📌 ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে হরমুজ নৌপ্রবেশে চুক্তি থেকে দূরে যাওয়ায় উত্তেজনা বাড়ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের প্রস্তাবিত সপ্তাহব্যাপী চুক্তি প্রত্যাখ্যান করেছেন। ইরানের বিপক্ষে নৌব্লকেড জারি করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জ্বালানি পরিবহন নিয়ন্ত্রণ করছে বলে দাবি করছে ইরান।
হরমুজ নৌপ্রবেশে ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা আরো বেড়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের প্রস্তাবিত সপ্তাহব্যাপী চুক্তি প্রত্যাখ্যান করার পরই ইরানের দক্ষিণে কেশম দ্বীপের নিকটবর্তী হরমুজ নৌপ্রবেশে বিস্ফোরণ শুনা গেছে। ইরানি মিডিয়া জানায়, ইরানের ইচ্ছার বিরুদ্ধে নৌযান চলাচলের বিরুদ্ধে বহিরাগত জাহাজ-নিরোধক মিসাইল ও ড্রোন চালানো হয়েছে। ইরানের বিপক্ষে নৌব্লকেড জারি করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জ্বালানি পরিবহন নিয়ন্ত্রণ করছে বলে ইরান দাবি করছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সপ্তাহব্যাপী চুক্তি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন, যার ফলে হরমুজ নৌপ্রবেশে উত্তেজনা বেড়েছে।
- 📌 ইরানের বিপক্ষে নৌব্লকেডে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী ১২২টি বাণিজ্যিক জাহাজ পুনঃনির্দেশিত করেছে, যার ফলে ইরানের জ্বালানি রফতানি সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে।
- 📌 ইরানিরা দাবি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ নৌপ্রবেশের চলাচলের তথ্য ভ্রান্তভাবে প্রকাশ করছে।
- 📌 ইরানের নৌপ্রশাসন ঘোষণা করেছে যে, যেকোনো জাহাজচালক সংস্থাকে যদি ইরানির অনুমোদিত রুট ছাড়াই চলাচল করতে বলা হয়, তাহলে তাদের নিষিদ্ধ তালিকায় রাখা হবে।
- 📌 মার্কিন শক্তি মন্ত্রী ক্রিস রাইটের মতে, বর্তমানে প্রায় ১৩ মিলিয়ন ব্যারেল জ্বালানি দৈনিক পরিবহন চলছে।
- 📌 ইরানের নৌবাহিনী বলেছে, হরমুজ নৌপ্রবেশ সম্পূর্ণ খোলা হবে না, যতক্ষণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোর ব্লকেড তুলে না দেবে।
📰 বিস্তারিত
ইরানের রাজধানী তেহরানে অবস্থিত ইরানের নৌপ্রশাসন জানিয়েছে, হরমুজ নৌপ্রবেশে ইরানের ইচ্ছার বিরুদ্ধে বহিরাগত জাহাজ-নিরোধক মিসাইল ও ড্রোন চালানো হয়েছে। ইরানের বিপক্ষে নৌব্লকেডে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী ১২২টি বাণিজ্যিক জাহাজ পুনঃনির্দেশিত করেছে। মার্কিন সেনা কমান্ডের তথ্য অনুযায়ী, দুই মাসের মধ্যে প্রায় এক বিলিয়ন ব্যারেল জ্বালানি নিরাপদে পরিবহন করা হয়েছে। তবে ইরান দাবি করে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ নৌপ্রবেশের চলাচলের তথ্য ভ্রান্তভাবে প্রকাশ করছে।
ইরানের নৌপ্রশাসন ঘোষণা করেছে যে, যেকোনো জাহাজচালক সংস্থাকে যদি ইরানির অনুমোদিত রুট ছাড়াই চলাচল করতে বলা হয়, তাহলে তাদের নিষিদ্ধ তালিকায় রাখা হবে। ইরানিরা একটি অজ্ঞাত জাহাজচালক সংস্থার নাম প্রকাশ করে বলেছে, তাদের চুক্তিপ্রতিরোধী চাপের কারণে তারা ইরানের অনুমোদিত রুট ছাড়াই চলাচল করতে বাধ্য হয়েছিল।
মার্কিন শক্তি মন্ত্রী ক্রিস রাইটের মতে, বর্তমানে জ্বালানি পরিবহনের দৈনিক গড় প্রায় ১৩ মিলিয়ন ব্যারেল। মার্কিন সেনা কমান্ডের তথ্য অনুযায়ী, দুই মাসের মধ্যে প্রায় এক বিলিয়ন ব্যারেল জ্বালানি নিরাপদে পরিবহন করা হয়েছে। ইরানের বিপক্ষে নৌব্লকেডে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী ১২২টি বাণিজ্যিক জাহাজ পুনঃনির্দেশিত করেছে, যার ফলে ইরানের জ্বালানি রফতানি সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে।
"মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী হরমুজ নৌপ্রবেশের চলাচলের তথ্য ভ্রান্তভাবে প্রকাশ করছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: হরমুজ নৌপ্রবেশ, কেশম দ্বীপ, তেহরান (ইরান), ওয়াশিংটন (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র), নিউ ইয়র্ক (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, মার্কিন শক্তি মন্ত্রী ক্রিস রাইট, ইরানের নৌপ্রশাসন, অ্যান্ড্রিয়াস ক্রিগ (কিংস কলেজ লন্ডন)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩ মিলিয়ন ব্যারেল (জ্বালানি পরিবহন), ১২২টি জাহাজ (পুনঃনির্দেশিত), ১ বিলিয়ন ব্যারেল (জ্বালানি পরিবহন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!