📅 ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১:৪০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বাংলাদেশে ধনী পরিবারের শিশুদের রক্তে সিসা বেশি: গবেষণা প্রকাশ

বাংলাদেশে ধনী পরিবারের শিশুদের রক্তে সিসা বেশি: গবেষণা প্রকাশ

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশে ধনী পরিবারের শিশুদের রক্তে সিসার উচ্চমাত্রা বেশি। গবেষণা অনুযায়ী, সবচেয়ে ধনী ২০ শতাংশ পরিবারের শিশুদের ৫১.৯ শতাংশের রক্তে সিসা বেশি, যেখানে দরিদ্র পরিবারের শিশুদের এই হার ৩০.২ শতাংশ। সিসা মস্তিষ্ক বিকাশে ক্ষতি করতে পারে।

বাংলাদেশে আর্থসামাজিক অবস্থানের সাথে শিশুদের রক্তে সিসার মাত্রার মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে, সবচেয়ে ধনী পরিবারের শিশুদের রক্তে সিসার উচ্চমাত্রার হার সবচেয়ে দরিদ্র পরিবারের তুলনায় উল্লেখযোগ্য। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা পরিচালিত এই জাতীয় জরিপে এই তথ্য উঠে এসেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 দেশের ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের ৩৮.৫ শতাংশের রক্তে প্রতি ডেসিলিটার ৫ মাইক্রোগ্রাম বা তার বেশি সিসা রয়েছে
  • 📌 সবচেয়ে ধনী ২০ শতাংশ পরিবারের শিশুদের মধ্যে সিসার উচ্চমাত্রার হার ৫১.৯ শতাংশ, যেখানে দরিদ্র ২০ শতাংশ পরিবারের শিশুদের এই হার ৩০.২ শতাংশ
  • 📌 সিসা মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্রের বিকাশে ক্ষতি করতে পারে, যা বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশে বাধা সৃষ্টি করতে পারে
  • 📌 গবেষণাটি পরিচালনা করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব হেলথ ইকোনমিকসের সৈয়দ তৌসিক হোসেন ও মো. ইমাম হাসান
  • 📌 গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে মেডআর্কাইভে, যা ২০২৫ সালের মাল্টিপল ইন্ডিকেটর ক্লাস্টার সার্ভে (মিকস) উপাত্ত বিশ্লেষণ করে তৈরি

📰 বিস্তারিত

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) বলেছে, শিশুদের রক্তে সিসার কোনো নিরাপদ মাত্রা নেই। গবেষণায় দেখা গেছে, শিশুদের রক্তে সিসার উচ্চমাত্রা তাদের বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সাম্প্রতিক সময়ে স্নায়ুর বিকাশজনিত সমস্যায় আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা বেড়ে গেছে।

গবেষণায় শিশুদের রক্তে সিসার উচ্চমাত্রার কারণ হিসেবে ধনী পরিবারের শিশুদের প্যাকেটজাত খাবার, আসবাবপত্র, দেয়ালের রং ও তৈজসপত্রের উল্লেখ করা হয়েছে। এসব পণ্যে সিসা থাকতে পারে, যা শিশুদের শরীরে সিসা প্রবেশের সম্ভাব্য পথ হতে পারে। গবেষণাটির শিরোনাম ‘সোশ্যাল প্যাটার্নিং অব এলিভেটেড ব্লাড লিড অ্যামাং চিলড্রেন এজড ১২-৫৯ মান্থস ইন বাংলাদেশ’।

১৮ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার উদ্যোগে পালিত হচ্ছে ১৪তম আন্তর্জাতিক সিসা বিষক্রিয়া প্রতিরোধ সপ্তাহ। এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘শনাক্তকরণ থেকে প্রতিরোধে’। গবেষণায় যেভাবে উঠে এল চিত্র, তা বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) পরিচালিত ২০২৫ সালের মাল্টিপল ইন্ডিকেটর ক্লাস্টার সার্ভে (মিকস) থেকে পাওয়া উপাত্ত বিশ্লেষণ করে তৈরি করা হয়েছে।

"বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, শিশুদের রক্তে সিসার এমন কোনো মাত্রা জানা নেই, যাকে সম্পূর্ণ নিরাপদ বলা যায়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ (জাতীয় জরিপ)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সৈয়দ তৌসিক হোসেন, মো. ইমাম হাসান, বিশেষজ্ঞরা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৮.৫%, ৫১.৯%, ৩০.২%, ১২-৫৯ মাস, ৫ মাইক্রোগ্রাম

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖