📌 কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, মাটি পরীক্ষা না করে সার দেওয়ায় দেশব্যাপী সার খরচ বেড়ে যাচ্ছে। তিনি ঘোষণা করেছেন, ভবিষ্যতে মাটি পরীক্ষা অবশ্যই করা হবে
বাংলাদেশের কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ সারদিনের খরচ বৃদ্ধির মূল কারণ হিসেবে মাটি পরীক্ষা না করা উল্লেখ করেছেন। তিনি জানান, মাটির পিএইচ মান ৭.৫ থাকার কথা হলেও দেশব্যাপী গড় মাত্র ৪.৫। এ কারণে কৃষকদের প্রয়োজনীয় সারের চেয়ে বেশি পরিমাণ সার ব্যবহার করতে হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মাটি পরীক্ষা না করায় সার খরচ বেড়ে যাচ্ছে: মন্ত্রী
- 📌 দেশব্যাপী মাটির গড় পিএইচ ৪.৫, যেখানে ৭.৫ থাকার কথা
- 📌 ৬ হাজার টন ধারণক্ষমতাসম্পন্ন সার গুদাম উদ্বোধন করা হয়েছে
- 📌 বছরে ৫৬-৫৮ লাখ টন সার আমদানি করা হয়, গুদামের অভাবের কারণে সার ক্ষতিগ্রস্ত হয়
- 📌 সার বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে গুদামের তথ্য দায়িত্বশীলদের হাতে থাকবে
📰 বিস্তারিত
মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, ‘কৃষি মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব নেওয়ার পর আমি চিন্তা করেছি, কেন জমির তুলনায় এত বেশি সার লাগছে? পরবর্তীতে জানতে পারলাম, মাটি পরীক্ষা না করার কারণে সার প্রয়োগের পরিমাণ বেশি হয়ে যাচ্ছে।’ তিনি উল্লেখ করেছেন, সারা দেশে মাটির পিএইচ মান ৭.৫ থাকার কথা হলেও বর্তমানে গড় মাত্র ৪.৫। এ কারণে সার প্রয়োগের পরিমাণ অতিরিক্ত হয়ে যাচ্ছে।
মন্ত্রী বলেন, ‘কৃষক প্রয়োজন মতো সার না পেলে উৎপাদন ব্যাহত হবে। তাই উৎপাদন, সংরক্ষণ, সরবরাহ ও বিতরণ সুষ্ঠুভাবে নিশ্চিত করতে নতুন গুদাম নির্মাণ করা হচ্ছে।’ তিনি আরও জানান, ‘গুদামে সার মজুত থাকাই যথেষ্ট নয়, কৃষকের কাছে সার পৌঁছাতে হবে। কোনোভাবেই সার অপচয় বা কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করা যাবে না।’
রোববার (১ নভেম্বর) গাবতলীতে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) এর ৬ হাজার টন ধারণক্ষমতাসম্পন্ন প্রি-ফেব্রিকেটেড স্টিল (পিএফজি) সার গুদামের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বিএডিসির চেয়ারম্যান মো. আজিজুল ইসলাম সভাপতিত্ব করেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন কৃষি সচিব মো. সেলিম খান এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিম।
কৃষি সচিব মো. সেলিম খান বলেন, ‘বিএডিসি সার, সেচ ও বীজের একমাত্র প্রতিষ্ঠান। আমাদের বছরে ৫৬-৫৮ লাখ টন সার আমদানি করতে হয়। স্থানের অভাবে অনেক সময় সেগুলো খোলা আকাশের নিচে রাখতে হয়, যা সারের গুণাগুণ নষ্ট করে। এজন্য গুদাম নির্মাণকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।’
"কৃষক প্রয়োজন মতো সার না পেলে উৎপাদন ব্যাহত হবে। তাই সার বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে গুদামের তথ্য দায়িত্বশীলদের হাতে থাকবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গাবতলী, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, কৃষি সচিব মো. সেলিম খান, বিএডিসি চেয়ারম্যান মো. আজিজুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: মাটির পিএইচ ৪.৫ (দেশব্যাপী গড়), ৭.৫ (আবশ্যক মান), ৬ হাজার টন (গুদাম ধারণক্ষমতা), ৫৬-৫৮ লাখ টন (বছরে আমদানি করা সার)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!