📅 ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১:১৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

চালমুগরা: বাংলাদেশের মহাবিপন্ন ঔষধি গাছের বিলুপ্তির হুমকি

চালমুগরা: বাংলাদেশের মহাবিপন্ন ঔষধি গাছের বিলুপ্তির হুমকি

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশের বনাঞ্চলে মহাবিপন্ন অবস্থায় পড়েছে চিরসবুজ গাছ চালমুগরা। আইইউসিএন রেড লিস্টে অন্তর্ভুক্ত এই গাছের বীজের অত্যধিক আহরণ এবং কম বংশবৃদ্ধির হারের কারণে বর্তমানে মাত্র ১০০-এর কম উদ্ভিদ বেঁচে আছে। ঔষধি গুণসম্পন্ন এই গাছের তেল কুষ্ঠ, চর্মরোগ ও ডায়াবেটিস চিকিৎসায় কার্যকর

বাংলাদেশের বনাঞ্চলে মহাবিপন্ন অবস্থায় পড়েছে একটি অত্যন্ত মূল্যবান ঔষধি গাছ — চালমুগরা। এই গাছের বীজের তেল কুষ্ঠ, চর্মরোগ ও ডায়াবেটিসের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। তবে বর্তমানে প্রাকৃতিক আবাসে মাত্র ১০০-এর কম উদ্ভিদ বেঁচে আছে। গত ১০ বছরে বাংলাদেশ-ভারতে এই গাছের সংখ্যা ৫০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **মহাবিপন্ন** চালমুগরা গাছের বীজের তেল কুষ্ঠ, চর্মরোগ ও ডায়াবেটিসের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়, যা এর বিলুপ্তির প্রধান কারণ
  • 📌 **বাংলাদেশের ৬টি জেলায়** (বান্দরবান, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, মৌলভীবাজার) মোট ১০টি স্থানে প্রাকৃতিক আবাসে মাত্র ১০০-এর কম গাছ বেঁচে আছে
  • 📌 **প্রতিটি আবাসস্থলে** মাত্র ১ থেকে ৩টি পূর্ণাঙ্গ উদ্ভিদ দেখা গেছে, যা ‘অত্যন্ত বিপন্ন’ হিসেবে বিবেচিত সূচকের চেয়ে অনেক কম
  • 📌 **গাছের উচ্চতা** ১২ থেকে ১৫ মিটার পর্যন্ত হতে পারে, তবে বর্তমানে এর বংশবৃদ্ধির হার অত্যন্ত কম
  • 📌 **চীন ও আর্জেন্টিনায়** চালমুগরার তেল ক্যানসার চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়

📰 বিস্তারিত

প্রকৃতি ও পরিবেশ বিষয়ক লেখক মোকারম হোসেনের তথ্য অনুযায়ী, চালমুগরা (Hydnocarpus kurzii) চিরসবুজ মাঝারি আকারের একটি গাছ। এই গাছের বীজের তেল কুষ্ঠ, চর্মরোগ ও অন্যান্য চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। গত ২০২৪ সালে বাংলাদেশ ন্যাশনাল হার্বেরিয়াম এবং আইইউসিএন প্রকাশিত রেড লিস্টে গাছটিকে মহাবিপন্ন উদ্ভিদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

বাংলাদেশের বান্দরবান, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও মৌলভীবাজারের কিছু বনাঞ্চলে এই গাছের প্রাকৃতিক আবাস পাওয়া যায়। তবে বর্তমানে মাত্র ১০টি স্থানে এই গাছের বেঁচে থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে বান্দরবানের পলি ও রেমাক্রি প্রাংসা, চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড, হাজারীখিল, বারোইয়াধলা ও ধোপাছড়ি, কক্সবাজারের ভোমারিঘোনা, খাগড়াছড়ির আলুটিলা, রাঙামাটির রামপাহাড়, দামাইছড়ি, ফারুয়া, কাসালং-মাসালং ও পাবলাখালী এবং মৌলভীবাজারের লাউয়াছড়া ও শ্রীমঙ্গল।

গাছটির দ্রুত বিলুপ্তির অন্যতম প্রধান কারণ হলো এর বীজের অত্যধিক আহরণ। কারণ, বীজের তেল কুষ্ঠ ও অন্যান্য চর্মরোগের চিকিৎসায় কার্যকর। গত ১০ বছরে বাংলাদেশ-ভারতে এই প্রজাতির সংখ্যা ৫০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। গাছটির বংশবৃদ্ধির হারও অত্যধিক কম।

"চালমুগরার তেল গরম করে তাতে মৌচাকের মোম মিশিয়ে মলম তৈরি করে খোসপাঁচড়া ও সাধারণ ঘায়ে লাগালে সেরে যায়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বান্দরবান, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, মৌলভীবাজার
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোকারম হোসেন (প্রকৃতি ও পরিবেশবিষয়ক লেখক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০০-এর কম (মোট উদ্ভিদ সংখ্যা), ৫০% (গত ১০ বছরে সংখ্যা হ্রাস), ১২-১৫ মিটার (গাছের উচ্চতা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖