📅 ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:৫৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মহাবিশ্বের অন্ধকার রহস্য উন্মোচনে নাসার নতুন অভিযান: রোমান স্পেস টেলিস্কোপ মহাকাশে

মহাবিশ্বের অন্ধকার রহস্য উন্মোচনে নাসার নতুন অভিযান: রোমান স্পেস টেলিস্কোপ মহাকাশে

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মহাবিশ্বের অন্ধকার শক্তি ও ডার্ক ম্যাটারের রহস্য উদঘাটনে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা নতুন রোমান স্পেস টেলিস্কোপ মহাকাশে প্রেরণ করেছে। প্রায় ৪০০ কোটি ডলারের এই প্রকল্পের মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা মহাজাগতিক মানচিত্র তৈরিসহ এক্সোপ্ল্যানেট অনুসন্ধান করবেন

যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা মহাবিশ্বের অন্ধকার শক্তি ও ডার্ক ম্যাটারের রহস্য উদঘাটনের লক্ষ্যে নতুন রোমান স্পেস টেলিস্কোপ মহাকাশে প্রেরণ করেছে। প্রায় ৪০০ কোটি ডলারের এই প্রকল্পের মাধ্যমে মহাজাগতিক মানচিত্র তৈরির পাশাপাশি সৌরজগতের বাইরের গ্রহ অনুসন্ধান করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 নাসা মহাবিশ্বের অন্ধকার শক্তি ও ডার্ক ম্যাটারের রহস্য উদঘাটনে রোমান স্পেস টেলিস্কোপ মহাকাশে প্রেরণ করেছে
  • 📌 প্রায় ৪০০ কোটি ডলারের প্রকল্পটির মাধ্যমে মহাজাগতিক মানচিত্র তৈরির পাশাপাশি এক্সোপ্ল্যানেট অনুসন্ধান করা হবে
  • 📌 টেলিস্কোপটি পৃথিবী থেকে প্রায় ১৬ লাখ কিলোমিটার দূরে ল্যাগ্রাঞ্জ পয়েন্ট টু নামক স্থানে অবস্থান করবে
  • 📌 পুরো মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির মানচিত্র তৈরিতে হাবল স্পেস টেলিস্কোপের এক শতাব্দী সময় লাগলেও রোমান টেলিস্কোপ এক মাসেই তা সম্পন্ন করতে পারবে
  • 📌 মহাবিশ্বের প্রায় ২৭ শতাংশ ডার্ক ম্যাটার এবং ৬৮ শতাংশ ডার্ক এনার্জি রয়েছে বলে বিজ্ঞানীদের ধারণা

📰 বিস্তারিত

যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা মহাবিশ্বের অন্ধকার শক্তি ও ডার্ক ম্যাটারের রহস্য উদঘাটনের লক্ষ্যে নতুন রোমান স্পেস টেলিস্কোপ মহাকাশে প্রেরণ করেছে। প্রায় ৪০০ কোটি ডলারের এই প্রকল্পের মাধ্যমে মহাজাগতিক মানচিত্র তৈরির পাশাপাশি সৌরজগতের বাইরের গ্রহ অনুসন্ধান করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

৩০ আগস্ট ফ্লোরিডার কেপ কানাভেরাল অবস্থিত নাসার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে স্পেসএক্সের ফ্যালকন হেভি রকেটে করে রোমান স্পেস টেলিস্কোপটি মহাকাশে প্রেরণ করা হয়। টেলিস্কোপটি পৃথিবী থেকে প্রায় ১৬ লাখ কিলোমিটার দূরে ল্যাগ্রাঞ্জ পয়েন্ট টু নামক স্থানে অবস্থান করবে বলে জানানো হয়েছে।

রোমান স্পেস টেলিস্কোপের জ্যেষ্ঠ প্রকল্প বিজ্ঞানী জুলি ম্যাকেনারি জানান, এই টেলিস্কোপটি বিজ্ঞানীদের জন্য নতুন সূচনার পথ খুলে দেবে। তিনি বলেন, এটি অজানা এক জগতের দিকে পা বাড়াতে যাওয়ার মতো অনুভূতি।

"পুরো মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি জরিপ করতে হাবল স্পেস টেলিস্কোপের এক শতাব্দী সময় লাগলেও রোমান স্পেস টেলিস্কোপ এক মাসে সেই পুরো কাজ করতে পারবে।"

রোমান স্পেস টেলিস্কোপের প্রকল্প ব্যবস্থাপক জ্যাকি টাউনসেন্ড জানান, বিজ্ঞানীরা পরবর্তী নব্বই দিন টেলিস্কোপটি চালু রাখতে কাজ করবেন। বৈজ্ঞানিক কার্যক্রমের জন্য তারা প্রস্তুতি নেবেন। শীতকালীন ছুটির আগেই টেলিস্কোপটি প্রথম উচ্চ রেজোল্যুশনের ছবি পাঠাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ফ্লোরিডার কেপ কানাভেরাল, যুক্তরাষ্ট্র
  • 👥 মুখ্য ব্যক্তি: জুলি ম্যাকেনারি (জ্যেষ্ঠ প্রকল্প বিজ্ঞানী), জ্যাকি টাউনসেন্ড (প্রকল্প ব্যবস্থাপক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০০ কোটি ডলার, ১৬ লাখ কিলোমিটার, ২৭ শতাংশ, ৬৮ শতাংশ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖