📌 নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলার খালুয়া দাখিল মাদ্রাসায় ১১টি শিক্ষকের পদ শূন্য থাকায় ১০ জন শিক্ষক ৪১৩ শিক্ষার্থীর পাঠদান পরিচালনা করছেন। অবকাঠামোগত সমস্যা ও যাতায়াতের অসুবিধা শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় বাধা সৃষ্টি করছে
নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলার খালুয়া দাখিল মাদ্রাসায় শিক্ষকসংকটের কারণে ৪১৩ শিক্ষার্থীর পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। ১১টি শিক্ষকের পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য থাকায় মাত্র ১০ জন শিক্ষক পাঠদান পরিচালনা করছেন। অবকাঠামোগত সমস্যা ও যাতায়াতের অসুবিধা শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় বাধা সৃষ্টি করছে বলে জানা গেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলার খালুয়া দাখিল মাদ্রাসায় ১১টি শিক্ষকের পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য
- 📌 ১০ জন শিক্ষক ৪১৩ শিক্ষার্থীর পাঠদান পরিচালনা করছেন, শিক্ষকসংকটের কারণে পাঠদান ব্যাহত
- 📌 শিক্ষকসংকটের পাশাপাশি পর্যাপ্ত শ্রেণিকক্ষ, ওয়াশব্লক ও স্যানিটেশন সুবিধা না থাকায় শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি বেড়েছে
- 📌 মাদ্রাসার পাকা সড়ক থেকে কাঁচা রাস্তায় যাতায়াতের অসুবিধা শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ স্থানীয়দের জন্য দুঃসহ
- 📌 মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার মোহাম্মদ আবদুল হেলিম বলেছেন, দ্রুত শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগ ও অবকাঠামো উন্নয়নের প্রয়োজন
📰 বিস্তারিত
১৯৬৫ সালে প্রতিষ্ঠিত খালুয়া দাখিল মাদ্রাসা ১৯৮৪ সালে এমপিওভুক্ত হয়। বর্তমানে এখানে ৪১৩ শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছেন। তবে শিক্ষকসংকটের কারণে পাঠদান পরিচালনায় সমস্যা হচ্ছে। মাদ্রাসায় শিক্ষক রয়েছেন মাত্র ১০ জন। অফিস সহকারীসহ অন্যান্য পদে কর্মরত আছেন পাঁচজন। তবে শিক্ষকের ১১টি পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে। শিক্ষকসংকটের কারণে নিয়মিত পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় প্রভাব পড়ছে বলে জানান মাদ্রাসার শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
অবকাঠামোগত সমস্যা মাদ্রাসার জন্য আরও চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করেছে। পর্যাপ্ত শ্রেণিকক্ষ না থাকায় পাঠদান করতে হচ্ছে টিনশেড কক্ষে। একটি পুরোনো ও জরাজীর্ণ একতলা ভবন ছাড়া অন্যান্য সুবিধা নেই। ৪১৩ শিক্ষার্থীর জন্য পর্যাপ্ত পানি ও স্যানিটেশন সুবিধাও নেই। প্রয়োজনীয় ওয়াশব্লক না থাকায় শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
মাদ্রাসা সংশ্লিষ্টরা বলেন, শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে দ্রুত শূন্য পদগুলোতে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে পর্যাপ্ত ও নিরাপদ শ্রেণিকক্ষের জন্য নতুন ভবন নির্মাণ এবং ওয়াশব্লকসহ প্রয়োজনীয় স্যানিটেশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা দরকার। যাতায়াতের ক্ষেত্রেও রয়েছে ভোগান্তি। পাকা সড়ক থেকে মাদ্রাসা পর্যন্ত রাস্তাটি এখনো কাঁচা। বর্ষায় রাস্তায় কাদা জমে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। এতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় বাসিন্দাদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়।
"শিক্ষকসংকটের কারণে পাঠদান পরিচালনায় সমস্যা হচ্ছে। দ্রুত শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগ এবং মাদ্রাসার অবকাঠামোগত উন্নয়নে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হলে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হবে।"
মোহাম্মদ আবদুল হেলিম, খালুয়া দাখিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মোহনগঞ্জ উপজেলা, নেত্রকোনা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ আবদুল হেলিম (ভারপ্রাপ্ত সুপার), জাহাঙ্গীর কবির আহাম্মাদ (জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১টি শিক্ষকের পদ শূন্য, ৪১৩ শিক্ষার্থী, ১০ জন শিক্ষক
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!