📅 ২২ আগস্ট ২০২৬, ১:২০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে জলের সন্ধানে চীনের অভিযান: কেন গুরুত্বপূর্ণ এই অনুসন্ধান?

চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে জলের সন্ধানে চীনের অভিযান: কেন গুরুত্বপূর্ণ এই অনুসন্ধান?

📷 ছবি: আল জাজিরা

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Al Jazeera ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চীনের চ্যাং’ই-৭ অভিযান আগামী ২৪ আগস্ট থেকে ৩১ আগস্টের মধ্যে শুরু হতে পারে। এই অভিযানের মূল লক্ষ্য চাঁদের দক্ষিণ মেরুর স্থায়ী ছায়াযুক্ত অঞ্চলে জলের অস্তিত্ব অনুসন্ধান করা। অভিযানে থাকবে অরবিটার, ল্যান্ডার, রোভার ও হপার নামক চারটি যান

চীন আগামী সোমবার অর্থাৎ ২৪ আগস্ট থেকে শুরু করে আগামী ৩১ আগস্টের মধ্যে তাদের সর্বাধুনিক চাঁদ অভিযান ‘চ্যাং’ই-৭’ শুরু করতে পারে। এই অভিযানের মূল উদ্দেশ্য চাঁদের দক্ষিণ মেরুর স্থায়ী ছায়াযুক্ত গর্তগুলিতে জলের অস্তিত্ব অনুসন্ধান করা। চীনের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা জানিয়েছে, এটি তাদের সপ্তম চাঁদ অভিযান এবং এখন পর্যন্ত সবচেয়ে উচ্চাভিলাষী প্রকল্প।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 চ্যাং’ই-৭ অভিযানের উৎক্ষেপণ সম্ভাব্য সময়কাল: ২৪ আগস্ট থেকে ৩১ আগস্ট ২০২৬
  • 📌 অভিযানে অংশ নিচ্ছে চারটি যান: অরবিটার, ল্যান্ডার, রোভার ও হপার
  • 📌 ল্যান্ডার অবতরণ করবে শ্যাকলটন ক্রেটারের কাছে, যার ব্যাস ২১ কিলোমিটার
  • 📌 হপার নামক যানটি চাঁদের পৃষ্ঠ থেকে স্বল্প দূরত্বে ‘লাফিয়ে’ অনুসন্ধান চালাবে
  • 📌 চাঁদে জলের অস্তিত্বের প্রমাণ মিলেছে ২০০৯ সালে নাসার ক্র্যাশ মিশনের মাধ্যমে
  • 📌 চাঁদের জল মহাকাশ অভিযান ও মঙ্গল অভিযানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হিসেবে বিবেচিত

📰 বিস্তারিত

চীনের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা (সিএনএসএ) জানিয়েছে, চ্যাং’ই-৭ অভিযানটি চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে পরিচালিত হবে, যেখানে সূর্যের আলো কখনোই পৌঁছায় না। এই অঞ্চলে জলের অস্তিত্ব থাকার সম্ভাবনা প্রবল বলে বিজ্ঞানীরা মনে করেন। অভিযানটি পরিচালিত হবে চারটি যানের সমন্বয়ে।

অরবিটারটি চাঁদের কক্ষপথে অবস্থান করে পৃষ্ঠের মানচিত্র তৈরি করবে এবং অন্যান্য যানগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করবে। ল্যান্ডারটি চাঁদের পৃষ্ঠে অবতরণ করবে শ্যাকলটন ক্রেটারের কাছে, যা ২১ কিলোমিটার প্রশস্ত। এই ক্রেটারটি চাঁদের দক্ষিণ মেরুর খুব কাছাকাছি অবস্থিত। এর আগে কোনো অভিযান এত কাছাকাছি যেতে পারেনি।

রোভারটি অবতরণ স্থলের আশেপাশে ঘুরে বেড়িয়ে স্থানীয় পরিবেশ বিশ্লেষণ করবে। অন্যদিকে, হপার নামক যানটি সৌরশক্তি চালিত এবং এটি চাঁদের পৃষ্ঠ থেকে স্বল্প দূরত্বে ‘লাফিয়ে’ অনুসন্ধান চালাবে। এটি মূলত শ্যাকলটন ক্রেটারের অভ্যন্তরীণ অংশ অনুসন্ধানের জন্য ব্যবহৃত হবে।

চাঁদে জলের অস্তিত্বের বিষয়টি বিজ্ঞানীদের দীর্ঘদিনের অনুসন্ধানের ফসল। ১৯৬০-এর দশক থেকেই বিজ্ঞানীরা ধারণা করছিলেন যে চাঁদে জল থাকতে পারে। তবে অ্যাপোলো অভিযানের নমুনাগুলি পরীক্ষা করে প্রাথমিকভাবে শুষ্ক বলে মনে হয়েছিল। অবশেষে ২০০৯ সালে নাসা তাদের একটি অভিযানে ইচ্ছাকৃতভাবে রকেটের অংশ ও অনুসন্ধান যানকে চাঁদের একটি ছায়াযুক্ত গর্তে বিধ্বস্ত করে। এর ফলে সৃষ্ট ধূলিকণা বিশ্লেষণ করে জলের উপস্থিতির প্রমাণ মিলে।

২০২০ সালের অক্টোবরে নাসার বিজ্ঞানীরা ঘোষণা করেন যে চাঁদে জলের উপস্থিতি পূর্বের ধারণার চেয়েও ব্যাপক। তারা জানান, চাঁদের পৃষ্ঠের খনিজ দানায় জলের অণু আবদ্ধ অবস্থায় রয়েছে এবং স্থায়ী ছায়াযুক্ত অঞ্চলে আরও বেশি জল থাকতে পারে। নাসার মতে, চাঁদের উত্তর ও দক্ষিণ মেরুর গভীর গর্তগুলিতে সূর্যের আলো কখনোই পৌঁছায় না।

চাঁদে জলের অনুসন্ধান কেন গুরুত্বপূর্ণ? বিজ্ঞানীরা মনে করেন, চাঁদের প্রাচীন মেরু অঞ্চলের বরফে চাঁদের আগ্নেয়গিরির কার্যকলাপ এবং ধূমকেতু ও গ্রহাণুর মাধ্যমে পৃথিবীতে জলের উৎপত্তির ইতিহাস লুকিয়ে থাকতে পারে। এছাড়া, চাঁদে সহজলভ্য জল মহাকাশচারীদের পানীয় হিসেবে এবং যন্ত্রপাতি ঠান্ডা রাখার কাজে ব্যবহৃত হতে পারে। জলের হাইড্রোজেনকে জ্বালানি হিসেবে এবং অক্সিজেনকে শ্বাস-প্রশ্বাসের জন্য ব্যবহার করা সম্ভব, যা পরবর্তীতে মঙ্গল অভিযান বা চাঁদের খনিজ অনুসন্ধানের জন্য সহায়ক হবে।

চাঁদের সম্পদ নিয়ে কারও মালিকানা কি সম্ভব? ১৯৬৭ সালের জাতিসংঘের মহাকাশ চুক্তি অনুসারে কোনো দেশই চাঁদের উপর সার্বভৌমত্ব দাবি করতে পারবে না। তবে এই চুক্তিতে বাণিজ্যিক কার্যক্রমের বিষয়ে স্পষ্ট কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। এটি শুধুমাত্র ব্যক্তিগত কার্যক্রমকে রাষ্ট্রীয় অনুমোদন ও তত্ত্বাবধানের আওতায় রাখে এবং সম্পদের মালিকানা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলিকে অনিষ্পন্ন রেখেছে।

"চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে জলের অনুসন্ধান শুধুমাত্র বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধান নয়, এটি ভবিষ্যতের মহাকাশ অভিযানগুলির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চাঁদের দক্ষিণ মেরু
  • 👥 অভিযানের প্রধান ব্যক্তি: চীনের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা (সিএনএসএ)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: অভিযানে অংশ নিচ্ছে ৪টি যান, শ্যাকলটন ক্রেটারের ব্যাস ২১ কিলোমিটার

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖