📅 ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:১২ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বন্য প্রাণী বিশেষজ্ঞের হাতে ধরা পড়লো দুটি বিরল জলপিপি ও নেউপিপির জীবনচিত্র

বন্য প্রাণী বিশেষজ্ঞের হাতে ধরা পড়লো দুটি বিরল জলপিপি ও নেউপিপির জীবনচিত্র

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বন্য প্রাণী বিশেষজ্ঞ বখতিয়ার হামিদ ও গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা বাংলাদেশের দুটি বিরল জলপিপি ও নেউপিপির প্রজনন ও আচরণের বিস্তারিত জীবনচিত্র ধারণ করেছেন। চুয়াডাঙ্গার বকচর বিল ও রাজধানীর জাতীয় চিড়িয়াখানায় দেখা পাখিগুলোর বৈজ্ঞানিক গবেষণায় নতুন তথ্য উন্মোচিত হয়েছে

বন্য প্রাণী বিশেষজ্ঞ ও স্কুলশিক্ষক বখতিয়ার হামিদের নেতৃত্বে একটি গবেষণা দল বাংলাদেশের দুটি বিরল জলপিপি ও নেউপিপির জীবনচিত্র ধারণ করেছেন। গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিচিকিৎসা বিভাগের ছাত্রদের মাঠকর্মে এই বিরল পাখিদের প্রজনন ও আচরণের বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২০১৮ সালের ২১-২২ সেপ্টেম্বর২০২৬ সালের ২ মে দুটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণে জলপিপি ও নেউপিপির প্রজননকালের বিস্তারিত ধারণ করা হয়েছে
  • 📌 চুয়াডাঙ্গার বকচর বিলরাজধানীর জাতীয় চিড়িয়াখানায় দেখা পাখিগুলো জলকোপি বা Jacanidae গোত্রের অন্তর্ভুক্ত
  • 📌 জলপিপির বৈজ্ঞানিক নাম Metopidius indicus এবং নেউপিপির বৈজ্ঞানিক নাম Hydophasianus chirurgus
  • 📌 পুরুষ পাখি একাই ডিমে তা দেয় এবং ছানাদের লালনপালন করে — স্ত্রী পাখি শুধু ডিম পাড়ে
  • 📌 ডিম ফোটে ২৩ থেকে ২৬ দিনে এবং ছানারা ডিম থেকে ফোটার সঙ্গে সঙ্গেই হাঁটতে ও ডুব দিতে পারে

📰 বিস্তারিত

বন্য প্রাণী বিশেষজ্ঞ বখতিয়ার হামিদের আমন্ত্রণে গবেষণা দল চুয়াডাঙ্গার বেলগাছি গ্রামের বকচর বিলে গিয়েছিলেন। বিলের প্রাকৃতিক পরিবেশে বক, ডাহুক, জলমুরগি, মাছরাঙা, সরালি হাঁস ও অন্যান্য জলচর পাখির অভাব ছিল না। বিশেষত শরৎকালে তালপাকা গরমের সময় পাখিরা খুব সক্রিয় হয়ে ওঠে। গবেষকরা দুটি পাখির ছানা সহ পাখিটিকে খুঁজে পেয়েছিলেন এবং তাদের প্রজননকালের বিস্তারিত পর্যবেক্ষণ করেন।

গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ বর্ষের প্রাণিচিকিৎসা বিভাগের ছাত্ররা জাতীয় চিড়িয়াখানায় গিয়ে মায়া হরিণশালার পাশের প্রাকৃতিক জলাভূমিতে জলপিপি ও নেউপিপির প্রজননরত দেখেছিলেন। এছাড়াও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের লেকেও এই পাখিরা দেখা গিয়েছিল।

বৈজ্ঞানিক তথ্য অনুযায়ী, জলপিপি ও নেউপিপি উভয়ই বাংলাদেশের সচরাচর দৃশ্যমান আবাসিক পাখি। এই পাখিরা স্বাদুপানির ছোট জলাশয়, হ্রদ, পুকুরে বিচরণ করে। জলপিপি ‘সিক-সিক-সিক...’ এবং নেউপিপি ‘নে-উ-ইউ...’ শব্দে ডাকে। উভয়ের প্রজননকাল মে থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। স্ত্রী পাখি এক মৌসুমে একাধিক পুরুষের সঙ্গে মিলিত হয় এবং শাপলা বা পদ্মের পাতার ওপর বাসা বানিয়ে চারটি ডিম পাড়ে।

"জলপিপির ডিম বেগুনি কারুকাজসহ লালচে-বাদামি এবং নেউপিপির ডিম জলপাই-বাদামি। পুরুষ একাই ডিমে তা দেয় এবং ছানাদের লালনপালন করে। ডিম ফোটে ২৩ থেকে ২৬ দিনে। ছানারা বেশ ইঁচড়েপাকা। ডিম থেকে ফোটার সঙ্গে সঙ্গেই হাঁটতে, সাঁতরাতে ও ডুব দিতে পারে।"

বন্য প্রাণী বিশেষজ্ঞ আ ন ম আমিনুর রহমান বলেছেন, জলপিপি ও নেউপিপি উভয়ই বাংলাদেশের বিরল পাখি। এই গবেষণা দলের পর্যবেক্ষণ থেকে জানা যায়, এই পাখিরা বাটান ও গুলিন্দাদের নিকটাত্মীয়। তাদের পালক বর্ণিল ও উজ্জ্বল এবং খেনি গোত্রের পাখিদের সঙ্গে আকার ও আচরণে মিল থাকলেও তারা তাদের নিকটাত্মীয় নয়।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চুয়াডাঙ্গার বকচর বিল, রাজধানীর জাতীয় চিড়িয়াখানা, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের লেক
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বখতিয়ার হামিদ (বন্য প্রাণী বিশেষজ্ঞ), গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা, আ ন ম আমিনুর রহমান (বন্য প্রাণী বিশেষজ্ঞ)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২১-২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ২ মে ২০২৬, ২৩-২৬ দিন

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖