📌 আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবসে রাজধানী ঢাকার বাংলামোটর থেকে জাতীয় সংসদ অভিমুখে বিশাল পদযাত্রা ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা গুমবিরোধী আন্দোলনের দাবিতে একাত্মতা প্রকাশ করেন
ঢাকা, ৩০ আগস্ট ২০২৬: আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষ্যে রাজধানী ঢাকায় বিশাল পদযাত্রা ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার বিকেল ৩টায় বাংলামোটর থেকে শুরু হওয়া পদযাত্রাটি জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে গিয়ে শেষ হয়। পরে সংসদ ভবনের সামনে সমাবেশে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা গুমবিরোধী আন্দোলনের দাবিতে একাত্মতা প্রকাশ করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবসে রাজধানী ঢাকায় পদযাত্রা ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত
- 📌 পদযাত্রা শুরু হয় বাংলামোটর থেকে, শেষ হয় জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে
- 📌 সমাবেশে অংশ নেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, খেলাফত মজলিস, জাগপা, এনসিপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা
- 📌 গুম অধ্যাদেশ বাতিলের অভিযোগ তুলে নেতারা কার্যকর আইন প্রণয়নের দাবি জানান
- 📌 সমাবেশে নেতারা জুলাই গণঅভ্যুত্থানে গুম হওয়া ব্যক্তিদের স্মরণ করেন
📰 বিস্তারিত
আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষ্যে রাজধানী ঢাকায় পদযাত্রা ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার বিকেল ৩টায় বাংলামোটর থেকে শুরু হওয়া পদযাত্রাটি জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে গিয়ে শেষ হয়। পরে সংসদ ভবনের সামনে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, জাগপা, এনসিপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা অংশগ্রহণ করেন।
সমাবেশে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘গুমের শিকার সংগ্রামী জনতা, জুলাই যোদ্ধা এবং ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে যারা গুমের শিকার হয়েছেন, তাদের স্মরণে আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস পালিত হচ্ছে।’ তিনি অভিযোগ করেন, ‘গুম প্রতিরোধের যে অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছিল, তা বাতিল করে গুমের ঘটনার তদন্তের দায়িত্ব পুলিশের হাতে দেওয়া হয়েছে।’
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দিন বলেন, ‘২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে জনগণ ঘোষণা করেছে, বাংলাদেশে আর গুম-খুনের আস্তানা চলতে পারে না।’ জুলাই সনদে মানবাধিকার রক্ষা ও গুম প্রতিরোধে একটি রূপরেখা তৈরি করা হয়েছিল বলেও দাবি করেন তিনি।
জাগপার সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান বলেন, ‘গণভোটের গণরায়ের সঙ্গে বেঈমানি করে গুম অধ্যাদেশ বাতিল করা হয়েছে।’ ফলে গুমের বিচার প্রক্রিয়া দুর্বল হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
সমাবেশে মীর আহমদ বিন কাশেম আরমান এমপি বলেন, ‘ভবিষ্যতে যেন আর কেউ গুমের শিকার না হন, সেজন্য কার্যকর আইন প্রণয়ন করতে হবে।’ তাদের গুমবিরোধী আন্দোলন অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
‘গুমের শিকার সংগ্রামী জনতা, জুলাই যোদ্ধা এবং ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে যারা গুমের শিকার হয়েছেন, তাদের স্মরণে আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস পালিত হচ্ছে।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলামোটর, জাতীয় সংসদ ভবন এলাকা, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মিয়া গোলাম পরওয়ার, মাওলানা জালালুদ্দিন, ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান, মীর আহমদ বিন কাশেম আরমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ আগস্ট, বিকেল ৩টা, ১১ দলীয় ঐক্য
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!