📌 ১৯৭৩ সালে পিকাসো মৃত্যুবরণের পর সাপ্তাহিক বিচিত্রা প্রকাশ করে তার প্রতি নিবেদিত অগ্রন্থিত লেখাগুলো। এতে জয়নুল আবেদিন, শামসুর রাহমানসহ বাংলাদেশের শিল্প-সাহিত্যিকরা পিকাসোর অবদান ও মৃত্যুর প্রতিক্রিয়ায় লেখা রেখেছিলেন। এ লেখাগুলো এখন পিকাসোর ১৪৫তম জন্মদিনে প্রকাশিত হচ্ছে
১৯৭৩ সালের ৮ এপ্রিল ফ্রান্সে মৃত্যুবরণ করেন বিশ্বখ্যাত স্প্যানিশ চিত্রশিল্পী পাবলো পিকাসো। তার মৃত্যুর পরেই বাংলাদেশের সাপ্তাহিক বিচিত্রা প্রকাশ করে পিকাসোকে নিবেদিত অগ্রন্থিত লেখাগুলো। এ লেখাগুলো আজ পিকাসোর ১৪৫তম জন্মদিনে (২৫ অক্টোবর ১৮৮১) পাঠকদের সামনে তুলে ধরা হলো। এতে বাংলাদেশের শিল্প-সাহিত্যিকদের স্মৃতিচারণ ও প্রতিক্রিয়া প্রতিফলিত হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৯৭৩ সালের ১৩ এপ্রিল প্রকাশিত বিচিত্রার ৩৬তম সংখ্যায় পিকাসোর মৃত্যুর পর প্রথমবারের মতো তার প্রতি নিবেদিত লেখা প্রকাশিত হয়। প্রচ্ছদে তার প্রতিকৃতি সহ শিরোনাম ছিল ‘একটি শতাব্দীর মৃত্যু’।
- 📌 ‘একটি শতাব্দীর অবসান’ শিরোনামে প্রকাশিত প্রচ্ছদ প্রতিবেদনে পিকাসোর মৃত্যুর প্রতিক্রিয়া তুলে ধরা হয়।
- 📌 জয়নুল আবেদিন, কামরুল হাসান, শামসুর রাহমান ও সৈয়দ শফিকুল হোসেন পিকাসোকে নিয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়াধর্মী লেখা লিখেছিলেন।
- 📌 বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীরের ‘শ্রাবণে আশ্বিনে’ ধারাবাহিকের এই পর্বটিও পিকাসোকে নিবেদিত ছিল।
- 📌 ১৯৭২ থেকে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত সৈয়দ শফিকুল হোসেন ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের অধ্যক্ষ।
- 📌 ১৯৭৩ সালের ৯ এপ্রিল বিচিত্রার সংবাদ শিরোনামে লেখা হয়েছিল, ‘পিকাসো আর নেই’।
- 📌 এসব অগ্রন্থিত লেখা এখন পর্যন্ত কোনো গ্রন্থে প্রকাশিত হয়নি। এগুলো সংগ্রহ ও সম্পাদনা করেছেন আশফাকুর রহমান।
📰 বিস্তারিত
বিশ্ব শিল্প ইতিহাসে পাবলো পিকাসো (জন্ম: ২৫ অক্টোবর ১৮৮১) একটি যুগান্তকারী ব্যক্তিত্ব। তার মৃত্যুর পর বাংলাদেশের আধুনিক চিত্রকলায় কিউবিজমের প্রভাব ও অনুপ্রেরণা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। বিচিত্রা পত্রিকার ১৩ এপ্রিল, ১৯৭৩ তারিখের সংখ্যায় পিকাসোর মৃত্যুর প্রতিক্রিয়া প্রকাশিত হয়। প্রচ্ছদে তার প্রতিকৃতি সহ ‘একটি শতাব্দীর মৃত্যু’ শিরোনামে লেখা ছিল।
বিচিত্রার ‘সংবাদ শিরোনাম’ অংশে ৯ এপ্রিল তারিখে লেখা হয়েছিল, ‘পিকাসো আর নেই’। এ সংখ্যায় পিকাসোকে নিবেদিত বেশ কয়েকটি লেখা প্রকাশিত হয়। এর মধ্যে ছিল বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীরের ‘শ্রাবণে আশ্বিনে’ ধারাবাহিকের একটি পর্ব। পিকাসোকে নিয়ে লেখা ছিল জয়নুল আবেদিন, কামরুল হাসান, শামসুর রাহমান ও সৈয়দ শফিকুল হোসেনের। এ লেখাগুলো পিকাসোর মৃত্যুর প্রতিক্রিয়া ও তার অবদানের স্মৃতিচারণে ভরপুর।
সৈয়দ শফিকুল হোসেন ১৯৭২ থেকে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের অধ্যক্ষ ছিলেন। তিনি পিকাসোকে নিয়ে লেখা লিখেছিলেন তার শিল্পী ও সাহিত্যিক হিসেবে পরিচিতি। এ লেখাগুলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি ও বাংলাদেশ অন রেকর্ড-এর আর্কাইভ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে। এগুলো পুনরায় সম্পাদনা করা হয়েছে সমকালীন রীতি অনুসরণ করে।
"একটি শতাব্দীর অবসান" শিরোনামে প্রকাশিত প্রচ্ছদ প্রতিবেদনে পিকাসোর মৃত্যুর প্রতিক্রিয়া তুলে ধরা হয়েছিল।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পাবলো পিকাসো, জয়নুল আবেদিন, শামসুর রাহমান, সৈয়দ শফিকুল হোসেন, বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর, আশফাকুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪৫ (জন্মদিন), ৩৬ (বিচিত্রার সংখ্যা), ১৩ (এপ্রিল), ৮ (এপ্রিল), ২৫ (অক্টোবর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!