📌 ভোলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ঘাটতির কারণে দৈনিক গড়ে তিন থেকে চার ঘণ্টা লোডশেডিং হচ্ছে। ফলে শিল্পকারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি সাধারণ গ্রাহকরাও ভোগান্তির শিকার। বিদ্যুৎ বিতরণ প্রতিষ্ঠান ওজোপাডিকো জানিয়েছে, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম হওয়ায় লোডশেডিংয়ের পরিমাণ বেড়েছে
ভোলা জেলায় বিদ্যুতের ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন সাধারণ গ্রাহক ও শিল্পকারখানার মালিকেরা। বিদ্যুৎ সরবরাহের ঘাটতির কারণে দৈনিক গড়ে তিন থেকে চার ঘণ্টা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন থাকায় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। বিদ্যুৎ বিতরণ প্রতিষ্ঠান ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ওজোপাডিকো) ভোলা কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত রোববার ভোলা সদর উপজেলা ও বোরহানউদ্দিন পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ২৩ মেগাওয়াট, কিন্তু সরবরাহ হয়েছে মাত্র ১৫ মেগাওয়াট। ফলে ৮ মেগাওয়াট ঘাটতি পূরণে লোডশেডিং করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ভোলায় গত রোববার বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ২৩ মেগাওয়াট, সরবরাহ ১৫ মেগাওয়াট
- 📌 লোডশেডিংয়ের কারণে দৈনিক গড়ে তিন থেকে চার ঘণ্টা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন থাকছে
- 📌 ভোলা সদর উপজেলা ও বোরহানউদ্দিন পৌরসভায় বিদ্যুৎ সরবরাহে ঘাটতি ৮ মেগাওয়াট
- 📌 শিল্পকারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি সাধারণ গ্রাহকরাও ভোগান্তির শিকার
📰 বিস্তারিত
বিদ্যুৎ সরবরাহের ঘাটতির কারণে ভোলা জেলায় লোডশেডিংয়ের মাত্রা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত শনিবার বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ২১ মেগাওয়াট, সরবরাহ হয়েছে ১৪ মেগাওয়াট। ফলে লোডশেডিং হয়েছে ৭ মেগাওয়াট। একইভাবে শুক্রবার চাহিদা ছিল ২৪ মেগাওয়াট, সরবরাহ ১৭ মেগাওয়াট। ওজোপাডিকো ভোলার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ইউছুফ জানিয়েছেন, কয়েক দিন ধরে ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ লোডশেডিং দিতে হচ্ছে। তিনি বলেন, ভোলায় উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হলেও জেলায় চাহিদার তুলনায় বরাদ্দ কম হওয়ায় লোডশেডিং করতে হচ্ছে।
ভোলা সদর উপজেলার হাসপাতাল রোড এলাকার বাসিন্দা মুন্সি জহুরুল ইসলাম খুসবু বলেন, কয়েক দিন ধরে লোডশেডিংয়ের মাত্রা আগের তুলনায় বেড়েছে। গরমের মধ্যে আমাদের অনেক ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে। অন্যদিকে ভোলা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক মো. জামাল উদ্দিন খান জানান, লোডশেডিংয়ের কারণে মিল চালাতে গিয়ে একটি মোটর পুড়ে যাওয়ায় প্রায় ৩০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে। তিনি বলেন, ভোলায় হাতে গোনা কয়েকটি শিল্পকারখানা গড়ে উঠলেও লোডশেডিংয়ের কারণে সেগুলোর উৎপাদন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব), ভোলা জেলা শাখার সভাপতি মো. সুলাইমান বলেন, ভোলায় প্রাকৃতিক গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের সুযোগ থাকা সত্ত্বেও ঘণ্টার পর ঘণ্টা লোডশেডিং অত্যন্ত দুঃখজনক। তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, এখানে উৎপাদিত বিদ্যুতের একটি অংশ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হলেও স্থানীয় চাহিদা পূরণে ঘাটতি কেন থাকবে?
"কয়েক দিন ধরে ৩০-৩৫ শতাংশ লোডশেডিং দিতে হচ্ছে। ভোলায় উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে। তবে জেলায় চাহিদার তুলনায় বরাদ্দ কম পাওয়ায় লোডশেডিং করতে হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভোলা সদর উপজেলা ও বোরহানউদ্দিন পৌরসভা, ভোলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. ইউছুফ (ওজোপাডিকো নির্বাহী প্রকৌশলী), মো. জামাল উদ্দিন খান (ভোলা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক), মো. সুলাইমান (ক্যাব ভোলা জেলা শাখার সভাপতি), মুন্সি জহুরুল ইসলাম খুসবু (বিদ্যুৎ গ্রাহক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৩ মেগাওয়াট (চাহিদা), ১৫ মেগাওয়াট (সরবরাহ), ৮ মেগাওয়াট (ঘাটতি), ৩০-৩৫ শতাংশ (লোডশেডিংয়ের হার)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!