📌 মেঘনা গ্রুপের ফ্রেশ অনন্যা ব্র্যান্ড ও বুয়েটের যৌথ উদ্যোগে বুয়েটে পিরিয়ড স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি ও সহজলভ্যতা নিশ্চিত করতে স্যানিটারি ন্যাপকিন ভেন্ডিং মেশিন উদ্বোধন করা হয়। ২০১৮ সালের জরিপে দেখা যায় বাংলাদেশে মাত্র ২৯% নারী স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহার করেন
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ও মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের (এমজিআই) ফেমিনিন হাইজিন ব্র্যান্ড ফ্রেশ অনন্যা যৌথ উদ্যোগে পিরিয়ড স্বাস্থ্য সচেতনতা ও সহজলভ্যতা নিশ্চিত করতে বুয়েটের এমএমই বিভাগে স্যানিটারি ন্যাপকিন ভেন্ডিং মেশিন উদ্বোধন করা হয়। গতকাল বুধবার বুয়েটের পুরোনো অ্যাকাডেমিক ভবনে অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচিতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা অংশগ্রহণ করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২৯% নারী মাত্র বাংলাদেশে স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহার করেন — ২০১৮ সালের জাতীয় স্বাস্থ্যবিধি জরিপে পাওয়া তথ্য
- 📌 বুয়েটের এমএমই বিভাগে ফ্রেশ অনন্যা ভেন্ডিং মেশিন উদ্বোধন করা হয়, যা মোবাইল পেমেন্টে বাজারদর কম মূল্যে ন্যাপকিন সরবরাহ করবে
- 📌 উদ্বোধন করেন ব্যারিস্টার তাসনিম মোস্তফা (মেঘনা গ্রুপের ডিরেক্টর), প্রফেসর মো. আমিনুল ইসলাম (বুয়েটের ডিন), প্রফেসর মুসাররাত সুলতানা সুমি (ঢাকা মেডিকেল কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল) ও অন্যান্য
- 📌 অনুষ্ঠানে ‘ইঞ্জিনিয়ারিং ফর হার’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে নারী শিক্ষার্থীরা চিকিৎসকদের সাথে মাসিক স্বাস্থ্য নিয়ে আলোচনা করেন
- 📌 ফ্রেশ অনন্যা বাংলাদেশের আরও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ ধরনের ভেন্ডিং মেশিন স্থাপনের প্রতিশ্রুতি দেয়
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশে পিরিয়ডকালীন স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি ও সহজলভ্যতা নিশ্চিত করতে ফ্রেশ অনন্যা ও বুয়েটের যৌথ উদ্যোগে বুয়েটের এমএমই বিভাগে একটি স্যানিটারি ন্যাপকিন ভেন্ডিং মেশিন উদ্বোধন করা হয়। এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো ২০১৮ সালের জাতীয় স্বাস্থ্যবিধি জরিপে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, যেখানে মাত্র ২৯ শতাংশ নারী স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহার করেন। ফ্রেশ অনন্যা এই ভেন্ডিং মেশিনের মাধ্যমে শিক্ষার্থী ও কর্মীদের জন্য সহজলভ্য ও সম্মানজনক পিরিয়ড হাইজিন নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের ডিরেক্টর ব্যারিস্টার তাসনিম মোস্তফা বলেন, ‘পিরিয়ড স্বাস্থ্যবিধি শুধু ব্যক্তিগত অস্বস্তির বিষয় নয়, এটি স্বাস্থ্য, মর্যাদা, আত্মবিশ্বাস এবং সমান সুযোগের সঙ্গে জড়িত একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।’ তিনি আরও বলেন, ‘অস্বাস্থ্যকর বিকল্প পণ্য মানসম্পন্ন স্যানিটারি ন্যাপকিনের বিকল্প হতে পারে না এবং পিরিয়ড একটি স্বাভাবিক শারীরিক প্রক্রিয়া হওয়ায় ভুল তথ্য বা পণ্য অভাবে তা কোনো নারীর শিক্ষা, কর্ম বা দৈনন্দিন জীবনে বাধা হয়ে দাঁড়ানো উচিত নয়।’
ঢাকা মেডিকেল কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল প্রফেসর মুসাররাত সুলতানা সুমি পিরিয়ড সম্পর্কে ভুল ধারণা ও সংকোচের কারণে নারীদের স্বাস্থ্য সমস্যা জটিল হওয়ার সম্ভাবনা তুলে ধরেন। তিনি স্বাস্থ্যসম্মত পিরিয়ড ব্যবস্থাপনা এবং প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার গুরুত্ব জোর দেন। অনুষ্ঠানে ‘ইঞ্জিনিয়ারিং ফর হার: টুগেদার টুওয়ার্ডস আ বেটার সোসাইটি’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে নারী শিক্ষার্থীরা চিকিৎসকদের সাথে মাসিক স্বাস্থ্য ও সংশ্লিষ্ট শারীরিক সমস্যা নিয়ে প্রশ্ন করার সুযোগ পান।
"পিরিয়ড স্বাস্থ্যবিধি শুধু ব্যক্তিগত অস্বস্তির বিষয় নয়। এটি স্বাস্থ্য, মর্যাদা, আত্মবিশ্বাস এবং সমান সুযোগের সঙ্গে জড়িত একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।"
"অস্বাস্থ্যকর কোনো বিকল্প মানসম্পন্ন স্যানিটারি ন্যাপকিনের বিকল্প হতে পারে না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বুয়েটের পুরোনো অ্যাকাডেমিক ভবন, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ব্যারিস্টার তাসনিম মোস্তফা, প্রফেসর মো. আমিনুল ইসলাম, প্রফেসর মুসাররাত সুলতানা সুমি, প্রফেসর মো. মুক্তাদির বিল্লাহ, কাজী মো. মহিউদ্দিন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৯ শতাংশ (স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহারকারী নারী)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!