📌 ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে সরকারের জাতীয় টাস্কফোর্স কমিটির জরুরি সভায় স্থানীয় সরকারমন্ত্রী আবদুল মঈন খান মশা নিয়ন্ত্রণে নতুন গবেষণা ও কারিগরি সক্ষমতা বৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছেন। চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মৃত্যু প্রায় অর্ধেকে নামলেও জনসচেতনতা ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযানের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে
ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে বলে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী আবদুল মঈন খান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, মশার লার্ভার উৎস ধ্বংসের পাশাপাশি মশা নিধনে ব্যবহৃত ওষুধের কার্যকারিতা বাড়াতে গবেষণা ও কারিগরি সক্ষমতা জোরদার করা হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ডেঙ্গু প্রতিরোধে জাতীয় টাস্কফোর্স কমিটির জরুরি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী আবদুল মঈন খান গবেষণা জোরদারের ঘোষণা দেন
- 📌 চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মৃত্যু প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম
- 📌 জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছে প্রায় ৯০ জনের
- 📌 চলতি বছরে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে প্রায় ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন
- 📌 ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এবং গাজীপুরে মশা নিয়ন্ত্রণে বিশেষ চ্যালেঞ্জ রয়েছে বলে উল্লেখ করেন মন্ত্রী
📰 বিস্তারিত
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সচিবালয়ে রোববার ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে গঠিত জাতীয় টাস্কফোর্স কমিটির জরুরি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী আবদুল মঈন খান এসব কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
মন্ত্রী জানান, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এবং গাজীপুরের মতো ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় মশা নিয়ন্ত্রণে নানা চ্যালেঞ্জ রয়েছে। সীমিত সম্পদের মধ্যেও সিটি করপোরেশনগুলো সর্বাত্মকভাবে কাজ করছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। মশার লার্ভা যেখানে জন্ম নেয়, সেসব স্থান চিহ্নিত করে পানি জমতে না দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে বলে তিনি জানান।
জাপানসহ বিভিন্ন উন্নত দেশের সহযোগিতায় মশা নিধনের ওষুধের কার্যকারিতা নিয়ে গবেষণা ও পর্যালোচনা করা হচ্ছে বলে মন্ত্রী জানান। তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদেরও এ কাজে সম্পৃক্ত করা হয়েছে। ডেঙ্গুর বিস্তার ঠেকাতে জনসচেতনতার পাশাপাশি কারিগরি সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানান, গত বছরের তুলনায় চলতি বছর ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। তিনি বলেন, মশা নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন সিটি করপোরেশনে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান, স্প্রে ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম চলছে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে শনিবার পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রায় ৯০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। এ সময়ে প্রায় ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ রোগী চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন বলে তিনি জানান।
"বাড়ির ভেতর, ছাদ, বারান্দা ও আশপাশে পরিত্যক্ত টায়ার, প্লাস্টিকের পাত্রসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হবে। সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি জনগণের সচেতনতাই ডেঙ্গু প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, গাজীপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবদুল মঈন খান, মীর শাহে আলম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: মৃত্যু ৯০ জন, সুস্থ রোগী ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৫০০
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!