📅 ৩১ আগস্ট ২০২৬, ৩:১৭ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বরগুনার আমতলীতে লেক সংস্কারে অনিয়মের অভিযোগ, নির্মাণাধীন ওয়াকওয়ে ধসে পড়া

বরগুনার আমতলীতে লেক সংস্কারে অনিয়মের অভিযোগ, নির্মাণাধীন ওয়াকওয়ে ধসে পড়া

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বরগুনার আমতলী পৌরসভার কেন্দ্রীয় লেকের সৌন্দর্যবর্ধন প্রকল্পে অনিয়ম ও ত্রুটিপূর্ণ নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে গৃহীত প্রকল্পের ওয়াকওয়ে গত রোববার ধসে পড়ার পর স্থানীয়রা দ্রুত তদন্ত ও দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন

বরগুনার আমতলী পৌরসভার কেন্দ্রীয় লেকের সৌন্দর্যবর্ধন প্রকল্পে অনিয়ম ও ত্রুটিপূর্ণ নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে পরিচালিত প্রকল্পটির ওয়াকওয়ে গতকাল রোববার ধসে পড়ার পর স্থানীয় বাসিন্দারা প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে ১২ কোটি ৫৬ লাখ ৯৮ হাজার ৩২৩ টাকার প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ
  • 📌 প্রকল্পের ওয়াকওয়ে ধসে পড়ার ঘটনা ঘটে গত রোববার সকালে
  • 📌 অভিযোগ রয়েছে সাবেক পৌর মেয়র মতিয়ার রহমানের বিরুদ্ধে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের
  • 📌 স্থানীয় সাংবাদিকদের তথ্য সংগ্রহে বাধা দেওয়ার অভিযোগ
  • 📌 প্রকল্পের ব্যয় দ্বিগুণ হওয়ার পর ইউএনওর হস্তক্ষেপে তা অর্ধেকে নামানো হয়

📰 বিস্তারিত

আমতলী পৌরসভার কেন্দ্রীয় লেকের সৌন্দর্যবর্ধন প্রকল্পটি বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে অনুমোদিত হয়। প্রকল্পটির জন্য বরাদ্দ ছিল ১২ কোটি ৫৬ লাখ ৯৮ হাজার ৩২৩ টাকা। ২০২৪ সালের এপ্রিলে তৎকালীন পৌর মেয়র মতিয়ার রহমান প্রকল্পটির দরপত্র আহ্বান করেন। পরবর্তীতে গোপনে ঝালকাঠির ইসলাম ব্রাদার্স নামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নামে কার্যাদেশ দেখিয়ে নিজেই কাজ পরিচালনা করেন বলে অভিযোগ ওঠে।

প্রকল্পটির কাজ শুরু হওয়ার কথা ছিল ২০২৪ সালের ৩০ জুলাই। তবে তা শুরু হয় ২৫ অক্টোবর। তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আশরাফুল আলম প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। তিনি প্রকল্পের ব্যয় দ্বিগুণ হওয়ার বিষয়টি লক্ষ্য করেন এবং তা অর্ধেকে নামিয়ে আনেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে মতিয়ার রহমান কাজ বন্ধ করে দেন। পরবর্তীতে নতুন দুই ইউএনওর সঙ্গে যোগাযোগ করে তিনি কাজ পুনরায় শুরু করেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেন, মতিয়ার রহমান নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের বিষয়ে প্রশাসনকে অবহিত করলেও কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। গত রোববার সকালে লেকের মধ্যে নির্মাণাধীন ওয়াকওয়ে ধসে পড়ার পর বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। ধসে যাওয়া অংশটি স্থানীয়রা পলিথিন দিয়ে ঢেকে দিলে সাংবাদিকেরা তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে মতিয়ার রহমানের ব্যবস্থাপক শ্যামল চন্দ্র, তাঁর ব্যক্তিগত সহকারী পান্নু মোল্লা ও তাঁদের সহযোগীরা বাধা প্রদান করেন।

‘প্রকল্পটির কার্যাদেশ পেতে আমার প্রতিষ্ঠানে লাইসেন্স দিয়েছি, তা সত্য। কিন্তু কাজ করেন পৌরসভার সাবেক মেয়র মতিয়ার রহমান। ওইখানে আমার কিছুই নেই। আমি এ বিষয়ে কিছুই জানি না।’ — মো. খাইরুল আজাদ, ইসলাম ব্রাদার্সের মালিক

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: আমতলী, বরগুনা
  • 👥 মুখ্য ব্যক্তি: মতিয়ার রহমান (সাবেক পৌর মেয়র)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ কোটি ৫৬ লাখ ৯৮ হাজার ৩২৩ টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖