📌 ফরিদপুরের মধুখালীতে ১৪ সেপ্টেম্বর সংঘবদ্ধ ধর্ষণে আক্রান্ত হয়ে বিষ পান করে মারা যান একটি নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। পরিবার মামলা না নেওয়ার দাবি করলেও পুলিশ ধর্ষণের প্রমাণ না পাওয়ার দাবি করেছে
ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলায় সংঘবদ্ধ ধর্ষণে আক্রান্ত হয়ে বিষ পান করে মারা যান একটি নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। ঘটনার ১৪ সেপ্টেম্বর ঘটে, কিন্তু মৃত্যুর ৫ দিন পরও পুলিশ মামলা নেয়নি। পরিবার ক্ষুব্ধ হয়ে বলছে, পুলিশের অপরাধীকে শাস্তি না দেওয়ার দায়িত্বে রয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৪ সেপ্টেম্বর মধুখালীতে তিন যুবক নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে জোর করে তুলে নিয়ে মধুমতি নদীর নিকটে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে, পরে বিষ পান করে মারা যান তিনি ২৬ অক্টোবর
- 📌 পরিবার দাবি, ঘটনাস্থলে ধর্ষণের প্রমাণ থাকলেও পুলিশ মামলা না নিলে তারা ক্ষুব্ধ, বলছেন "পুলিশের টাকা খাওয়া বোঝেন না!"
- 📌 ধর্ষণে জড়িত তিন যুবক হলেন রাফি শেখ (২১), রাহুল শেখ (২০) ও সায়মন বিশ্বাস (২০); তাদের সহযোগিতা করেন সোহাগ শেখ (২০)
- 📌 পুলিশের তদন্তে ধর্ষণের কোনো প্রমাণ না পাওয়ার দাবি, কিন্তু পরিবার দাবি করে যে, ঘটনার পর থানা থেকে জোর করে স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছিল
📰 বিস্তারিত
ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার আড়পাড়া ইউনিয়নের একটি কৃষক পরিবারের মেয়ে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। তিনি ১৪ সেপ্টেম্বর সকাল সাতটায় স্কুলে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হন। ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে পৌঁছানোর পর তিন যুবক মোটরসাইকেলে তাকে জোর করে তুলে নিয়ে যান। পরে মাগুরার শ্রীপুর থানার নাকোল গ্রামের মধুমতি নদীর নিকটে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়। পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার পর মেয়েটি নদীতে ঝাঁপ দেন এবং স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে উদ্ধার করে পুলিশকে খবর দেন।
পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে যাওয়া হয় মেয়েটিকে। একই দিন দুপুরে ফাঁড়ির বাথরুমে তিনি হারপিক পান করেন। পরে তাকে মাগুরা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, পরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর ২৬ অক্টোবর বাড়িতেই মৃত্যুবরণ করেন। পরিবারের সদস্যরা বলছেন, মেয়ের মৃত্যুর পর পুলিশ মামলা নেয়নি, যা পরিবারকে ক্ষুব্ধ করেছে।
পরিবারের অভিযোগ, ঘটনায় জড়িত তিন যুবক হলেন রাফি শেখ (২১), রাহুল শেখ (২০) ও সায়মন বিশ্বাস (২০)। তাদের সহযোগিতা করেন সোহাগ শেখ (২০)। পরিবার দাবি করে, ঘটনার পর থানায় গিয়ে তাদের জোর করে স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছিল।
"যার সন্তান যখন হারায় যায়, তারা কি বইস্যা থাকে? কিন্তু এই পুলিশ-দারোগা, যারা অপরাধী, তাঁদের শাস্তি দেয় না; খালি ওগো টাহার দরকার!"
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ওলি মিয়া বলেছেন, তদন্তে ধর্ষণের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে পরিবার দাবি করে, ঘটনাস্থলে ধর্ষণের প্রমাণ থাকলেও পুলিশ তা উপেক্ষা করেছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মধুখালী উপজেলা, ফরিদপুর; মধুমতি নদী, মাগুরা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী (মৃত), রাফি শেখ (২১), রাহুল শেখ (২০), সায়মন বিশ্বাস (২০), সোহাগ শেখ (২০)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪ সেপ্টেম্বর (ঘটনা), ২৬ অক্টোবর (মৃত্যু), ১১ দিন (চিকিৎসা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!