📌 সুইজারল্যান্ডের বিজ্ঞানীরা মাটির স্বাস্থ্য পরীক্ষায় অন্তর্বাস ব্যবহারের অভিনব পদ্ধতি আবিষ্কার করেছেন। দুই মাস মাটির নিচে রাখার পর অন্তর্বাসের পচন হার বিশ্লেষণ করে তারা মাটির জীববৈচিত্র্য ও উর্বরতা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেয়েছেন। গবেষণায় দেখা গেছে, ব্যক্তিগত বাগানের মাটিতে অন্তর্বাসের পচন হার সবচেয়ে বেশি।
সুইজারল্যান্ডের বিজ্ঞানীরা মাটির স্বাস্থ্য পরীক্ষায় একটি অভিনব পদ্ধতি প্রয়োগ করেছেন। তাঁরা দেশটির বিভিন্ন এলাকায় দুই হাজার জোড়া তুলার অন্তর্বাস মাটির নিচে পুঁতে রাখেন। দুই মাস পর সেগুলো তুলে বিশ্লেষণ করে মাটির জীববৈচিত্র্য ও জৈবিক কার্যক্রম সম্পর্কে ধারণা লাভ করেন। বিজ্ঞান বিষয়ক সংবাদমাধ্যম সায়েন্সঅ্যালার্টের প্রতিবেদনে এই গবেষণার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সুইজারল্যান্ডের বিজ্ঞানীরা দুই হাজার জোড়া অন্তর্বাস মাটির নিচে পুঁতে রেখেছিলেন
- 📌 দুই মাস পর অন্তর্বাস পরীক্ষা করে মাটির জীববৈচিত্র্য ও উর্বরতা বিশ্লেষণ করা হয়
- 📌 ব্যক্তিগত বাগানের মাটিতে অন্তর্বাসের পচন হার ছিল সবচেয়ে বেশি (৫৮ শতাংশ)
- 📌 লনে অন্তর্বাসের পচন হার ছিল সবচেয়ে কম (৪০ শতাংশ)
- 📌 গবেষকরা ‘আন্ডারপ্যান্টস ইনডেক্স’ নামের একটি সূচক চালুর প্রস্তাব দিয়েছেন
📰 বিস্তারিত
সুইজারল্যান্ডের বিজ্ঞানীরা মাটির স্বাস্থ্য পরীক্ষায় অন্তর্বাস ব্যবহারের অভিনব পদ্ধতি আবিষ্কার করেছেন। তাঁরা দেশটির বিভিন্ন বাগান, তৃণভূমি, কৃষিজমি ও লনে দুই হাজার জোড়া তুলার অন্তর্বাস মাটির নিচে পুঁতে রাখেন। দুই মাস পর সেগুলো তুলে পরীক্ষাগারে বিশ্লেষণ করা হয়। গবেষণার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে ‘প্ল্যান্টস, পিপল, প্ল্যানেট’ জার্নালে।
গবেষকদের মতে, অন্তর্বাস মাটির নিচে থাকার পর কতটা পচেছে, তা মাটিতে থাকা কেঁচো, ছত্রাক, ব্যাকটেরিয়া ও অন্যান্য জীবের জৈবিক কর্মকাণ্ডের একটি সহজ সূচক হিসেবে কাজ করে। তাঁরা দেখেছেন, ব্যক্তিগত বাগানের মাটিতে অন্তর্বাসের পচন হার ছিল সবচেয়ে বেশি, প্রায় ৫৮ শতাংশ। অন্যদিকে লনে এই হার ছিল মাত্র ৪০ শতাংশ।
জুরিখ বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষিবিজ্ঞানী মার্সেল ভ্যান ডার হেইডেন বলেন, মাটির ব্যবস্থাপনা কীভাবে করা হচ্ছে, তা মাটির জীবজগৎ ও গুণমান উভয়ের ওপরই বড় প্রভাব ফেলে। তিনি আরও বলেন, উর্বরতা, পুষ্টির পুনঃচক্রায়ন এবং পরিবেশগত সেবা নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্যকর মাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
"অন্তর্বাস একটি সহজ ও সহজে বোঝা যায় এমন উপকরণ। এর মাধ্যমে মাটির অবস্থা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ধারণা পাওয়া যায়। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের মধ্যেও মাটির গুরুত্ব নিয়ে সচেতনতা তৈরি করা সম্ভব।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সুইজারল্যান্ড
- 👥 প্রধান ব্যক্তি: মার্সেল ভ্যান ডার হেইডেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: দুই হাজার জোড়া অন্তর্বাস, ৫৮ শতাংশ, ৪০ শতাংশ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!