📅 ২ অক্টোবর ২০২৬, ৬:৫৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

অ্যান্টিবায়োটিক চিকিৎসায় চিনিযুক্ত খাবার গ্রহণে অন্ত্রের মাইক্রোবায়োমের বৈচিত্র্য কমে ২৪ শতাংশ: গবেষণা

অ্যান্টিবায়োটিক চিকিৎসায় চিনিযুক্ত খাবার গ্রহণে অন্ত্রের মাইক্রোবায়োমের বৈচিত্র্য কমে ২৪ শতাংশ: গবেষণা

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 অ্যান্টিবায়োটিক চিকিৎসা চলাকালে অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাবার গ্রহণ অন্ত্রের উপকারী অণুজীবের বৈচিত্র্যকে উল্লেখযোগ্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে। মার্কিন গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতি ৯৯ গ্রাম অতিরিক্ত মিষ্টি খাওয়ার সঙ্গে মাইক্রোবায়োমের বৈচিত্র্য কমে ২৪ শতাংশ। এতে ক্ষতিকর জীবাণু অতিরিক্ত বৃদ্ধি পেতে পারে, এমনকি সেপসিস পর্যন্ত সৃষ্টি করতে পারে

অ্যান্টিবায়োটিক চিকিৎসা গ্রহণকালে অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাবার গ্রহণ অন্ত্রের মাইক্রোবায়োমের বৈচিত্র্যকে উল্লেখযোগ্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে। মার্কিন গবেষণায় দেখা গেছে, এই অবস্থায় প্রতি সাড়ে তিন আউন্স (৯৯ গ্রাম) অতিরিক্ত মিষ্টি খাওয়ার সঙ্গে মল নমুনায় মাইক্রোবায়োমের বৈচিত্র্য প্রায় ২৪ শতাংশ কমে যায়। গবেষণায় উঠে এসেছে, অ্যান্টিবায়োটিকের সঙ্গে চিনির ক্ষতিকর প্রভাবের সম্পর্ক। বিশেষ করে ক্যানসার চিকিৎসায় ভর্তি রোগীদের ক্ষেত্রে এই প্রভাব আরও বেশি স্পষ্ট।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১৭৩ জন ক্যানসার রোগীর মল নমুনা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, অ্যান্টিবায়োটিক চিকিৎসা চলাকালে ৯ হাজার ৪০০টির বেশি খাবার গ্রহণের মধ্যে চিনিযুক্ত খাবারের পরিমাণ বৃদ্ধি পেলে অন্ত্রের উপকারী অণুজীবের বৈচিত্র্য কমে ২৪ শতাংশ
  • 📌 ৯৯ গ্রাম অতিরিক্ত মিষ্টি খাওয়ার সঙ্গে মাইক্রোবায়োমের বৈচিত্র্য কমে ২৪ শতাংশ — গবেষণায় এই সম্পর্ক প্রমাণিত
  • 📌 এন্টারোকক্কাস ফেসিয়াম নামের ক্ষতিকর জীবাণু অতিরিক্ত বৃদ্ধি পেলে অন্ত্রের দেয়াল অতিক্রম করে রক্তপ্রবাহে প্রবেশ করে সেপসিস সৃষ্টি করতে পারে
  • 📌 অ্যান্টিবায়োটিকের তীব্রতা বৃদ্ধি পেলে অন্ত্রের জীবাণুর বৈচিত্র্য কমে ১৬ গুণ — গবেষণায় এ তথ্য পাওয়া গেছে
  • 📌 গবেষণায় অংশগ্রহণকারী ১৭৩ জন ক্যানসার রোগী, যারা স্টেম সেল প্রতিস্থাপনের আগে দীর্ঘদিন অ্যান্টিবায়োটিক চিকিৎসা নিয়েছিলেন

📰 বিস্তারিত

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, গত বুধবার নেচার জার্নালে প্রকাশিত গবেষণায় দেখা গেছে, অ্যান্টিবায়োটিক চিকিৎসার সময় মিষ্টি ও চিনিযুক্ত খাবারের পরিমাণ বাড়লে অন্ত্রের উপকারী ও ক্ষতিকর জীবাণুর ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার প্রবণতা বাড়ে। গবেষণাটি পরিচালনা করেছেন নিউইয়র্কের মেমোরিয়াল স্লোয়ান কেটেরিং ক্যানসার সেন্টার এবং লস অ্যাঞ্জেলেসের সিটি অব হোপ ক্যানসার সেন্টারর গবেষকরা। গবেষণায় ১৭৩ জন ক্যানসার রোগীর কাছ থেকে সংগ্রহ করা ১ হাজারের বেশি মলের নমুনা বিশ্লেষণ করা হয়।

গবেষকদের মতে, মানুষের অন্ত্রে ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস ও অন্যান্য অণুজীবের সমষ্টিকে গাট মাইক্রোবায়োম বলা হয়। এগুলো হজমে সহায়তা, প্রয়োজনীয় ভিটামিন তৈরি এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার কার্যক্রমে ভূমিকা রাখে। গবেষণায় দেখা যায়, খাদ্যাভ্যাস অন্ত্রের জীবাণুর সংখ্যা ও বৈচিত্র্যের ওপর বড় প্রভাব ফেলে। উদ্ভিদজাত, বৈচিত্র্যময় ও ফাইবারসমৃদ্ধ খাবার খাওয়া মানুষের অন্ত্রে সাধারণত জীবাণুর বৈচিত্র্য বেশি থাকে। বিপরীতে অতিপ্রক্রিয়াজাত খাবার বেশি খেলে এই বৈচিত্র্য কমতে পারে।

জোনাথন পেলেড, গবেষণার অন্যতম লেখক বলেন, এই গবেষণার বিশেষত্ব হলো ক্যানসার চিকিৎসার কারণে রোগীদের মাইক্রোবায়োম এবং পুষ্টিগত অবস্থা একই সময়ে বড় ধরনের পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল। গবেষকরা চর্বি, কার্বোহাইড্রেট ও ফাইবারের মতো মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টের সঙ্গে বিভিন্ন অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়ার সম্পর্ক বিশ্লেষণ করেন। পাশাপাশি মুরগি, আপেল ও চকলেট কেকের মতো নির্দিষ্ট খাবারের প্রভাবও পরীক্ষা করা হয়। পেলেডের মতে, বিশ্লেষণে বারবার যে বিষয়টি সামনে এসেছে তা হলো—মানুষ যত বেশি চিনিযুক্ত খাবার খায়, অ্যান্টিবায়োটিকের সঙ্গে তার ক্ষতিকর প্রভাব তত বেশি দেখা যায়।

"বিশেষ করে খাবারে যোগ করা চিনির প্রভাব ছিল বেশি ক্ষতিকর। অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণের সময় প্রতি সাড়ে তিন আউন্স বা প্রায় ৯৯ গ্রাম অতিরিক্ত মিষ্টি বা চিনিযুক্ত খাবার খাওয়ার সঙ্গে মল নমুনায় মাপা মাইক্রোবায়োমের বৈচিত্র্য প্রায় ২৪ শতাংশ কমে যাওয়ার সম্পর্ক রয়েছে।"

গবেষণায় দেখা যায়, অ্যান্টিবায়োটিক চিকিৎসা যত বেশি তীব্র হয়, অন্ত্রের জীবাণুর বৈচিত্র্য তত বেশি কমে। মাইক্রোবায়োমের এই পরিবর্তনের সঙ্গে কিছু ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার দ্রুত বৃদ্ধির সম্পর্কও পাওয়া গেছে। এর মধ্যে রয়েছে এন্টারোকক্কাস ফেসিয়াম। সাধারণ অবস্থায় অন্ত্রে ক্ষতি না করেই থাকলেও, অ্যান্টিবায়োটিকের কারণে অন্য ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস হলে এন্টারোকক্কাস অতিরিক্ত বেড়ে যেতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে এটি অন্ত্রের দেয়াল অতিক্রম করে রক্তপ্রবাহে প্রবেশ করে সেপসিস বা মারাত্মক সংক্রমণ সৃষ্টি করতে পারে। পেলেড বলেন, বিশেষ করে অস্থিমজ্জা বা বোন ম্যারো প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে এন্টারোকক্কাস প্রতিস্থাপন-পরবর্তী কিছু জটিলতা আরও গুরুতর করতে পারে, যেমন গ্রাফট ভার্সাস হোস্ট ডিজিজ (GVHD)।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস (মার্কিন)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জোনাথন পেলেড (গবেষক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭৩ জন রোগী, ১ হাজার+ মল নমুনা, ৯ হাজার ৪০০ খাবার, ৯৯ গ্রাম মিষ্টি, ২৪ শতাংশ বৈচিত্র্য কমে

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖