📌 ইসলামে বাবা-মায়ের প্রতি সন্তানের দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। কোরআন ও হাদিসে বলা হয়েছে, বৃদ্ধ বয়সে পিতা-মাতার পাশে দাঁড়ানো সন্তানের অবশ্যই কর্তব্য। নিজের সম্পদ থেকে তাদের প্রয়োজন পূরণ করা এবং তাদের সম্মানিত রাখা ইমানের অংশ
বাবা-মা হলেন সন্তানের প্রথম শিক্ষক ও আশ্রয়দাতা। তাদের জীবনের সোনালি দিনগুলো নিজের পেছনে ব্যয় করার পর, বৃদ্ধ বয়সে তাদের পাশে দাঁড়ানো সন্তানেরই দায়িত্ব। ইসলামে এই দায়িত্বকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে বলা হয়েছে যে, পিতা-মাতার প্রতি অসীম ‘ইহসান’ বা সদাচরণের আদেশ রয়েছে। কোরআন সুরা ইসরা-তে ইরশাদ করেছেন, ‘তোমাদের রব নির্দেশ দিয়েছেন...পিতা-মাতার একজন বা উভয়ই বার্ধক্যে উপনীত হলে তাদের ‘উফ’ বলো না এবং তাদের সঙ্গে সম্মানজনক কথা বলো।’
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বাবা-মা বৃদ্ধ হলে সন্তানের দায়িত্ব হলো তাদের পাশে দাঁড়ানো এবং নিজের সম্পদ থেকে প্রয়োজন পূরণ করা।
- 📌 রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তুমি এবং তোমার সম্পদ তোমার পিতার’ — অর্থাৎ পিতার অভাবের দিনে সন্তানের সম্পদ থেকে তাঁর প্রয়োজন পূরণ করা আবশ্যিক।
- 📌 ইসলামে ভারসাম্য রক্ষা করা হয়েছে — নিজের স্ত্রী-সন্তানের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করার পরেই বাবা-মায়ের দায়িত্ব পালন করা উচিত।
- 📌 বাবা-মা ত্যাগ করেছেন নিজের মা ও ভাই-বোনের পেছনে, তাই বৃদ্ধ বয়সে তাদের পাশে দাঁড়ানো করুণা নয়, বরং ইমানি দায়িত্ব ও কৃতজ্ঞতার প্রকাশ।
- 📌 রাসুল (সা.) বলেছেন, যে সন্তান পিতা-মাতা উভয়কেই বা একজনকেই বৃদ্ধ বয়সে পেলেও জান্নাতে প্রবেশ করতে পারল না, সে লাঞ্ছিত হবে।
- 📌 বাবার অবদানের বিপরীতে তাঁর পাশে দাঁড়ানো করুণা নয়, বরং ইমানের দাবি। পরিবারের প্রতিটি সদস্যের হক আদায় করে বাবার পাশে দাঁড়ানোর মধ্যেই নিহিত রয়েছে সংসারের সৌন্দর্য ও পরকালের সাফল্য।
📰 বিস্তারিত
বাবা-মা হলেন সন্তানের প্রথম শিক্ষক ও আশ্রয়দাতা। তাদের জীবনের সোনালি দিনগুলো নিজের পেছনে ব্যয় করার পর, বৃদ্ধ বয়সে তাদের পাশে দাঁড়ানো সন্তানেরই দায়িত্ব। ইসলামে এই দায়িত্বকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে বলা হয়েছে যে, পিতা-মাতার প্রতি অসীম ‘ইহসান’ বা সদাচরণের আদেশ রয়েছে। কোরআন সুরা ইসরা-তে ইরশাদ করেছেন, ‘তোমাদের রব নির্দেশ দিয়েছেন...পিতা-মাতার একজন বা উভয়ই বার্ধক্যে উপনীত হলে তাদের ‘উফ’ বলো না এবং তাদের সঙ্গে সম্মানজনক কথা বলো।’
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তুমি এবং তোমার সম্পদ তোমার পিতার’ — এর অর্থ হলো, পিতার অভাবের দিনে সন্তানের সম্পদ থেকে তাঁর প্রয়োজন পূরণ করা সন্তানেরই আবশ্যিক দায়িত্ব। অবশ্য ইসলাম এখানে ভারসাম্য রক্ষা করেছে। নিজের স্ত্রী-সন্তানের ন্যায্য অধিকার ও খোরপোশ নিশ্চিত করার পরেই বাবা-মায়ের দায়িত্ব পালন করা উচিত।
বাবা-মা ত্যাগ করেছেন নিজের মা ও ভাই-বোনের পেছনে, তাই বৃদ্ধ বয়সে তাদের পাশে দাঁড়ানো করুণা নয়, বরং ইমানি দায়িত্ব ও কৃতজ্ঞতার প্রকাশ। রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি তার পিতা-মাতা উভয়কে বা একজনকে বৃদ্ধ বয়সে পেল অথচ জান্নাতে প্রবেশ করতে পারল না, সে লাঞ্ছিত।’
বাবার অবদানের বিপরীতে তাঁর পাশে দাঁড়ানো করুণা নয়; বরং ইমানের দাবি। পরিবারের প্রতিটি সদস্যের হক আদায় করে বার্ধক্যে বাবার পাশে দাঁড়ানোর মধ্যেই নিহিত রয়েছে একটি সংসারের সৌন্দর্য ও পরকালের পরম সাফল্য।
"তোমাদের রব নির্দেশ দিয়েছেন...পিতা-মাতার একজন বা উভয়ই বার্ধক্যে উপনীত হলে তাদের ‘উফ’ বলো না এবং তাদের সঙ্গে সম্মানজনক কথা বলো।" — সুরা ইসরা: ২৩
"তুমি এবং তোমার সম্পদ তোমার পিতার।" — সুনান ইবনে মাজাহ: ২২৯১
"যে ব্যক্তি তার পিতা-মাতা উভয়কে বা একজনকে বৃদ্ধ বয়সে পেল অথচ জান্নাতে প্রবেশ করতে পারল না, সে লাঞ্ছিত।" — সহিহ মুসলিম: ২৫৫১
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাসুলুল্লাহ (সা.), পিতা-মাতা, সন্তান
- 📌 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৩ (সুরা ইসরা: ২৩)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!