📅 ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ৯:০০ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

৫ সেকেন্ডের নিয়মে মেঝেতে পড়া খাবার খাওয়ার বৈজ্ঞানিক সত্য কি?

৫ সেকেন্ডের নিয়মে মেঝেতে পড়া খাবার খাওয়ার বৈজ্ঞানিক সত্য কি?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মেঝেতে পড়া খাবার ৫ সেকেন্ডের মধ্যে তুলে খাওয়ার ‘ফাইভ-সেকেন্ড রুল’ কি বৈজ্ঞানিকভাবে নিরাপদ? যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞানী এরিন থেনের গবেষণা বলে, এই নিয়মের কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। খাবারের আর্দ্রতা, মেঝের ধরন এবং জীবাণুর প্রকৃতি নির্ধারণ করে সংক্রমণের ঝুঁকি

মেঝেতে পড়া খাবার ৫ সেকেন্ডের মধ্যে তুলে খাওয়ার ‘ফাইভ-সেকেন্ড রুল’ কি বৈজ্ঞানিকভাবে নিরাপদ? এই নিয়মের পেছনে লুকিয়ে থাকা সত্য কি? বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই নিয়মের কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। তবে খাবার ও মেঝের ধরনের উপর নির্ভর করে সংক্রমণের ঝুঁকি পরিবর্তিত হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞানী এরিন থেন বলেছেন, ‘৫ সেকেন্ডের নিয়ম’ বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত নয়।
  • 📌 ভেজা খাবার (যেমন জ্যাম মাখানো পাউরুটি) মেঝেতে পড়লে জীবাণু আক্রমণ করে ৫ গুণ বেশি। শুকনো খাবারের তুলনায় ঝুঁকি অনেক বেশি।
  • 📌 কার্পেটের মেঝে তুলনামূলকভাবে নিরাপদ, কারণ জীবাণু খাবারের সাথে সরাসরি সংস্পর্শ কম হয়।
  • 📌 মেঝের পরিচ্ছন্নতা বাইরের চেয়ে ঘরের মেঝে বেশি পরিষ্কার মনে হলেও, জুতোর তলায় বহন করা জীবাণু পুরো বাড়িকে দূষিত করে।
  • 📌 কোরিনেব্যাকটেরিয়াম এবং স্ট্যাফিলোকক্কাস ব্যাকটেরিয়া মেঝেতে প্রচুর পরিমাণে থাকে, যা মারাত্মক সংক্রমণ ঘটাতে পারে।

📰 বিস্তারিত

ছোটবেলায় সবাই শুনেছেন, মেঝেতে পড়া খাবার যদি ৫ সেকেন্ডের মধ্যে তুলে ফেলা যায়, তবে তা খাওয়া নিরাপদ। এই ‘ফাইভ-সেকেন্ড রুল’-এর পেছনে যুক্তি ছিল যে, জীবাণু ও ধুলোবালি খাবারের আগমন দেখে হকচকিয়ে যায় এবং সেটিকে ‘নোংরা’ করার সময় পায় না। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের গিলসন সায়েন্সেস প্রতিষ্ঠানের পরিচালক এরিন থেন বলেছেন, এই নিয়মের কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।

বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, খাবারের আর্দ্রতা এবং মেঝের ধরন নির্ধারণ করে সংক্রমণের ঝুঁকি। উদাহরণস্বরূপ, জ্যাম মাখানো পাউরুটি মেঝেতে পড়লে জীবাণু আক্রমণ করে ৫ গুণ বেশি। কারণ ভেজা খাবার স্পঞ্জের মতো কাজ করে এবং মেঝের সব ময়লা ও জীবাণু শুষে নেয়। অন্যদিকে, শুকনো বিস্কুট বা ক্র্যাকার মেঝেতে পড়লে ঝুঁকি অনেক কম।

মেঝের ধরনও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কার্পেটের মেঝে তুলনামূলকভাবে নিরাপদ, কারণ জীবাণু খাবারের সাথে সরাসরি সংস্পর্শ কম হয়। তবে মসৃণ টাইলস বা কাঠের মেঝে জীবাণুকে খাবারের সাথে সহজে সংস্পর্শে আসতে দেয়।

বিজ্ঞানীরা আরও জানিয়েছেন, ঘরের মেঝে বাইরের চেয়ে বেশি পরিষ্কার মনে হলেও, জুতোর তলায় বহন করা জীবাণু পুরো বাড়িকে দূষিত করে। মানুষ যখন বাইরে বের হয়, তখন জুতোর তলায় হাজারো অদৃশ্য জীবাণু তুলে নিয়ে আসে। এরপর সেই জীবাণু ঘরের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে।

"মেঝেতে পড়া খাবার খাওয়ার ঝুঁকি নির্ভর করে খাবারের আর্দ্রতা, মেঝের ধরন এবং জীবাণুর প্রকৃতি। ৫ সেকেন্ডের নিয়ম বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত নয়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র (গিলসন সায়েন্সেস প্রতিষ্ঠান)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এরিন থেন (গিলসন সায়েন্সেসের পরিচালক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ সেকেন্ড (নিয়মের সময়সীমা), ৫ গুণ (ভেজা খাবারের ঝুঁকি)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖