📅 ২০ আগস্ট ২০২৬, ১১:৪২ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গ্রামবাংলার হারিয়ে যাওয়া খেলার স্মৃতিতে লাটিমগাছের গল্প

গ্রামবাংলার হারিয়ে যাওয়া খেলার স্মৃতিতে লাটিমগাছের গল্প

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 গ্রামের রাস্তার ধারে দেখা মেলা পিটুলি বা লাটিমগাছ একসময়ের জনপ্রিয় খেলনার নামেই পরিচিত ছিল। ফলের মধ্যেকার কাঠি দিয়ে তৈরি লাটিম গ্রামীণ শিশুদের ছেলেবেলার স্মৃতির সঙ্গে জড়িয়ে আছে

গ্রামবাংলার রাস্তার ধারে, নদীপাড়ে বা পুকুরের কিনারে দেখা মেলা এক গাছের নাম পিটুলি। বৈজ্ঞানিক নাম ট্রেভিয়া নুডিফ্লোরা হলেও এটি লাটিমগাছ নামেই বেশি পরিচিত। একসময়ের জনপ্রিয় খেলনা লাটিম তৈরিতে ব্যবহৃত হতো এই গাছের ফল।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 পিটুলি গাছের বৈজ্ঞানিক নাম ট্রেভিয়া নুডিফ্লোরা (Trewia nudiflora) এবং ইংরেজিতে False White Teak নামে পরিচিত
  • 📌 ইউফোরবিয়াসি পরিবারের এই গাছ নদীর ধারে, পুকুরপাড়ে বা জলাজমিতে জন্মে
  • 📌 পুরুষ ও স্ত্রী গাছ আলাদা, শীতকালে পুরুষ গাছ পাতাশূন্য হয়ে ফুল ফোটে
  • 📌 পিটুলির ফল গোলাকার, মার্বেলের চেয়ে সামান্য বড় এবং মানুষ বা পশুপাখি কেউই খায় না
  • 📌 ফলের মাঝখানে কাঠি ঢুকিয়ে তৈরি হতো লাটিম, যা ছিল গ্রামীণ শিশুদের প্রিয় খেলনা

📰 বিস্তারিত

গ্রামবাংলার রাস্তার ধারে দেখা মেলা পিটুলি গাছ একসময়ের জনপ্রিয় খেলনার নামেই পরিচিত ছিল। বৈজ্ঞানিক নাম ট্রেভিয়া নুডিফ্লোরা হলেও এটি লাটিমগাছ নামেই বেশি পরিচিত। ইউফোরবিয়াসি পরিবারের অন্তর্গত এই গাছ নদীর ধারে, পুকুরপাড়ে বা জলাজমিতে জন্মে থাকে। পানির মধ্যেও এটি দিব্যি বেড়ে ওঠে।

গাছটির একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো পুরুষ ও স্ত্রী গাছ আলাদা। শীতকালে পুরুষ গাছের গায়ে একটিও পাতা থাকে না। কিছুদিনের মধ্যেই সেই পাতাশূন্য ডালে ফুটে ওঠে ছোট ছোট ফুল। গাছটির ফল গোলাকার, মার্বেলের চেয়ে সামান্য বড়। তবে এই ফল মানুষ বা পশুপাখি কেউই খায় না।

পিটুলির ফলের মধ্যেকার বিশেষ বৈশিষ্ট্য ছিল এর ব্যবহার। ফলের ঠিক মাঝখানে একটা চিকন কাঠি ঢুকিয়ে দিলেই তৈরি হয়ে যেত একটা লাটিম। আঙুল দিয়ে মোচড় দিয়ে ছেড়ে দিলে সেটা ঘুরত মাটির ওপর, ঠিক কাঠের লাটিমের মতো। টাকা লাগত না, কারিগরের কাছে যেতে হতো না। গাছতলা থেকে একটা পাকা ফল কুড়িয়ে আনলেই হতো, বাকিটা ছিল শুধু একটা কাঠি খুঁজে বের করার অপেক্ষা।

"পিটুলির ফল দিয়ে লাটিম বানানো হতো। ফলের মাঝখানে কাঠি ঢুকিয়ে ছেড়ে দিলেই সেটা ঘুরত। গ্রামের ছেলেমেয়েদের কাছে এ ছিল এক অন্যরকম আনন্দের উৎস।"

ধীরে ধীরে নামটা জড়িয়ে যায় পুরো গাছের সঙ্গে। কোথাও একে বলা হয় লাটিমগোটা, লাড্ডু বা মেড়াগোটা। নামের পেছনে একটা প্যাটার্ন গ্রামীণ উদ্ভিদজগতে এমন নামকরণ নতুন কিছু নয়। কোনো গাছের ফল বা ফুলের সঙ্গে যদি খেলাধুলার যোগ থাকে, নামটা প্রায়ই ঠিক হয়ে যায় সেই ব্যবহার থেকেই।

এখন শহরে বড় হওয়া অনেকে হয়তো কোনো দিন পিটুলিগাছ চোখেই দেখেনি। নদী-খালের পাড় দখল হয়ে যাচ্ছে, বিল-জলাভূমি ভরাট হচ্ছে। যে গাছ একসময় নিজে থেকেই জন্মাত নদীর ধারে ধারে, এখন তাকে খুঁজতে যেতে হয় গ্রামের ভেতরের দিকে। প্লাস্টিকের রংচঙে লাটিম এখন দোকানে পাওয়া যায় সহজেই। নিজের হাতে ছুঁয়ে দেখার সুযোগটা আর থাকবে না তখন।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: গ্রামবাংলার রাস্তার ধারে, নদীপাড়ে, পুকুরপাড়ে
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: গ্রামীণ শিশুরা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ফলের আকার (মার্বেলের চেয়ে সামান্য বড়)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖