📌 কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে প্রায় ২১ কোটি টাকার চিকিৎসা সরঞ্জাম পড়ে রয়েছে। বকেয়া বিলের কারণে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলো সরঞ্জামগুলো লক করে রেখেছে। ফলে সাধারণ মানুষ চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন
কুড়িগ্রাম জেনারাল হাসপাতালে প্রায় ২১ কোটি টাকার চিকিৎসা সরঞ্জাম পড়ে রয়েছে। এসব সরঞ্জামের মধ্যে কিছু বাক্সবন্দী অবস্থায় রয়েছে, আবার কিছু অযত্নে ফেলে রাখা হয়েছে। ছয় বছরের বেশি সময় ধরে ব্যবহৃত না হওয়ায় সরঞ্জামগুলোর বেশিরভাগই অকেজো হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে প্রায় ২১ কোটি টাকার চিকিৎসা সরঞ্জাম পড়ে রয়েছে
- 📌 সরঞ্জামগুলো সরবরাহ করেছিল রাজশাহীর দুই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান
- 📌 বকেয়া বিলের কারণে সরঞ্জামগুলো লক করে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলো
- 📌 সরঞ্জামগুলোর মধ্যে রয়েছে ইকোকার্ডিওগ্রাফি মেশিন, এক্স-রে মেশিন, ডিফিব্রিলেটরসহ বিভিন্ন যন্ত্র
- 📌 সরঞ্জাম ব্যবহারের অভাবে সাধারণ মানুষ চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন
📰 বিস্তারিত
২০১৮-১৯ অর্থবছরে স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি খাত কর্মসূচির অধীনে কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের জন্য ৩২ কোটি ৯৪ লাখ ৬০ হাজার টাকার চিকিৎসা সরঞ্জাম কেনা হয়েছিল। রাজশাহীর দুই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স মাইক্রো ট্রেডার্স এবং হারামান এন্টারপ্রাইজ যন্ত্রপাতিগুলো সরবরাহ করেছিল। তবে পুরো বিল পরিশোধ না হওয়ায় প্রতিষ্ঠান দুটি সরঞ্জামগুলো লক করে রেখেছে।
হাসপাতাল সূত্র জানায়, দুই প্রতিষ্ঠানকে ইতোমধ্যে ১১ কোটি ৯৯ লাখ ৯০ হাজার টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। বাকি ২০ কোটি ৯৪ লাখ ৭০ হাজার টাকার বিল এখনো পরিশোধ করা হয়নি। সরঞ্জামগুলোর মধ্যে রয়েছে ইটিটি মেশিন, ইকোকার্ডিওগ্রাফি মেশিন, পোর্টেবল এক্স-রে, এন্ডোস্কোপি মেশিন, ডিফিব্রিলেটর, পালস অক্সিমিটারসহ বিভিন্ন যন্ত্র।
হাসপাতালের ইকোকার্ডিওগ্রাফি মেশিনের টেকনিশিয়ান মো. খাইরুল বারিয়া জানান, সরঞ্জামগুলো ব্যবহারের জন্য ঠিকাদারের লোকজনকে বারবার অনুরোধ করা হলেও তারা বকেয়া বিলের কথা বলে সহযোগিতা করছে না। ফলে সরঞ্জামগুলো অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছে।
"পুরো বিল পরিশোধ না করায় সফটওয়্যার-নির্ভর যন্ত্রগুলো পাসওয়ার্ড দিয়ে লক করে দিয়েছেন ঠিকাদারের লোকজন। এরপর থেকে যন্ত্রগুলো অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে।"
সরঞ্জাম ব্যবহারের অভাবে সাধারণ মানুষ বিশেষ করে গরিব রোগীরা চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। সরকারি হাসপাতালে যে পরীক্ষা ২০০ টাকায় করা যায়, তা বেসরকারি ক্লিনিকে করতে খরচ পড়ে প্রায় ১০০০ টাকা।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল, কুড়িগ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. খাইরুল বারিয়া (টেকনিশিয়ান)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২১ কোটি টাকা, ৩২ কোটি ৯৪ লাখ ৬০ হাজার টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!