📌 মেহেরপুরের তিন সরকারি হাসপাতালে দেড় মাস ধরে অস্ত্রোপচার বন্ধ থাকায় রোগীদের চরম ভোগান্তি। অবেদনবিদ সংকটে জরুরি অস্ত্রোপচার স্থগিত। সরকারি হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসক পদ শূন্য থাকায় স্বাস্থ্যসেবা ব্যাহত
মেহেরপুর জেলার তিনটি সরকারি হাসপাতালে দেড় মাস ধরে অস্ত্রোপচার সেবা বন্ধ রয়েছে। অবেদনবিদ (অ্যানেসথেসিওলজিস্ট) সংকটের কারণে হাসপাতাল তিনটির অপারেশন থিয়েটার (ওটি) অচল হয়ে পড়েছে। ফলে সাধারণ রোগী ও স্বজনদের চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মেহেরপুরের সরকারি তিন হাসপাতাল হলো ২৫০ শয্যার মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতাল, ৫০ শয্যার মুজিবনগর ও গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স।
- 📌 গত ১৯ জুন অবেদনবিদ মেহেদি হাসানকে চুয়াডাঙ্গা জেনারেল হাসপাতালে বদলির পর থেকে তিন হাসপাতালেই অস্ত্রোপচার বন্ধ রয়েছে।
- 📌 এ এম রকিবুর রহমানকে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে পদায়ন করা হলেও তিনি ঢাকায় অবস্থান করছেন।
- 📌 প্রতি মাসে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে গড়ে প্রায় ১১৫ রোগীর অস্ত্রোপচার হতো।
- 📌 জেলার সরকারি হাসপাতালগুলোতে অনুমোদিত ৪২টি চিকিৎসকের পদে ২২টি পদই শূন্য রয়েছে।
📰 বিস্তারিত
মেহেরপুর জেলার সরকারি তিনটি হাসপাতালে দেড় মাস ধরে অস্ত্রোপচার সেবা বন্ধ রয়েছে। অবেদনবিদ সংকটের কারণে হাসপাতাল তিনটির অপারেশন থিয়েটার (ওটি) অচল হয়ে পড়েছে। ফলে সাধারণ রোগী ও স্বজনদের চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে। জেলার সরকারি তিন হাসপাতাল হলো ২৫০ শয্যার মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতাল, ৫০ শয্যার মুজিবনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স।
গত ১৯ জুন অবেদনবিদ মেহেদি হাসানকে চুয়াডাঙ্গা জেনারেল হাসপাতালে বদলি করার পর থেকে তিন হাসপাতালেই অস্ত্রোপচার বন্ধ রয়েছে। একই দিন এ এম রকিবুর রহমান নামের একজনকে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে অবেদনবিদ হিসেবে পদায়ন করা হয়। তবে তিনি হাসপাতালে যোগদান না করে ঢাকায় অবস্থান করছেন। এ বিষয়ে এ এম রকিবুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমাকে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে পদায়ন করার পর স্বাস্থ্য বিভাগ সেটি বাতিল করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যোগ দিতে নির্দেশ দিয়েছে। তাই আমি ঢাকায় অবস্থান করছি।’
অবেদনবিদ না থাকায় বাধ্য হয়ে জরুরি রোগীদের অন্য হাসপাতালে স্থানান্তর করতে হচ্ছে। মেহেরপুরের জেনারেল হাসপাতাল সূত্র জানায়, প্রতি মাসে গড় এই হাসপাতালে প্রায় ১১৫ রোগীর অস্ত্রোপচার করা হতো। এর মধ্যে ৩০ থেকে ৩৫ জন গাইনি রোগী, ৪০ থেকে ৪৫ জন সার্জারি রোগী ও ৩৫ জন অর্থোপেডিক রোগীর অস্ত্রোপচার করা হতো।
অনুমোদিত ৪২টি পদের মধ্যে চিকিৎসক ও সহকারী চিকিৎসক মিলিয়ে ২২টি পদই শূন্য রয়েছে। মেহেরপুরের সিভিল সার্জন এ কে এম আবু সাঈদ বলেন, দ্রুত সংকট সমাধানের জন্য একাধিকবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। তবে অধিদপ্তর থেকে এখনো নতুন কোনো পদায়ন বা বিকল্প ব্যবস্থার বিষয়ে নির্দেশনা পাওয়া যায়নি।
‘আমাকে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে পদায়ন করার পর স্বাস্থ্য বিভাগ সেটি বাতিল করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যোগ দিতে নির্দেশ দিয়েছে। তাই আমি ঢাকায় অবস্থান করছি।’ — এ এম রকিবুর রহমান
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মেহেরপুর জেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এ এম রকিবুর রহমান, এ কে এম আবু সাঈদ, মেহেদি হাসান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা, ২৫০ শয্যা, ৫০ শয্যা, ১৯ জুন, ১১৫ জন, ৩০ জন থেকে ৩৫ জন, ৪০ জন থেকে ৪৫ জন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!