📌 শিশু ক্যান্সার মৃত্যুর অপরিহার্য নিশ্চয়তা নয়। বাংলাদেশ পেডিয়াট্রিক হেমাটোলজি অ্যান্ড অনকোলজি সোসাইটি (পিএইচওএসবি) সচেতনতা বাড়িয়ে দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সেপ্টেম্বর মাসে র্যালি ও প্রেস ব্রিফিং আয়োজন করেছে। শিশু ক্যান্সারের লক্ষণ সম্পর্কে জ্ঞান ছড়িয়ে দিতে এবং অভিভাবকদের সচেতন করা হচ্ছে
শিশু ক্যান্সার আক্রান্ত হওয়া শিশুদের মৃত্যুর একমাত্র কারণ নয়। সচেতনতা বৃদ্ধি ও সময়মতো চিকিৎসা নিশ্চিত করে অনেক শিশু সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারে। তবে সচেতনতার অভাব, রোগ শনাক্তে বিলম্ব ও চিকিৎসা নিতে দেরি হওয়ায় অনেক শিশু সুস্থ হওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়। সেপ্টেম্বর মাসে বিশ্বব্যাপী শিশু ক্যান্সার সচেতনতা মাস পালিত হচ্ছে। এই মাসে শিশু ক্যান্সারের লক্ষণ সম্পর্কে অভিভাবকদের সচেতনতা বৃদ্ধি ও আক্রান্ত শিশুদের দ্রুত চিকিৎসার আওতায় আনার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকার বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু হয়ে জাতীয় প্রেস ক্লাবে শেষ হওয়া র্যালিতে শিশু ক্যান্সার সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে মানববন্ধন ও প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়
- 📌 শিশু ক্যান্সারের প্রতীক হিসেবে সোনালি ফিতা ব্যবহৃত হয়
- 📌 পিএইচওএসবির সাধারণ সম্পাদক ডা. শামসুল হক কিবরিয়া বলেন, শিশু ক্যান্সার মোকাবিলায় চিকিৎসা ছাড়াও জনসচেতনতা বৃদ্ধি, দ্রুত রোগ শনাক্তকরণ ও সময়মতো চিকিৎসা নিশ্চিত করা জরুরি
- 📌 বিশ্বে প্রতি বছর প্রায় ৪ লাখ শিশু ও কিশোর-কিশোরী ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়, বাংলাদেশেও এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ জনস্বাস্থ্য সমস্যা
- 📌 শিশু ক্যান্সারের লক্ষণ হিসেবে দীর্ঘদিন জ্বর, অস্বাভাবিক ফ্যাকাশে ভাব, শরীরে অকারণ গুটি, কালশিটে দাগ, অস্বাভাবিক রক্তপাত, হাড়ে ব্যথা, দুর্বলতা, চোখের পরিবর্তন বা ওজন কমে যাওয়া উল্লেখ করা হয়
📰 বিস্তারিত
শিশু ক্যান্সার মোকাবিলায় চিকিৎসক, হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যম ও সামাজিক সংগঠনগুলোর সমন্বিত প্রচেষ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পিএইচওএসবির সাধারণ সম্পাদক ডা. শামসুল হক কিবরিয়া বলেন, শিশু ক্যান্সার নিয়ে অযথা ভয় ও চিকিৎসা গ্রহণে বিলম্ব কমানোর জন্য সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। তিনি বলেন, “চিকিৎসা ছাড়াও জনসচেতনতা বৃদ্ধি, দ্রুত রোগ শনাক্তকরণ এবং সময়মতো চিকিৎসা নিশ্চিত করা জরুরি।”
বিশ্বে প্রতি বছর প্রায় চার লাখ শিশু ও কিশোর-কিশোরী ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়। বাংলাদেশেও শিশু ক্যান্সার একটি গুরুত্বপূর্ণ জনস্বাস্থ্য সমস্যা। তবে দেশে এখনো পূর্ণাঙ্গ জাতীয় শিশু ক্যান্সার নিবন্ধন ব্যবস্থা না থাকায় আক্রান্তের প্রকৃত সংখ্যা জানা যায় না।
শিশু ক্যান্সারের লক্ষণ হিসেবে দীর্ঘদিন বা বারবার জ্বর, অস্বাভাবিক ফ্যাকাশে ভাব, শরীরে অকারণ গুটি বা পেট ফুলে যাওয়া, কালশিটে দাগ, অস্বাভাবিক রক্তপাত, হাড়ে দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা, অস্বাভাবিক দুর্বলতা, চোখের পরিবর্তন কিংবা অকারণে ওজন কমে গেলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। তবে এসব লক্ষণ দেখা দিলেও তা ক্যান্সারের নিশ্চিত লক্ষণ নয়। বিভিন্ন রোগেও একই ধরনের উপসর্গ দেখা দিতে পারে। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করতে হবে।
"শিশু ক্যান্সার মোকাবিলায় শুধু চিকিৎসা নয়, জনসচেতনতা বৃদ্ধি, দ্রুত রোগ শনাক্তকরণ এবং সময়মতো চিকিৎসা নিশ্চিত করা জরুরি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জাতীয় প্রেস ক্লাব)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডা. শামসুল হক কিবরিয়া (পিএইচওএসবির সাধারণ সম্পাদক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ লাখ (বিশ্বে প্রতি বছর শিশু ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়া সংখ্যা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!