📅 ৪ নভেম্বর ২০২৬, ১০:২১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ঢাকার ৭৬% ওয়ার্ডে মশার ঝুঁকি: নাগরিক সচেতনতা দরকার ডেঙ্গু প্রতিরোধে

ঢাকার ৭৬% ওয়ার্ডে মশার ঝুঁকি: নাগরিক সচেতনতা দরকার ডেঙ্গু প্রতিরোধে

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) জরিপে দেখেছে ৭৬% ওয়ার্ডে মশার উচ্চ ও মাঝারি ঝুঁকি। ২ হাজার ২৫০টি বাড়িতে জরিপে ৩২২টিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেছে। করপোরেশন বলছে, নাগরিক সচেতনতা ছাড়া ডেঙ্গু প্রতিরোধ সম্ভব নয়

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) বর্ষাকালীন এডিস মশার লার্ভা জরিপের ফলাফল প্রকাশ করে জানিয়েছে, ঢাকার ৭৬ শতাংশ ওয়ার্ডে মশার উচ্চ ও মাঝারি ঝুঁকি রয়েছে। জরিপে দেখা গেছে, প্রতি সাতটি বাড়ির প্রায় একটিতে এডিস মশার লার্ভা বা পিউপা উপস্থিত। করপোরেশনের প্রশাসক মো. আবদুস সালাম বলেছেন, নাগরিক সচেতনতা ছাড়া মশার প্রজনন নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ঢাকার ৭৫টি ওয়ার্ডের মধ্যে ২৯টি উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ, ২৮টি মাঝারি ঝুঁকিপূর্ণ — মোট ৭৬ শতাংশ ওয়ার্ডে ঝুঁকি
  • 📌 ২ হাজার ২৫০টি বাড়িতে জরিপে ৩২২টিতে এডিস মশার লার্ভা ও পিউপা পাওয়া গেছে — প্রতি সাতটি বাড়ির একটিতে উপস্থিত
  • 📌 প্লাস্টিকের বালতিতে ১৪.২১%, ড্রামে ১১.২২%, বেজমেন্টে জমা পানিতে ৯.৯৮% লার্ভা পাওয়া গেছে
  • 📌 ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে ৮ অক্টোবর ১২ দিনে জরিপ চালানো; প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে ৩০টি বাড়ি নমুনা হিসেবে নেওয়া
  • 📌 ঝুঁকিপূর্ণ ওয়ার্ডে বিশেষ মশকনিধন অভিযান ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি চলছে

📰 বিস্তারিত

ডিএসসিসি ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংক্রামক রোগনিয়ন্ত্রণ শাখার ৩৬ জন মাঠকর্মী ১২ দিনের জরিপে অংশ নিয়েছেন। জরিপে দেখা গেছে, বাসাবাড়িতে ব্যবহৃত প্লাস্টিকের বালতি, ড্রাম, মগ ও ফুলের টব মশার প্রধান প্রজননস্থল। বিশেষত বেজমেন্টে জমে থাকা পানি থেকে লার্ভা পাওয়া গেছে। করপোরেশন বলেছে, দৈবচয়নের ভিত্তিতে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে জরিপ পরিচালিত হয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ অনুযায়ী, মশার প্রজনন ঠেকাতে বাড়ি ও আশপাশের পানি জমতে পারে এমন পাত্র সরিয়ে ফেলা এবং প্রয়োজনীয় পাত্র ঢেকে রাখা জরুরি। প্রতি সপ্তাহে অন্তত একবার পাত্র পরিষ্কার করা এবং গায়ে লেগে থাকা ডিম দূর করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। করপোরেশন জানিয়েছে, এডিসের ডিম শুষ্ক অবস্থায়ও কয়েক মাস টিকে থাকতে পারে।

ঝুঁকিপূর্ণ ওয়ার্ডের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ওয়ার্ডগুলো হলো ১, ২, ৯, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ১৫, ১৬, ১৯, ২০, ২১, ২২, ২৪, ২৫, ২৬, ২৭, ৩১, ৫৩, ৫৪, ৫৫, ৫৬, ৫৮, ৫৯, ৬০, ৬১, ৬২, ৬৫ ও ৭১। মাঝারি ঝুঁকিপূর্ণ ওয়ার্ডগুলো হলো ৪, ৫, ৬, ৮, ১০, ১৮, ২৩, ২৯, ৩০, ৩২, ৩৩, ৩৫, ৩৬, ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০, ৪৩, ৪৬, ৫১, ৫২, ৫৭, ৬৪, ৬৭, ৬৮, ৬৯, ৭৩ ও ৭৫।

"ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু সরকারি উদ্যোগই যথেষ্ট নয়; নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। বাসাবাড়ি ও কর্মস্থলের আশপাশ পরিষ্কার রাখা এবং সপ্তাহে অন্তত এক দিন জমে থাকা পানি অপসারণের অভ্যাস গড়ে তোলা দরকার।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. আবদুস সালাম (ডিএসসিসি প্রশাসক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭৬% ওয়ার্ডে ঝুঁকি, ৩২২টি বাড়িতে লার্ভা পাওয়া, ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে ৮ অক্টোবর পর্যন্ত জরিপ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖