📅 ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:৩৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

খুলনা মেডিকেলে ডেঙ্গু চাপে ৩০ শয্যার বিশেষ ওয়ার্ড চালু, হাসপাতালে ২০০০-এরও বেশি রোগী ভর্তি

খুলনা মেডিকেলে ডেঙ্গু চাপে ৩০ শয্যার বিশেষ ওয়ার্ড চালু, হাসপাতালে ২০০০-এরও বেশি রোগী ভর্তি

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে। শয্যা সংকটের কারণে হাসপাতালে ২০০০-এরও বেশি রোগী ভর্তি রয়েছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) থেকে ৩০ শয্যার নতুন ডেঙ্গু ওয়ার্ড চালু করা হয়েছে

খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (খুমেক) ডেঙ্গু রোগীদের চাপ সামলাতে ৩০ শয্যার বিশেষ ওয়ার্ড চালু করেছে। শিল্পনগরী খুলনায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দিনে দিনে বাড়ছে, যার কারণে সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালগুলো শয্যা সংকটের মুখোমুখি। রোগীদের চিকিৎসা দেওয়ার জন্য ওয়ার্ডের পাশাপাশি করিডোর, মেঝে এবং হাসপাতালের বাইরের স্থানেও বেড পেতে হচ্ছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় ৮০ জন নতুন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি, ১ জন মারা গেছেন
  • 📌 বর্তমানে হাসপাতালে ৬৬৭ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন, মোট মৃত্যু ৩০ জন
  • 📌 ৫০০ শয্যার হাসপাতালে বর্তমানে ২০০০-এরও বেশি রোগী ভর্তি, শয্যা সংকট চরম
  • 📌 খুলনা সিটি কর্পোরেশন (কেসিসি) কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতনের অনুদান থেকে ৩০টি আধুনিক বেড কেনা হয়েছে
  • 📌 ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসায় রক্ত সংকট, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো সরবরাহের চাহিদা পূরণ করতে পারছে না

📰 বিস্তারিত

খুলনা জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় সরকারি হাসপাতালে ৬৬ জন এবং বেসরকারি হাসপাতালে ২৭ জনসহ মোট ৯৩ জন নতুন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৮০ জন নতুন রোগী ভর্তি হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, এই হাসপাতালে বর্তমানে প্রায় ২০০০ রোগী ভর্তি রয়েছে, যা ধারণক্ষমতার চারগুণ। শয্যা সংকটের কারণে রোগীরা ওয়ার্ডের পাশাপাশি করিডোর, মেঝে এবং হাসপাতালের বাইরের স্থানেও চিকিৎসা নিচ্ছেন।

ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসায় রক্তের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। স্থানীয় ব্লাড ব্যাংকগুলোতে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় স্বজনরা দিন-রাত এক করছেন রক্ত সংগ্রহের চেষ্টা। স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো সাধ্যমতো রক্ত সংগ্রহ করলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসতে পারছে না।

খুলনা সিটি কর্পোরেশন (কেসিসি) এবং স্বাস্থ্য বিভাগের উদ্যোগে মশক নিধন ওষুধ ছিটানো এবং ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মতো পদক্ষেপ নেওয়া হলেও ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা কমছে না। নাগরিক নেতা অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ বাবুল হাওলাদার বলেছেন, শুধু হাসপাতালে শয্যা বাড়িয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। মাঠ পর্যায়ে মশক নিধন এবং ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম আরও কার্যকরভাবে জোরদার করতে হবে।

"রোগীদের নিরবচ্ছিন্ন চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সাধ্যের সবটুকু দিয়ে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। নতুন ডেঙ্গু ইউনিট চালু হওয়ায় সাধারণ রোগীদের ওপর কিছুটা হলেও চাপ কমবে। তবে শুধু বেড স্থাপন করলেই হবে না; অক্সিজেন ব্যবস্থা, প্রয়োজনীয় চিকিৎসক ও নার্স এবং ওষুধের পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করার বিষয়টিকেও অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।"

খুমেক হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. আইনুল ইসলাম বলেছেন।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, খুলনা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডা. মো. আইনুল ইসলাম (হাসপাতাল পরিচালক), অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ বাবুল হাওলাদার (নাগরিক নেতা)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ শয্যা (নতুন ডেঙ্গু ওয়ার্ড), ৫০০ শয্যা (হাসপাতালের ধারণক্ষমতা), ২০০০+ রোগী (বর্তমান ভর্তি), ৯৩ জন (নতুন ডেঙ্গু রোগী ২৪ ঘণ্টায়), ৮০ জন (খুমেক হাসপাতালে নতুন ভর্তি)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖