📌 ফ্রান্সে জীবনযাপনের ব্যয়বৃদ্ধি ও শিক্ষা ব্যবস্থার অবনতির প্রতিবাদে চলমান গণবিক্ষোভের দ্বিতীয় সপ্তাহে শনিবার (২৪ অক্টোবর) দেশজুড়ে প্রায় ১০০০ বিক্ষোভকারী আটক হয়। পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে শহরব্যাপী সহিংসতা দেখা দেয়, যেখানে বিক্ষোভকারীদের সংখ্যা আনুমানিক ৮ লাখের কাছাকাছি। নির্বাচনের আগমনে সরকারের জন্য রাজনৈতিক সংকট বাড়ছে।
ফ্রান্সে জীবনযাপনের ব্যয়বৃদ্ধি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবনতির প্রতিবাদে চলমান গণবিক্ষোভের দ্বিতীয় সপ্তাহে শনিবার (২৪ অক্টোবর) দেশজুড়ে ব্যাপক সংঘর্ষ ও বিক্ষোভের ঘটনা ঘটে। পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে প্রায় ১০০০ বিক্ষোভকারী আটক হয়, যদিও সরকারের দাবি অনুযায়ী রাস্তায় নেমে আসা মানুষের সংখ্যা ছিল ৪ লাখ ১০ হাজার। তবে ট্রেড ইউনিয়নগুলোর দাবি, বিক্ষোভকারীদের সংখ্যা ছিল ৮ লাখের কাছাকাছি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ফ্রান্সে জীবনযাপনের ব্যয়বৃদ্ধি ও শিক্ষা ব্যবস্থার অবনতির প্রতিবাদে শনিবার (২৪ অক্টোবর) দেশজুড়ে প্রায় ১০০০ বিক্ষোভকারী আটক হয়
- 📌 পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে শহরব্যাপী সহিংসতা দেখা দেয়, যেখানে বিক্ষোভকারীদের সংখ্যা আনুমানিক ৮ লাখের কাছাকাছি
- 📌 পুলিশের মোতায়েন ৭০ হাজার সদস্য, তবে র্যাডিক্যাল বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সংঘর্ষে ৫ হাজার চরমপন্থি জড়িত ছিল
- 📌 বিক্ষোভের সময় বোর্দো ও লিওঁ শহরে ব্যারিকেড তৈরির চেষ্টা, টিয়ার গ্যাস ও লাঠিচার্জে দুজন গুরুতর আহত
- 📌 প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ নির্বাচনের আগমনে এই গণবিক্ষোভ সরকারের জন্য রাজনৈতিক সংকট সৃষ্টি করেছে
📰 বিস্তারিত
ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের পোর্ত দ্য ইতালি থেকে পোর্ত দ্য ভাঁসেন পর্যন্ত মূল পদযাত্রাটি বিকেলে শান্তিপূর্ণ ছিল, তবে শেষ ভাগে র্যাডিক্যাল বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ শুরু হয়। মুখোশধারী কিছু তরুণ একটি গাড়ির শো-রুমের কাঁচ ভেঙে ফেললে পুলিশ লাঠিচার্জ ও টিয়ার গ্যাস ছোড়ে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরেন্ট নুনিয়েজ জানিয়েছেন, মিছিলের পেছনের অংশে প্রায় ৫ হাজার চরমপন্থি ও ৫০০ দাঙ্গাবাজ জড়ো হয়ে সহিংসতা ছড়ানোর চেষ্টা করেছিল।
বিক্ষোভের প্রভাব ছড়িয়ে পড়ে ফ্রান্সের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর মার্সেইতে। সেখানে রাস্তায় ডাস্টবিনে আগুন ধরিয়ে ও টিনের চাল দিয়ে ব্যারিকেড তৈরি করা হয়। বোর্দো শহরে ব্যারিকেড তৈরির জন্য ভবনের কাঠের বোর্ড খুলে ফেলা হয়। তৃতীয় বৃহত্তম শহর লিওঁ ও অন্যান্য শহরেও বিক্ষোভের ঘটনা ঘটে। লিওঁতে স্থানীয় প্রশাসনের নিষিদ্ধ এলাকায় জনতা জমায়েত হলে পুলিশ টিয়ারগ্যাস ছোড়ে। তুলুজ ও ক্লেরমন্ট-ফেরান্দে সংঘর্ষ চলাকালে অন্তত দুজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
২৬ বছর বয়সী বিক্ষোভকারী জেলি গণমাধ্যমকে বলেন, প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ ক্ষমতায় আসার পর থেকে সাধারণ মানুষ আর্থিক টানাফোড়েনে ভুগছেন এবং তাদের দাবি শোনাই হচ্ছে না। অন্য এক তরুণ বিক্ষোভকারী বলেন, “আমরা লুটপাট সমর্থন করি না, তবে দারিদ্র্য ও পুলিশি নির্যাতনের ফলেই এ ধরনের পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে। সরকার আমাদের দাবি না মানা পর্যন্ত এই আন্দোলন থামবে না।”
"আমরা লুটপাট সমর্থন করি না, তবে দারিদ্র্য ও পুলিশি নির্যাতনের ফলেই এ ধরনের পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে। সরকার আমাদের দাবি না মানা পর্যন্ত এই আন্দোলন থামবে না"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ফ্রান্স (প্যারিস, মার্সেই, বোর্দো, লিওঁ, তুলুজ, ক্লেরমন্ট-ফেরান্দে)
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরেন্ট নুনিয়েজ, বিক্ষোভকারী জেলি (২৬)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০০০+ বিক্ষোভকারী আটক, ৮ লাখ বিক্ষোভকারী, ৭০ হাজার পুলিশ মোতায়েন, ৫ হাজার চরমপন্থি, ৫০০ দাঙ্গাবাজ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!