রায় ১৪ শতাংশ পানি থাকে, যা দানার ওজনের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ। এই দানাগুলো যখন উচ্চ তাপমাত্রায় গরম করা হয়, তখন ভেতরের পানি ধীরে ধীরে বাষ্পে পরিণত হতে শুরু করে। কিন্তু শক্ত ও বায়ুরোধী খোসার কারণে এই বাষ্প বাইরে বের হতে পারে না। ফলে দানার ভেতরে চাপ ক্রমেই বৃদ্ধি পেতে থাকে।

তাপমাত্রা প্রায় ১৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছালে দানার ভেতরের চাপ আর সহ্য করতে পারে না। তখন শক্ত খোসাটি হঠাৎ ফেটে যায়, আর ভেতরের উচ্চ চাপের বাষ্প মুহূর্তেই বাইরে বেরিয়ে আসে। এই প্রক্রিয়ায় ভেতরের গলে যাওয়া শ্বেতসার বা স্টার্চ দ্রুত ফুলে ওঠে এবং বাতাসের সংস্পর্শে এসে ঠান্ডা হয়ে যায়। ফলে দানাটি কয়েক গুণ বড়, সাদা ও নরম পপকর্নে পরিণত হয়।

আমরা যে ‘পপ’ শব্দ শুনি, তা আসলে খোসা ফাটার শব্দ নয়। বরং খোসা ফাটার সঙ্গে সঙ্গে ভেতরের উচ্চ চাপের বাষ্প দ্রুত বাইরে বেরিয়ে আসে। এই বাষ্পের হঠাৎ মুক্তিই প্রতিধ্বনি তৈরি করে, যা আমাদের কানে ‘পপ’ হিসেবে শোনা যায়। দানার ভেতরের ফাঁকা অংশটি তখন ছোট্ট একটি প্রতিধ্বনি কক্ষের মতো কাজ করে, ফলে শব্দটি আরও জোরে শোনা যায়।

পপকর্নের গন্ধের পেছনেও রয়েছে রসায়নের বিশেষ খেলা। ভুট্টা গরম হওয়ার সময় বেশ কয়েক ধরনের রাসায়নিক যৌগ তৈরি হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ২–অ্যাসিটাইল–১–পাইরোলিন ও ২–ফারফিউরিলথিওল। এগুলোই পপকর্নকে সেই পরিচিত পোড়া ও ভাজা খাবারের সুগন্ধ দেয়। এ ছাড়া আরও কিছু যৌগ, যেমন পাইরাজিন জাতীয় পদার্থ, স্বাদ ও গন্ধকে আরও সমৃদ্ধ করে তোলে।

একসময় মাখনের স্বাদ আনতে অনেক প্যাকেটজাত পপকর্নে ডায়াসিটিল নামের একটি রাসায়নিক ব্যবহার করা হতো। তবে পরবর্তীতে গবেষণায় দেখা যায়, কারখানায় দীর্ঘদিন এই রাসায়নিকের বাষ্প শ্বাসের সঙ্গে গ্রহণ করলে ফুসফুসের ক্ষতি হতে পারে। তাই বর্তমানে এর ব্যবহার অনেকাংশে কমে গেছে।

"পপকর্ন তৈরির সময় ভুট্টার দানায় লুকিয়ে থাকা রসায়ন ও পদার্থবিজ্ঞানের খেলা আমাদের মুগ্ধ করে। প্রতিটি ‘পপ’ শব্দের পেছনে রয়েছে বিজ্ঞানের এক অপূর্ব গল্প।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বিশ্বব্যাপী সাধারণ খাবার হিসেবে ব্যবহৃত
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিজ্ঞানী ও সাধারণ মানুষ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: প্রায় ১৪ শতাংশ (পানি), প্রায় ১৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াস (তাপমাত্রা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖