📌 কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার একটি দাখিল মাদ্রাসার ১৮ জন শিক্ষক-কর্মচারী ছয় মাস বেতন পাননি। ক্ষোভে তারা সুপারিনটেনডেন্টকে অবরুদ্ধ করে রাখলেন, পরে পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে। সুপার বেতন বন্ধের দায় অস্বীকার করেছেন
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার কামাত আঙ্গারিয়া দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক-কর্মচারীরা ছয় মাস বেতন বন্ধের দাবিতে সুপারিনটেনডেন্ট মো. সাইদুর রহমানকে অবরুদ্ধ করে রাখলেন। সোমবার সকালে এই ঘটনা ঘটে। শিক্ষক-কর্মচারীদের দাবি, সুপারিনটেনডেন্টের কারণে বেতন বন্ধ রয়েছে এবং এর আগেও সাত মাস বেতন বন্ধ ছিল।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার কামাত আঙ্গারিয়া দাখিল মাদ্রাসার ১৮ জন শিক্ষক-কর্মচারী ছয় মাস বেতন পাননি
- 📌 শিক্ষক-কর্মচারীরা সুপারিনটেনডেন্ট মো. সাইদুর রহমানকে অবরুদ্ধ করে রাখলেন, পরে পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে
- 📌 সুপারিনটেনডেন্ট বেতন বন্ধের দায় অস্বীকার করেছেন এবং বলেছেন, তিনি দায়ী নন
- 📌 থানার ওসি আজিম উদ্দিন বলেছেন, সুপারিনটেনডেন্টকে অবরুদ্ধ অবস্থায় থানায় আনা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার কামাত আঙ্গারিয়া দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক-কর্মচারীরা ছয় মাসের বকেয়া বেতনের দাবিতে সুপারিনটেনডেন্ট মো. সাইদুর রহমানকে অবরুদ্ধ করে রাখলেন। সোমবার সকালে সুপারিনটেনডেন্টের কার্যালয়ে তাঁকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। শিক্ষক-কর্মচারীদের দাবি, সুপারিনটেনডেন্টের কারণে বেতন বন্ধ রয়েছে। তারা বলেছেন, সুপার বেতন-বিলের কাগজপত্রে স্বাক্ষর করতে গড়িমসি করায় বেতন বন্ধ রয়েছে। এর আগেও সুপারের কারণে টানা সাত মাস বেতন বন্ধ ছিল।
বেতন বন্ধের কারণে শিক্ষক-কর্মচারীরা আর্থিক সংকটে পড়েছেন। তারা বলেছেন, পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করতে হচ্ছে। বেতন বন্ধ থাকায় মানসিক দুশ্চিন্তার মধ্য দিয়ে দিন কাটছে। এর প্রভাব পড়ছে পাঠদানেও। মাদ্রাসার স্বাভাবিক শিক্ষাকার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।
সুপার মো. সাইদুর রহমান বেতন বন্ধের দায় অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন বন্ধ হওয়ার জন্য তিনি দায়ী নন।
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিম উদ্দিন জানান, সোমবার বিকেলে অবরুদ্ধ অবস্থায় সুপারিনটেনডেন্টকে পুলিশ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। তাঁকে তাঁর স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
"বেতন বন্ধের জন্য আমি দায়ী নই।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কামাত আঙ্গারিয়া দাখিল মাদ্রাসা, ভূরুঙ্গামারী উপজেলা, কুড়িগ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সুপারিনটেনডেন্ট মো. সাইদুর রহমান, ওসি আজিম উদ্দিন, শিক্ষক-কর্মচারীরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৮ জন শিক্ষক-কর্মচারী
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!