📅 ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:২৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ট্রাম্পের ‘অনন্তকালীন চুক্তি’: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কি গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও সম্পদে ‘অবিচ্ছেদ্য নিয়ন্ত্রণ’ পেয়েছে?

ট্রাম্পের ‘অনন্তকালীন চুক্তি’: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কি গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও সম্পদে ‘অবিচ্ছেদ্য নিয়ন্ত্রণ’ পেয়েছে?

📷 ছবি: আল জাজিরা

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Al Jazeera ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও ‘সকল প্রয়োজনীয়’ বিষয়ে ‘অবিচ্ছেদ্য নিয়ন্ত্রণ’ পেয়েছে। চুক্তিটি গ্রিনল্যান্ডের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলকে মার্কিন সামরিক ও অর্থনৈতিক প্রভাবের অধীনে নিয়ে আসতে পারে, যা চীন ও রাশিয়ার বিরুদ্ধে সুরক্ষা ব্যবস্থা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ড সরকার এখনো চুক্তির বিস্তারিত প্রকাশ করেনি

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, মার্কিন সরকার গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও ‘সকল প্রয়োজনীয়’ বিষয়ে ‘অবিচ্ছেদ্য নিয়ন্ত্রণ’ পেয়েছে। তিনি বলেছেন, এই চুক্তি ‘অনন্তকালীন’ (Infinite Life) হবে, অর্থাৎ এটি কখনোই শেষ হবে না। চুক্তিটি গ্রিনল্যান্ডের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলকে মার্কিন সামরিক ও অর্থনৈতিক প্রভাবের অধীনে নিয়ে আসতে পারে, যা ন্যাটো জোটের নিরাপত্তা কাঠামোতে নতুন একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তবে ডেনমার্ক সরকার জানিয়েছে, গ্রিনল্যান্ডের সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ণ থাকবে এবং চুক্তিটি ডেনিশ ও গ্রিনল্যান্ডের সংসদে অনুমোদনের জন্য অপেক্ষায় রয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও ‘সকল প্রয়োজনীয়’ বিষয়ে ‘অবিচ্ছেদ্য নিয়ন্ত্রণ’ পেয়েছে — যা ‘অনন্তকালীন’ (Infinite Life) হবে এবং গ্রিনল্যান্ড স্বাধীন হয়ে গেলেও এই নিয়ন্ত্রণ অব্যাহত থাকবে।
  • 📌 চুক্তির মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চীন ও রাশিয়া সহ ‘মার্কিন প্রতিপক্ষ’ রাষ্ট্রগুলিকে গ্রিনল্যান্ডে সামরিক ঘাঁটি স্থাপন বা ‘সেন্সিটিভ সেক্টরে’ বিনিয়োগ করতে নিষিদ্ধ করবে।
  • 📌 গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেন্স-ফ্রেডেরিক নিলসেন বলেছেন, চুক্তিটি গ্রিনল্যান্ডের ‘হিতেই’ এবং ‘সবার জন্য উপকারক’। ডেনিশ প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন বলেছেন, এটি ‘ন্যাটো ও ইউরোপের নিরাপত্তা’কে মজবুত করবে।
  • 📌 চুক্তির বিস্তারিত প্রকাশিত হয়নি, তবে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এটি গ্রিনল্যান্ডে ‘সেন্সিটিভ সেক্টরে’ বিনিয়োগ বা সামরিক ঘাঁটি স্থাপনের ক্ষেত্রে চীন ও রাশিয়ার মতো ‘প্রতিপক্ষ’ রাষ্ট্রগুলিকে নিষিদ্ধ করবে।
  • 📌 গ্রিনল্যান্ডে রয়েছে রেয়ার-ইর্থ মেটালসের বিশাল জমা — জিংক, লোহা, ইউরেনিয়াম ও গ্রাফাইট — যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তবে চুক্তিতে এই বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট উল্লেখ নেই।

📰 বিস্তারিত

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই দাবি আসে এক বছরেরও বেশি সময় আগের তার ‘গ্রিনল্যান্ড দখল’ করার হুমকির পর। সেই সময় ন্যাটো জোটের নিরাপত্তা কাঠামোতে তরঙ্গ সৃষ্টি হয়েছিল। ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী, এই চুক্তি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও ‘সকল প্রয়োজনীয়’ বিষয়ে ‘অবিচ্ছেদ্য নিয়ন্ত্রণ’ দেবে — কোনো খরচ ছাড়াই। তবে ডেনমার্কের সরকারি তথ্য অনুযায়ী, গ্রিনল্যান্ডের সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ণ থাকবে এবং চুক্তিটি ডেনিশ ও গ্রিনল্যান্ডের সংসদে অনুমোদনের জন্য অপেক্ষায় রয়েছে।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এই চুক্তির মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডে ‘নন-ন্যাটো’ রাষ্ট্রগুলো সামরিক ঘাঁটি স্থাপন বা ‘সেন্সিটিভ সেক্টরে’ বিনিয়োগ করতে পারবে না। বিশেষ করে চীন ও রাশিয়া এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় আসবে। তবে ডেনিশ আন্তর্জাতিক অধ্যয়ন ইনস্টিটিউটের সিনিয়র রিসার্চার মিকেল ওলসেন বলেছেন, এই চুক্তি আসলে কোনো বড় ‘অনুমতি’ নয়, কারণ ডেনিশ ও গ্রিনল্যান্ডের সরকারই চীন বা রাশিয়ার গ্রিনল্যান্ডে সামরিক ঘাঁটি স্থাপনের বিরুদ্ধে ছিল। তবে ভবিষ্যতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ‘প্রতিপক্ষ’ রাষ্ট্রের তালিকা বাড়াতে পারে, যার ফলে অন্যান্য দেশও এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় আসতে পারে।

গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেন্স-ফ্রেডেরিক নিলসেন বলেছেন, চুক্তিটি গ্রিনল্যান্ডের ‘হিতেই’ এবং ‘সবার জন্য উপকারক’। ডেনিশ প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন বলেছেন, এটি ‘ন্যাটো ও ইউরোপের নিরাপত্তা’কে মজবুত করবে। তবে মিকেল ওলসেন সতর্ক করেছেন, বর্তমান তথ্য সবচেয়ে বেশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দিক থেকে আসছে, তাই এগুলো ‘নমনীয়ভাবে’ নেওয়া উচিত।

গ্রিনল্যান্ডে রয়েছে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ রেয়ার-ইর্থ মেটালসের জমা — জিংক, লোহা, ইউরেনিয়াম ও গ্রাফাইট — যা স্মার্টফোন থেকে ফাইটার জেট পর্যন্ত হাজারো প্রযুক্তিগত প্রোডাক্টে ব্যবহৃত হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চীনকে এই মেটালসের উপর নিয়ন্ত্রণ রাখার জন্য সমালোচনা করে আসছে, কারণ চীন বিশ্বের ৬০% রেয়ার-ইর্থ মেটালসের অধিকারী এবং এগুলোর রপ্তানিতে সীমাবদ্ধতা আরোপ করে। তবে চুক্তিতে এই বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট উল্লেখ নেই, তবে ট্রাম্পের ‘সেন্সিটিভ ইনভেস্টমেন্ট’ কথাটি এই বিষয়কে নির্দেশ করতে পারে।

"permanent control" — ডোনাল্ড ট্রাম্প
"and all other needs" — ডোনাল্ড ট্রাম্প

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: গ্রিনল্যান্ড (ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল), নিউ ইয়র্ক (যুক্তরাষ্ট্র), ওয়াশিংটন (যুক্তরাষ্ট্র)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেন্স-ফ্রেডেরিক নিলসেন, ডেনিশ প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের কর্মকর্তা, মিকেল ওলসেন (ডেনিশ আন্তর্জাতিক অধ্যয়ন ইনস্টিটিউট)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬০% (চীন বিশ্বের রেয়ার-ইর্থ মেটালসের অধিকার), ২০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (ইউরোপীয় ইউনিয়ন গ্রিনল্যান্ডে বিনিয়োগ), ৪০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অস্ট্রেলিয়ায় রেয়ার-ইর্থ মাইন ইনভেস্টমেন্ট)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖