📅 ১ নভেম্বর ২০২৬, ৫:৫১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গবেষণা প্রকাশ: দাঁড়িয়ে বা বসে প্রস্রাব — সুস্থ পুরুষদের জন্য কোনো পার্থক্য নেই

গবেষণা প্রকাশ: দাঁড়িয়ে বা বসে প্রস্রাব — সুস্থ পুরুষদের জন্য কোনো পার্থক্য নেই

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নতুন গবেষণায় দেখা গেছে, সুস্থ পুরুষদের জন্য দাঁড়িয়ে বা বসে প্রস্রাব করার মধ্যে কোনো উল্লেখযোগ্য পার্থক্য নেই। ৫২ জন পুরুষের ওপর পরিচালিত গবেষণায় প্রস্রাবের প্রবাহ, পরিমাণ ও মূত্রথলি খালি হওয়ার ক্ষেত্রে উভয় অবস্থানে একই ফল পাওয়া গেছে

দাঁড়িয়ে নাকি বসে প্রস্রাব — এই বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলা বিতর্কের উত্তর পেয়েছেন সুস্থ পুরুষরা। নতুন গবেষণায় দেখা গেছে, প্রস্রাবের অবস্থান পরিবর্তন করলেও সুস্থ পুরুষদের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য কোনো পার্থক্য তৈরি হয় না। গবেষণায় প্রস্রাবের প্রবাহের হার, মোট নির্গত প্রস্রাবের পরিমাণ এবং মূত্রথলি খালি হওয়ার ক্ষেত্রে উভয় অবস্থানে প্রায় একই ফল পাওয়া গেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৫২ জন সুস্থ পুরুষের ওপর পরিচালিত গবেষণায় দেখা গেছে, দাঁড়িয়ে বা বসে প্রস্রাব করার মধ্যে কোনো উল্লেখযোগ্য পার্থক্য নেই।
  • 📌 ১৮ থেকে ৩৯ বছর বয়সী অংশগ্রহণকারীদের বসে ও দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করার পর পরিমাপ করা হয়, ফলাফল একই ছিল।
  • 📌 দাঁড়িয়ে প্রস্রাবের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ প্রবাহের গতিতে পৌঁছাতে সামান্য বেশি সময় লাগে, তবে তা চিকিৎসাগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ নয়।
  • 📌 বিশেষজ্ঞদের মতে, সুস্থ পুরুষদের জন্য প্রস্রাবের অবস্থান নির্বাচন করতে পারেন নিজের পছন্দ অনুযায়ী।
  • 📌 যুক্তরাষ্ট্রে ১০ শতাংশ এবং জার্মানিতে ৪০ শতাংশ পুরুষ বসে প্রস্রাব করেন, তবে বৈজ্ঞানিকভাবে কোনো পার্থক্য নেই।
  • 📌 ৫০ বছর বয়সের পর প্রোস্টেট সমস্যায় আক্রান্ত পুরুষদের জন্য বসে প্রস্রাব করা পরিচ্ছন্নতার দিক থেকে সুবিধাজনক হতে পারে।

📰 বিস্তারিত

‘নিউরোইউরোলজি অ্যান্ড ইউরোডাইনামিসক’ সাময়িকীতে প্রকাশিত গবেষণায় বলা হয়েছে, সুস্থ পুরুষদের জন্য দাঁড়িয়ে বা বসে প্রস্রাব করার অবস্থান সর্বোচ্চ প্রস্রাব প্রবাহের হার বা মোট নির্গত প্রস্রাবের পরিমাণে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলে না। কলম্বিয়ান ইউরোলজি রিসার্চ গ্রুপের বিজ্ঞানীদের নেতৃত্বে পরিচালিত এই গবেষণায় ১৮ থেকে ৩৯ বছর বয়সী ৫২ জন পুরুষ অংশ নেন। গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের বসে ও দাঁড়িয়ে দুই অবস্থায় প্রস্রাব করতে বলা হয়। প্রতিবার প্রস্রাবের সময় সর্বোচ্চ প্রবাহের হার এবং মোট নির্গত প্রস্রাবের পরিমাণ পরিমাপ করা হয়। ফলাফলে দেখা যায়, প্রস্রাবের অবস্থান পরিবর্তনের কারণে এসব সূচকে উল্লেখযোগ্য কোনো পার্থক্য তৈরি হয়নি।

গবেষকদের ভাষ্য, দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করার সময় সর্বোচ্চ প্রবাহের গতিতে পৌঁছাতে সামান্য বেশি সময় লাগে। তবে পরিসংখ্যানগতভাবে এ পার্থক্য তাৎপর্যপূর্ণ হলেও চিকিৎসাগতভাবে এর বিশেষ গুরুত্ব নেই। গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে অন্তত ২৪ ঘণ্টার বিরতি রাখা হয়, যা ‘ওয়াশআউট পিরিয়ড’ হিসেবে পরিচিত।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু সংস্কৃতিতে বসে কিংবা দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করার বিষয়টি সামাজিকভাবে নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে যুক্ত হলেও বৈজ্ঞানিক গবেষণায় সুস্থ পুরুষদের ক্ষেত্রে এ দুই অবস্থানের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য পাওয়া যায়নি। ২০২৩ সালে দ্য কনভারসেশনে প্রকাশিত এক নিবন্ধে মূত্রথলির শারীরবৃত্তীয় কার্যক্রম নিয়ে গবেষণাকারী বিশেষজ্ঞরা জানান, প্রস্রাবসংক্রান্ত কোনো সমস্যা না থাকলে পুরুষেরা নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী যেকোনো অবস্থানে প্রস্রাব করতে পারেন। তবে দাঁড়িয়ে প্রস্রাবের ক্ষেত্রে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ।

"প্রস্রাবসংক্রান্ত কোনো সমস্যা না থাকলে পুরুষেরা নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী যেকোনো অবস্থানে প্রস্রাব করতে পারেন। তবে দাঁড়িয়ে প্রস্রাবের ক্ষেত্রে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ।"

গবেষণায় আরও দেখা যায়, ৫০ বছর বয়সের পর অনেক পুরুষের প্রোস্টেট গ্রন্থি বড় হয়ে যায়, যা মূত্রনালি সংকুচিত করে প্রস্রাবের স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত করতে পারে। ইউরোলজিস্ট রেনা মালিকের মতে, এ ধরনের সমস্যায় আক্রান্ত পুরুষদের প্রস্রাবের সময় অতিরিক্ত চাপ দিতে হতে পারে এবং প্রস্রাবের ধারা দুর্বল হয়ে যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে বসে প্রস্রাব করা পরিচ্ছন্নতার দিক থেকে সুবিধাজনক হতে পারে। তবে তিনি উল্লেখ করেছেন, এ বিষয়ে তাঁর ব্যাখ্যাগুলো তাত্ত্বিক।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কলম্বিয়া (গবেষণা পরিচালনা), যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানি (জরিপের তথ্য)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: গবেষণাকারী বিজ্ঞানীরা, অংশগ্রহণকারী ৫২ জন পুরুষ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৮-৩৯ বছর (বয়স), ৫২ জন (অংশগ্রহণকারী), ২৪ ঘণ্টা (বিরতি), ১০% (যুক্তরাষ্ট্রে বসে প্রস্রাবকারী), ৪০% (জার্মানিতে বসে প্রস্রাবকারী), ৫০ বছর (প্রোস্টেট সমস্যার বয়স)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖