📅 ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বিজ্ঞানীরা বুধ গ্রহের রহস্য উন্মোচনে প্রস্তুত: ইউরোপ ও জাপানের যৌথ মহাকাশ মিশন

বিজ্ঞানীরা বুধ গ্রহের রহস্য উন্মোচনে প্রস্তুত: ইউরোপ ও জাপানের যৌথ মহাকাশ মিশন

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সৌরজগতের সবচেয়ে ছোট গ্রহ বুধে পৌঁছানোর দীর্ঘ আট বছরের যাত্রা শেষে ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থা ও জাপানের জেএএক্সএর দুটি মহাকাশযান আগামী ২১ নভেম্বর বুধ গ্রহের কক্ষপথে প্রবেশ করবে। এই মিশনে গ্রহের অভ্যন্তরীণ গঠন, চৌম্বকীয় ক্ষেত্র ও জলীয় বরফের সম্ভাবনা নিয়ে গবেষণা করা হবে

সৌরজগতের সবচেয়ে ছোট এবং কম জানাশোনা গ্রহ বুধে বিজ্ঞানীরা নতুন রহস্যগুলো উন্মোচনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। দীর্ঘ আট বছরের মহাকাশ যাত্রা শেষে ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থা (ইএসএ) এবং জাপানের জাপান অ্যারোস্পেস এক্সপ্লোরেশন এজেন্সি (জেএএক্সএ) যৌথভাবে পরিচালিত দুটি মহাকাশযান বুধ গ্রহের কক্ষপথে প্রবেশের জন্য প্রস্তুত। এই মিশনটি বিজ্ঞানীদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ সূর্যের খুব কাছাকাছি অবস্থিত এই গ্রহে পৌঁছানো অত্যন্ত কঠিন এবং জটিল কাজ।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২১ নভেম্বর বুধ গ্রহের কক্ষপথে প্রবেশ করবে ইউরোপ ও জাপানের যৌথ মহাকাশযান দুটি
  • 📌 ৮ বছর ধরে শত শত কোটি কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়েছে মহাকাশযান দুটি
  • 📌 পৃথিবী, শুক্র ও বুধ গ্রহের মহাকর্ষ বল ব্যবহার করে গতিপথ পরিবর্তন করা হয়েছে
  • 📌 মারকিউরি প্ল্যানেটারি অরবিটার (ইএসএ) ও মারকিউরি ম্যাগনেটোস্ফেরিক অরবিটার (জেএএক্সএ) আলাদা হয়ে বুধের বিভিন্ন গবেষণা করবে
  • 📌 বুধের মেরু অঞ্চলে জলীয় বরফ থাকার সম্ভাবনা নিয়ে গবেষণা করা হবে

📰 বিস্তারিত

২০১৮ সালের অক্টোবর মাসে শুরু হওয়া বেপিকলোম্বো মিশন এখন বুধ গ্রহের কক্ষপথে প্রবেশের জন্য সর্বশেষ প্রস্তুতি নিচ্ছে। এই মিশনে দুটি বৈজ্ঞানিক মহাকাশযান একত্রে ভ্রমণ করছে। প্রথমটি হলো ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থার মারকিউরি প্ল্যানেটারি অরবিটার (এমটিও) এবং দ্বিতীয়টি জাপানের মারকিউরি ম্যাগনেটোস্ফেরিক অরবিটার (মিও)

বিজ্ঞানীদের তথ্যমতে, সূর্যের খুব কাছাকাছি অবস্থিত বুধ গ্রহে পৌঁছানোর জন্য মহাকাশযানগুলোর গতি নিয়ন্ত্রণে বিপুল পরিশ্রম লেগেছে। পৃথিবী থেকে মহাকাশযান পাঠালে সূর্যের টান থেকে বাঁচতে এবং কক্ষপথে প্রবেশ করতে হলে গতি কমাতে হয়। এই দীর্ঘ যাত্রায় মোট ৯টি গ্রহের ফ্লাইবাই সম্পন্ন করা হয়েছে এবং সৌর-বৈদ্যুতিক প্রপালশন ব্যবহার করে মহাকাশযান দুটির গতি ধীরে ধীরে নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে।

মহাকাশযান দুটি বুধ গ্রহের কক্ষপথে প্রবেশ করার পর, তারা আলাদা হয়ে পৃথক গবেষণা শুরু করবে। এমটিও গ্রহের পৃষ্ঠ, অভ্যন্তরীণ গঠন এবং উপাদান নিয়ে গবেষণা করবে। অন্যদিকে, মিও গ্রহের চৌম্বকীয় ক্ষেত্র এবং সৌর বায়ুর মিথস্ক্রিয়া নিয়ে অনুসন্ধান চালাবে। বিশেষভাবে, বিজ্ঞানীরা বুধের মেরু অঞ্চলের লাভা গহ্বর বা ক্রেটারগুলোর দিকে নজর দিচ্ছেন, যেখানে স্থায়ীভাবে অন্ধকারাচ্ছন্ন এলাকায় জলীয় বরফ থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, আগামী ডিসেম্বর মাসে দুটি মহাকাশযান পুরোপুরি আলাদা হয়ে যাবে। আগামী বছরের মার্চ মাসের মধ্যে এমটিও তার চূড়ান্ত কক্ষপথে পৌঁছে যাবে এবং এপ্রিল মাস থেকে বুধ গ্রহে নিয়মিত বৈজ্ঞানিক কার্যক্রম শুরু হবে। এই মিশনের মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা বুধ গ্রহের সৃষ্টি, রহস্যময় বৈশিষ্ট্য এবং চৌম্বকক্ষেত্রের কারণ সম্পর্কে নতুন তথ্য সংগ্রহ করার আশা করছেন।

"সূর্যের খুব কাছে হওয়ায় বুধ গ্রহে পৌঁছানো অত্যন্ত কঠিন কাজ। পৃথিবী থেকে মহাকাশযান পাঠালে তাকে বিপুল পরিমাণ গতি কমাতে হয়। সূর্যের টানে নিচের দিকে পড়ার সময় কক্ষপথে প্রবেশ করা বেশ জটিল।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বুধ গ্রহ, সৌরজগত
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিজ্ঞানীরা (ইএসএ ও জেএএক্সএ)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২১ নভেম্বর (কক্ষপথে প্রবেশের তারিখ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖