📌 গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলায় বিশ্ব নদী দিবসেও বানার নদে বর্জ্যের অপারগতা অব্যাহত। নদপাড়ে জমে থাকা পচা বর্জ্যের স্তূপে পরিবেশ দূষিত ও জনস্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, কার্যকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র অকার্যকর থাকায় দূষণ বাড়ছে
গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বানার নদে বিশ্ব নদী দিবসেও বর্জ্যের অপারগতা অব্যাহত রয়েছে। নদপাড়ে জমে থাকা পচা বর্জ্যের স্তূপে পরিবেশ দূষিত হয়েছে এবং স্থানীয়দের জন্য চলাচল কষ্টসাধ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। খেয়াঘাট এলাকায় প্রতিদিনের বর্জ্য ফেলার কারণে নদপাড় পরিণত হয়েছে অঘোষিত ভাগাড়ে, যেখানে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে এবং নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলায় বানার নদে বিশ্ব নদী দিবসেও বর্জ্য ফেলার কারণে নদপাড়ে দুর্গন্ধের স্তূপ জমে আছে।
- 📌 খেয়াঘাট এলাকায় বাজারের ময়লা, পলিথিন ও অন্যান্য বর্জ্য জমে পড়েছে, যা পরিবেশ দূষণ সৃষ্টি করেছে।
- 📌 বাজারের কিছু সবজি বিক্রেতা বর্জ্যমিশ্রিত নদীর পানিতেই সবজি ধুয়ে থাকেন, যা জনস্বাস্থ্য ঝুঁকিতে ফেলেছে।
- 📌 ২০২৩ সালে উদ্বোধিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র ২০২৪ সাল থেকে কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়েছে।
- 📌 স্থানীয়রা দাবি করছেন, ক্ষমতায় আসা সরকারগুলো বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিষয়ে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি।
📰 বিস্তারিত
বিশ্ব নদী দিবসেও বানার নদে বর্জ্যের অপারগতা অব্যাহত রয়েছে। কাপাসিয়া উপজেলার খেয়াঘাট এলাকায় প্রতিদিনের বর্জ্য ফেলার কারণে নদপাড়ে পচা বর্জ্যের স্তূপ জমে পড়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, বাজারের ময়লা, পলিথিন, সবজি ও অন্যান্য বর্জ্য জমে পড়েছে নদপাড়ে। দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ায় পথচারীরা নাক চেপে চলাচল করছেন। বৃষ্টির সময় পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ হয়ে ওঠে বলে জানান স্থানীয়রা।
গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলা সদরের বিভিন্ন দোকান থেকে প্রতিদিনের বর্জ্যের একটি অংশ খেয়াঘাটে ফেলা হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে এভাবে বর্জ্য ফেলায় নদপাড়ের পরিবেশ নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি নদটির স্বাভাবিক প্রবাহও বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ এই খেয়াঘাট দিয়ে প্রতিদিন দুই পাড়ের হাজারো মানুষ চলাচল করেন। স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরাও নিয়মিত এই ঘাটটি ব্যবহার করে। পাশাপাশি পাশেই রয়েছে কাঁচাবাজার।
বাজারের কিছু সবজি বিক্রেতা বর্জ্যমিশ্রিত নদীর পানিতেই সবজি ধুয়ে থাকেন, যা জনস্বাস্থ্য ঝুঁকিতে ফেলেছে। অথচ নদীর পাড়েই বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য স্থাপনা রয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের বাস্তবায়নে নির্মিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও জৈব সার উৎপাদন কেন্দ্রটি ২০২৩ সালের অক্টোবরে উদ্বোধন করা হয়েছিল। স্থানীয়দের দাবি, উদ্বোধনের পর কিছুদিন কার্যক্রম চললেও ২০২৪ সাল থেকে কেন্দ্রটি কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়েছে।
"আমরা কারে কইয়াম। আমরার কথা কেউ হুনবো। মানুষের যে কষ্ট আইতাছে, এইজন্য কারো কিছু যায়-আসে না।"
"কিছু করার নাই। বহুদিন ধইরা ভোগতাছি। এহন আর আমগর বলার কিছু নাই। সহ্য হয়ে গেছে।"
বাজারের ব্যবসায়ী মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, “ক্ষমতায় অনেকে এসেছে-গেছে, কিন্তু তারা এই বর্জ্য নিয়ে ভাবেনি, কোনো কাজ করেনি। এখন নতুন সরকার যদি এই বিষয় নিয়ে কাজ না করে, আমাদের আর বলার কিছু থাকবে না।”
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কাপাসিয়া উপজেলা, গাজীপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. আসাদুল্লাহ, মো. শফিকুল ইসলাম, সুধাস চন্দ্র মনিদাস, খোরশেদ আলম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০০ মিটার (বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র থেকে দূরত্ব)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!