📅 ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬:৩৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ডেঙ্গুতে মারা যাওয়া চার বছর বয়সী লামিয়া: মায়ের বিলাপে ঘর ভরে গেলো দুঃখের আর্তনাদ

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ডেঙ্গুতে মারা যাওয়া চার বছর বয়সী লামিয়া: মায়ের বিলাপে ঘর ভরে গেলো দুঃখের আর্তনাদ

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ডেঙ্গুতে মারা যাওয়া চার বছর বয়সী শিশু লামিয়া আক্তারের বাড়িতে আজ শুক্রবার মায়ের বিলাপে ঘর ভরে গেলো দুঃখের আর্তনাদ। গতকাল মৃত্যুর পর লামিয়ার পোশাক উঠানে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। ১৫ দিনে পাঁচজন ডেঙ্গু আক্রান্তের মৃত্যু হয়েছে সীতাকুণ্ডে

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার সোনাইছড়ি ইউনিয়নের একটি টিনশেডের কাঁচা ঘরে আজ শুক্রবার সকালে ডেঙ্গুতে মারা যাওয়া চার বছর বয়সী শিশু লামিয়া আক্তারের পরিবার দুঃখের গভীরে ডুবে পড়েছে। লামিয়ার মা সুমি আক্তার ও বাবা ইমাম হোসেনের বিলাপে ঘর ভরে গেলো দুঃখের আর্তনাদ। লামিয়ার মৃত্যুর পর তার পোশাক উঠানে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে, যেখানে মায়ের বিলাপের শব্দ মিশে গেছে পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দেওয়ার শব্দের সাথে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ডেঙ্গুতে মারা যাওয়া চার বছর বয়সী লামিয়া আক্তারের বাড়িতে মায়ের বিলাপে ঘর ভরে গেলো দুঃখের আর্তনাদ
  • 📌 লামিয়ার মা সুমি আক্তার বলেছেন, ‘আমার মেয়েটা কিছু খেতে চাইছিল না, তাই আদর করে খাওয়ানোর চেষ্টা করছিলাম। সঙ্গে সঙ্গে বমি করে দিয়েছে। আমার মেয়েটা আমাকে ছেড়ে চলে গেল’
  • 📌 লামিয়ার বাবা ইমাম হোসেন জানান, ‘আমার মেয়ে ঘুরতে ভালোবাসত, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকত। সব সময় নতুন পোশাক পরতে চাইত। এখন আমি কার জন্য নতুন পোশাক কিনব?’
  • 📌 বাড়িতে অন্তত নয়জন বাসিন্দা জ্বরে আক্রান্ত, এর মধ্যে বেশিরভাগ ডেঙ্গু পরীক্ষা করেননি
  • 📌 ১৫ দিনে সীতাকুণ্ডে পাঁচজন ডেঙ্গু আক্রান্তের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে তিনজন শিশু

📰 বিস্তারিত

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার সোনাইছড়ি ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সাগরপাড়ে অবস্থিত লামিয়া আক্তারের বাড়ি একটি টিনশেডের কাঁচা ঘর। গত বৃহস্পতিবার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। আজ সকালে এলাকাটিতে গিয়ে দেখা যায়, ঘরের উঠানে লামিয়ার কিছু কাপড় শুকাতে দেওয়া হয়েছে। ঘরের ভেতরে বিলাপ করা লামিয়ার মা সুমি আক্তারকে সান্ত্বনা দিচ্ছেন কয়েকজন স্বজন। বাবা ইমাম হোসেন নির্বাক বসে রয়েছেন বারান্দায়।

লামিয়ার মা সুমি আক্তার বিলাপ করতে করতে বলেছেন, ‘আমার মেয়েটা কিছু খেতে চাইছিল না। তাই আদর করে খাওয়ানোর চেষ্টা করছিলাম। সঙ্গে সঙ্গে বমি করে দিয়েছে। আমার মেয়েটা আমাকে ছেড়ে চলে গেল। আমি এখন কাকে নিয়ে থাকব।’ মেয়ের কথা জিজ্ঞাসা করতেই কেঁদে ওঠেন লামিয়ার বাবা ইমাম হোসেন। তিনি বলেন, ‘প্রতি শুক্রবার আমার সঙ্গে মসজিদে যেত আমার মেয়ে। গত শুক্রবার নিইনি বলে কী রাগ! মেয়েটা খুব সুন্দর করে গজল গাইত। দুই মাস ধরে কেবল বলত, “আব্বু আমি আল্লাহর কাছে চলে যাব।” সত্যিই যে মেয়েটা চলে যাবে, ভাবতে পারিনি।’

লামিয়ার বাবা ইমাম হোসেন জানান, তিনি বেশ কদিন জ্বরে আক্রান্ত ছিলেন। তিনি সুস্থ হওয়ার এক দিন পর তাঁর মেয়ে জ্বরে আক্রান্ত হয়। প্রথম দিকে দু-এক দিন সর্দিকাশি ছিল। গত সোমবার জ্বর আসে। গত বুধবার সকাল থেকে কিছু খাচ্ছিল না। চিকিৎসকের পরামর্শে একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পরীক্ষা করালে গতকাল ডেঙ্গু শনাক্ত হয় লামিয়ার। গতকাল সকাল থেকে পরপর দুবার কালো রঙের বমি হতে দেখে চিকিৎসকের পরামর্শে হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছিলেন। এর মধ্যেই লামিয়ার মৃত্যু হয়। ইমাম হোসেন বলেন, ‘আমরা বিআইটিআইডি হাসপাতালের দিকে রওনা দিয়েছিলেন। ভাটিয়ারীতে পৌঁছানোর পরই মেয়ের খিঁচুনি শুরু হয়। একটু পর স্বাভাবিক হলেও হাসপাতালের সামনে গিয়ে আবার খিঁচুনি ওঠে। এ সময় তার মৃত্যু হয়েছে।’

বাড়িতে ৯ জনের জ্বর লামিয়াদের বাড়িতে এক সারিতে চারটি ঘর। বাড়ির লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বাড়ির অন্তত নয়জন বাসিন্দা বর্তমানে জ্বরে আক্রান্ত। এর মধ্যে ইমাম হোসেনের দুই ভাই ও মা রয়েছেন। কারও তিন দিন, কারও অন্তত পাঁচ দিন ধরে জ্বর। বাড়ির বাসিন্দা আম্বিয়া খাতুন বলেন, বাড়িতে একসঙ্গে এত মানুষের জ্বর আগে কোনো সময় হয়নি। সরেজমিনে দেখা যায়, প্রতিটি ঘরের সামনে বৃষ্টির পানি জমানোর জন্য বালতি, ড্রাম রয়েছে। উন্মুক্ত এসব বালতি-ড্রামের পানিতে মশার লার্ভায় ভর্তি।

"আব্বু আমি আল্লাহর কাছে চলে যাব।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলা, সোনাইছড়ি ইউনিয়ন, সাগরপাড়
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: লামিয়া আক্তার (৪ বছর), সুমি আক্তার, ইমাম হোসেন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ বছর (লামিয়ার বয়স), ৯ জন (জ্বরে আক্রান্ত বাড়ির লোক), ১৫ দিনে ৫ জন (ডেঙ্গু মৃত্যু)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖