📌 বাংলাদেশ সরকার কলেরা প্রতিরোধে ব্যাপক টিকাদান কর্মসূচি শুরু করেছে। উচ্চঝুঁকিপূর্ণ এলাকার ৫১ লাখ ৭৫ হাজার মানুষকে দুই ধাপে ইউরিকল প্লাস টিকা দেওয়া হবে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, এলাকা নির্বাচনে বিজ্ঞানভিত্তিক বিশ্লেষণকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে
বাংলাদেশ সরকার কলেরা প্রতিরোধে ব্যাপক টিকাদান কর্মসূচি শুরু করেছে। আইসিডিডিআর,বি, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ইউনিসেফ ও রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির যৌথ সহযোগিতায় পরিচালিত এই কর্মসূচির আওতায় উচ্চঝুঁকিপূর্ণ এলাকার ৫১ লাখ ৭৫ হাজার মানুষকে দুই দফায় মুখে খাওয়ার টিকা দেওয়া হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কলেরা প্রতিরোধে সরকার চালু করেছে 'প্রিভেন্টিভ ওরাল কলেরা ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্পেইন-২০২৬' নামে টিকাদান কর্মসূচি
- 📌 কর্মসূচির আওতায় ৫১ লাখ ৭৫ হাজার মানুষকে দুই দফায় টিকা দেওয়া হবে
- 📌 প্রথম ডোজ দেওয়া হবে ২২ আগস্ট থেকে ২১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত, দ্বিতীয় ডোজ ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত
- 📌 ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটি কর্পোরেশনসহ দেশের ১৪টি উপজেলা ও থানায় টিকা কর্মসূচি পরিচালিত হবে
- 📌 স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, এলাকা নির্বাচনে বিজ্ঞানভিত্তিক বিশ্লেষণকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে
📰 বিস্তারিত
বৃহস্পতিবার টিকা কর্মসূচির উদ্বোধনের পর স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, কলেরা প্রতিরোধে এই টিকাদান কর্মসূচি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আরও জানান, এলাকা নির্বাচনের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানভিত্তিক বিশ্লেষণকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. হালিমুর রশিদ বিবিসি বাংলাকে বলেন, টিকা কর্মসূচির পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন অনেক আগে থেকেই শুরু হয়েছিল।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, কর্মসূচির আওতায় সারাদেশের ঝুঁকিপূর্ণ ১৪টি উপজেলা ও থানায় টিকা দেওয়া হবে। এর মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের লালবাগ, গেন্ডারিয়া, কদমতলী ও কামরাঙ্গীরচর থানার ১৭টি ওয়ার্ডের ১৯২টি কেন্দ্রে প্রায় ১১ লাখ ৭০ হাজার মানুষকে টিকা দেওয়া হবে। এছাড়া ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের শেরেবাংলা নগর, খিলক্ষেত ও তেজগাঁও এবং মুন্সিগঞ্জ সদর, কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ, হোসেনপুর ও তাড়াইল, নারায়ণগঞ্জ সদর এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর ও নবীনগরেও এই কর্মসূচি পরিচালিত হবে।
টিকা কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি আহমেদ জামশীদ মোহামেদ জানান, বাংলাদেশে কলেরা প্রতিরোধে এক কোটি ৩৫ লাখ টিকার ডোজ নিশ্চিত করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, খুবই সহজ মূলনীতি অনুসরণ করে এই কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে।
"এটা অনেক আগেরই উদ্যোগ। অনেক আগে থেকেই গ্যাভি ভ্যাকসিন দিয়েছে। এই সময় করতে বলেছে। নতুন করে হঠাৎ করে হয় নাই"
"প্ল্যান, মাইক্রোপ্ল্যান হচ্ছে"
"এই এলাকাগুলো কোনো অনুমানের ভিত্তিতে নির্বাচন করা হয়নি। বিজ্ঞানভিত্তিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে এগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫১ লাখ ৭৫ হাজার, ১৪টি উপজেলা ও থানা, ১৭টি ওয়ার্ড, ১৯২টি কেন্দ্র, ১১ লাখ ৭০ হাজার মানুষ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!