📌 মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরে র্যাবের পরিচয়ে স্বর্ণলুটের চক্রের সাত সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। তাদের কাছ থেকে র্যাবের কটি, ওয়াকিটকি, খেলনা পিস্তল, হ্যান্ডকাফ ও ইলেকট্রিক শক মেশিনসহ ডাকাতির সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে
মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরে র্যাবের পরিচয়ে স্বর্ণলুটের চক্রের সাত সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। এই গ্রেপ্তারীরা ছিলো চাকরিচ্যুত সেনাসদস্য ও ডাকাতির বিভিন্ন সরঞ্জামের মালিক। আজ রোববার দুপুরে শ্রীনগর উপজেলার ছনবাড়ী-ইছাপুরা সড়কের হরিবাড়ী ব্রিজ এলাকায় পুলিশ তাদেরকে ধরে ফেলে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরে র্যাব পরিচয়ে স্বর্ণলুটের চক্রের সাত সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
- 📌 গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছে শরীয়তপুরের ফরহাদ হোসেন (৪০), নওগাঁর চাকরিচ্যুত সেনাসদস্য নাদিম মাহমুদ শান্ত (৩০), রাজবাড়ীর মিজানুর রহমান (৪১), বরগুনার আব্দুল আলীম (৩২), মাগুরার সাকিবুর জামান মেহেদী (২৬), ভোলার মেহেদী হাসান সুজন (৩৫) ও বরগুনার গাড়িচালক আবু হানিফ (৩২)।
- 📌 তাদের কাছ থেকে জব্দ করা হয়েছে: একটি রুপালি রঙের টয়োটা মাইক্রোবাস, একটি লাল হিরো এক্সব্লেড মোটরসাইকেল, তিনটি র্যাবের কটি, দুটি ওয়াকিটকি, দুটি খেলনা পিস্তল, দুই জোড়া হ্যান্ডকাফ, তিনটি ভুয়া পরিচয়পত্র ও একটি ইলেকট্রিক শক মেশিন।
- 📌 পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা শ্রীনগর বাজারের এক স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে র্যাব পরিচয়ে লুট করার পরিকল্পনা করেছিল।
- 📌 গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।
📰 বিস্তারিত
মুন্সিগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) আজ রোববার দুপুরে শ্রীনগর উপজেলার ছনবাড়ী-ইছাপুরা সড়কের হরিবাড়ী ব্রিজের পূর্ব পাশে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের ধরে ফেলে। পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম সন্ধ্যায় সংবাদ সম্মেলনে জানান, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে, র্যাব পরিচয়ে এক স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে ডাকাতির উদ্দেশ্যে একটি মাইক্রোবাস ও মোটরসাইকেল নিয়ে সিংপাড়ার দিকে যাচ্ছিল।
দুপুর ১২টা ২৫ মিনিটে হরিবাড়ী ব্রিজ এলাকায় চেকপোস্ট বসানো হয়। দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে সন্দেহভাজন গাড়ি দুটিকে থামার সংকেত দেওয়া হয়। মাইক্রোবাসের চালকের পাশের আসনে থাকা এক ব্যক্তি র্যাবের কটি পরা অবস্থায় নিজেকে র্যাব কর্মকর্তা বলে পরিচয় দেন। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে পুলিশ সদস্যরা তাদের চ্যালেঞ্জ করেন। পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের ধরে ফেলে সাতজনকে গ্রেপ্তার করে।
পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা স্বীকার করেছেন, তারা দীর্ঘদিন ধরে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয় দিয়ে যাত্রীবাহী বাস ও মাইক্রোবাস থামিয়ে যাত্রীদের সর্বস্ব লুট করত।
"গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কাছ থেকে একটি রুপালি রঙের টয়োটা মাইক্রোবাস, একটি লাল রঙের হিরো এক্সব্লেড মোটরসাইকেল, তিনটি র্যাবের কটি, দুটি ওয়াকিটকি, দুটি খেলনা পিস্তল, দুই জোড়া হ্যান্ডকাফ, র্যাবের লোগোযুক্ত তিনটি ভুয়া পরিচয়পত্র এবং একটি ইলেকট্রিক শক মেশিন জব্দ করা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: শ্রীনগর উপজেলা, মুন্সিগঞ্জ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম, ফরহাদ হোসেন, নাদিম মাহমুদ শান্ত, মিজানুর রহমান, আব্দুল আলীম, সাকিবুর জামান মেহেদী, মেহেদী হাসান সুজন, আবু হানিফ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ জন গ্রেপ্তার, ৪০, ৩০, ৪১, ৩২, ২৬, ৩৫ বছর বয়সী ব্যক্তি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!