📅 ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬:৪০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সোনালি ঝরনালতা: ঢাকার বাগানে ফুটে উঠেছে থাইল্যান্ডের এই দ্রুতবর্ধমান সৌন্দর্য

সোনালি ঝরনালতা: ঢাকার বাগানে ফুটে উঠেছে থাইল্যান্ডের এই দ্রুতবর্ধমান সৌন্দর্য

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নামকরণ না হলেও 'গোল্ডেন ক্যাসকেড ভাইন' বা 'সোনালি ঝরনালতা' নামের এই উদ্ভিদ ঢাকার বরিশাল নার্সারিতে ফুল ফোটছে। থাইল্যান্ড থেকে আনা এই গাছ দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং বসন্ত থেকে শরৎ পর্যন্ত সোনালি ফুল ফোটে

বাংলাদেশের বাগান ও বারান্দায় নতুন একটি সৌন্দর্য এসেছে। সোনালি ঝরনালতা নামের এই উদ্ভিদ ঢাকার বরিশাল নার্সারিতে ফুল ফোটে দেখে প্রতিবেদক মৃত্যুঞ্জয় রায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। গোল্ডেন ক্যাসকেড ভাইন নামে পরিচিত এই গাছের বৈজ্ঞানিক নাম Petraeovitex bambusetorum। এটি মালয়েশিয়ার উপদ্বীপ ও বোর্নিও দ্বীপের আদি বাসিন্দা হলেও, থাইল্যান্ড থেকে আনা এই গাছ বাংলাদেশে দ্রুত মানিয়ে নিয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সোনালি ঝরনালতা নামের এই উদ্ভিদের বৈজ্ঞানিক নাম Petraeovitex bambusetorum এবং এটি ল্যামিয়েসি গোত্রের অন্তর্গত।
  • 📌 ঢাকার বরিশাল নার্সারিতে থাইল্যান্ড থেকে আনা এই গাছের লতা ৩ থেকে ৬ মিটার পর্যন্ত প্রসারিত হয় এবং ফুল ফোটে বসন্ত থেকে শরৎ পর্যন্ত।
  • 📌 ফুলের দৈর্ঘ্য ৫০ সেন্টিমিটার বা তার বেশি এবং সোনালি হলুদ বা ক্রিম সাদা রঙের। ফুলে হালকা মিষ্টি ঘ্রাণ থাকে এবং প্রজাপতি, মৌমাছি আকর্ষণ করে।
  • 📌 গাছটি খরা সইতে পারে এবং পানি জমে না এমন জায়গায় লাগানো যায়। তবে গাছ লাগানোর পর কিছুদিন পানি দিতে হয়।
  • 📌 বাংলাদেশের উদ্ভিদ তালিকায় এখনো এই গাছের নাম নেই, তাই বাংলা নামকরণের প্রশ্ন এখনো উঠেনি।

📰 বিস্তারিত

বরিশাল নার্সারির মো. ইব্রাহিম জানান, গাছটি কয়েক বছর আগে থাইল্যান্ড থেকে আনা হয়েছিল। বর্তমানে এই গাছের লতা ৩ থেকে ৬ মিটার পর্যন্ত প্রসারিত হয়েছে এবং ফুল ফোটে বসন্ত থেকে শরৎ পর্যন্ত। গাছটির লতা ভূমিমুখী হয় এবং ফুলের দৈর্ঘ্য ৫০ সেন্টিমিটার বা তার বেশি। ফুলের রঙ সোনালি হলুদ বা ক্রিম সাদা এবং ফুলে হালকা মিষ্টি ঘ্রাণ থাকে। ফুল ফোটার সময় প্রজাপতি, মৌমাছি ও অন্যান্য পতঙ্গ আকর্ষণ করে বাগানকে জীবন্ত করে তোলে।

গোল্ডেন ক্যাসকেড ভাইন একটি লতানো উদ্ভিদ হলেও অন্য লতানো গাছের মতো নয়। এর লতা মাটির দিকে ঝুলে থাকে, যা অন্য গাছের তুলনায় আলাদা বৈশিষ্ট্য। গাছটি খরা সইতে পারে এবং পানি জমে না এমন জায়গায় লাগানো যায়। তবে গাছ লাগানোর পর কিছুদিন পানি দিতে হয়, বিশেষ করে শুষ্ক ও উষ্ণ দিনে গাছের গোড়ায় পানি দেওয়া ভালো।

গাছটি মালয়েশিয়ার উপদ্বীপ ও বোর্নিও দ্বীপের আদি বাসিন্দা হলেও, এখন এটি অনেক দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। বাংলাদেশেও এই গাছ দ্রুত মানিয়ে নিয়েছে। বাগানের দেয়াল, পারগোলা, তোরণ বা ঝুলন্ত ঝুড়িতে গাছটি লাগিয়ে বাড়ির সৌন্দর্য বাড়ানো যায়।

"গাছটি বেশ দ্রুত বৃদ্ধি পায়। বসন্ত থেকে শরৎ পর্যন্ত ফুল ফোটে। গাছটি খরা সইতে পারে এবং পানি জমে না এমন জায়গায় লাগানো যায়।"

— মো. ইব্রাহিম, বরিশাল নার্সারি

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকার বরিশাল নার্সারি, সাভার
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মৃত্যুঞ্জয় রায় (কৃষিবিদ), মো. ইব্রাহিম (নার্সারি কর্মী)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩-৬ মিটার (লতা প্রসার), ৫০ সেন্টিমিটার (ফুলের দৈর্ঘ্য)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖