📅 ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১১:২৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

জামালপুরের ইসলামপুরে কাবিখা প্রকল্পে দুর্নীতি: নামমাত্র কাজে চাল-গম আত্মসাতের অভিযোগ

জামালপুরের ইসলামপুরে কাবিখা প্রকল্পে দুর্নীতি: নামমাত্র কাজে চাল-গম আত্মসাতের অভিযোগ

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলায় সরকারের কাবিখা প্রকল্পের অধীনে চাল ও গম বরাদ্দের বিপরীতে নামমাত্র কাজ করে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে। ইউএনও ও ইউপি চেয়ারম্যানদের বক্তব্যে মিলছে না

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলায় সরকারের কাবিখা প্রকল্পের অধীনে চাল ও গম বরাদ্দের বিপরীতে নামমাত্র কাজ করে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রকল্পের সরকারি বরাদ্দের চাল ও গম আত্মসাৎ করা হয়েছে। জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর থেকে কাবিখা কর্মসূচির আওতায় দ্বিতীয় পর্যায়ে উপজেলাটিতে ৪৮ টন ৩২০ কেজি চাল এবং ৩৮ টন ৬৮০ কেজি গম বরাদ্দ দেওয়া হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ইসলামপুর উপজেলায় কাবিখা প্রকল্পের অধীনে ৪৮ টন ৩২০ কেজি চাল ও ৩৮ টন ৬৮০ কেজি গম বরাদ্দ দেওয়া হয়
  • 📌 প্রকল্পগুলোর নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হয়েছে গত ৩০ জুন
  • 📌 স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রকল্পগুলোতে নামমাত্র কাজ করা হয়েছে
  • 📌 ইউপি চেয়ারম্যান ও সদস্যরা দাবি করেছেন, কাজ ঠিকঠাকভাবে সম্পন্ন হয়েছে
  • 📌 ইউএনও ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন

📰 বিস্তারিত

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলায় সরকারের কাবিখা প্রকল্পের অধীনে চাল ও গম বরাদ্দের বিপরীতে নামমাত্র কাজ করে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রকল্পের সরকারি বরাদ্দের চাল ও গম আত্মসাৎ করা হয়েছে। জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর থেকে কাবিখা কর্মসূচির আওতায় দ্বিতীয় পর্যায়ে উপজেলাটিতে ৪৮ টন ৩২০ কেজি চাল এবং ৩৮ টন ৬৮০ কেজি গম বরাদ্দ দেওয়া হয়। এর মধ্যে চালের বিপরীতে আটটি এবং গমের বিপরীতে পাঁচটি প্রকল্প গ্রহণ করে গত ফেব্রুয়ারি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে কাজ শুরু করা হয়।

গত ৩০ জুন প্রকল্পগুলোর নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হয়েছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, বেলগাছার মিয়াপাড়া তাঁরা শেখের বাড়ি থেকে নজরুল মিস্ত্রীর বাড়ির অভিমুখে রাস্তা পুননির্মাণে ৫ টন ৫৫০ কেজি চাল বরাদ্দের প্রকল্পে কাজ হয়েছে নামমাত্র। স্থানীয় বেলাল ও সুজন জানান, মাহিন্দ্র গাড়ি ব্যবহার করে কাজ করা হয়েছে। তাঁরা আরও বলেন, ২৫-৩০ গাড়ি মাটি রাস্তায় দেওয়া হয়। এতে বরাদ্দের অর্ধেক চালও ব্যয় হয়নি। প্রকল্পটির সভাপতি ও বেলগাছা ইউপির সদস্য বাবুল আকন্দ বলেন, ‘ঠিকমতোই কাজ করা হয়েছিল। কিন্তু বৃষ্টিতে রাস্তা ভেঙে গেছে।’

চিনাডুলীর পূর্ব বামনা আছাদ আলীর পুকুরপাড় হতে আব্দুস ছালামের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা পুনর্নির্মাণে ৫ টন ৫৩০ কেজি চাল বরাদ্দ হয়। এতেও তেমন কোনো কাজ হয়নি বলে জানান স্থানীয়রা। প্রকল্পটির সভাপতি কে জানতে চাইলে চিনাডুলী ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস ছালাম বলেন, ‘হয়তো আমি সভাপতি, না হয় মহিলা মেম্বার। কাজ ঠিকঠাক মতোই করা হয়েছে।’ পরবর্তী সময়ে জানা যায়, ইউপি চেয়ারম্যান নিজেই প্রকল্পটির সভাপতি।

পাথর্শীর হাড়িয়াবাড়ি পূর্বপাড়া স্বাধীনের বাড়ি হতে তিন রাস্তার মোড় পর্যন্ত রাস্তা এইচবিবিকরণে ৭ টন ২৭০ কেজি চাল বরাদ্দ আসে। স্থানীয় বাসিন্দা আকবর ও পারভীন জানান, ‘প্রকল্পটিতে অর্ধেক চাল ব্যয় করেছে।’ প্রকল্পটির সভাপতি ও পাথর্শী ইউপি সদস্য ফুলু শেখ বলেন, ‘ইউপি চেয়ারম্যান সাহেবের পরামর্শে কাজ করা হয়েছে।’ পাথর্শী ইউপি চেয়ারম্যান ইফতেখার আলম বাবলু বলেন, ‘আমার সঙ্গে সমন্বয় করা হয় না। আমি নামমাত্র চেয়ারম্যান পদে আছি।’

কাঠমা ফয়েজভানী দাখিল মাদ্রাসা ভোটকেন্দ্রের রাস্তা পুননির্মাণে ৯ টন ৬৬০ কেজি চাল বরাদ্দ আসে। স্থানীয় বাসিন্দা আলমাছ ও সোহেল জানান, ‘প্রকল্পের কাজ শেষ হয়নি। কেউ কাজ করতেও আসছে না।’ প্রকল্পটির সভাপতি ও নোয়ারপাড়া ইউপির সদস্য রকিবুল হাসান বলেন, ‘সাত মাস আগে কাজ শেষ করেছি। ইউএনও স্যারের দিকনির্দেশনায় কাজ করা হয়েছে।’

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ইসলামপুর, জামালপুর
  • 👥 প্রকল্পের মুখ্য ব্যক্তি: বাবুল আকন্দ, আব্দুস ছালাম, ফুলু শেখ, ইফতেখার আলম বাবলু
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৮ টন ৩২০ কেজি চাল, ৩৮ টন ৬৮০ কেজি গম

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖