📌 দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গে চারজন মৃত্যু হয়েছে, সবাই ঢাকায়। এতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১৪ জনে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত ১০ এপ্রিল থেকে এ পর্যন্ত ১ হাজার ১১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গে চারজন মৃত্যু হয়েছে, সবাই ঢাকায়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, এতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১১৪ জনে। এতে নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ১০২ জনের। শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশ করে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে মৃত্যু হয়েছে চারজন, সবাই ঢাকায়
- 📌 এতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১১৪ জনে (১০ এপ্রিল থেকে)
- 📌 নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ১০২ জন, উপসর্গে ১ হাজার ১২ জন
- 📌 গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ২২১ জনের শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে
- 📌 ল্যাব পরীক্ষায় ২১ জনের নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে
📰 বিস্তারিত
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত ১০ এপ্রিল থেকে এ পর্যন্ত দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ১ হাজার ১১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ১ হাজার ১২ জনের মৃত্যু হামের উপসর্গে এবং ১০২ জনের মৃত্যু নিশ্চিত হামে। গত ২৪ ঘণ্টায় (বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) সারা দেশে ১ হাজার ২২১ জনের শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে। এতে মোট উপসর্গ শনাক্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৯৪ হাজার ৮৪ জনে। ল্যাব পরীক্ষায় ২১ জনের শরীরে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে, যা মোট শনাক্তের সংখ্যা ২১ হাজার ৬২৩ জনে নিয়ে এসেছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, হামের উপসর্গে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে—৪৫৫ জন। এরপর রয়েছে সিলেট বিভাগ (১৭৯ জন), চট্টগ্রাম (৮৬ জন), রাজশাহী (৯৩ জন), বরিশাল (৬০ জন), ময়মনসিংহ (৮০ জন), খুলনা (৪৪ জন) এবং রংপুর বিভাগ (১৫ জন)।
"অ্যান্টিবায়োটিক চলাকালে চিনিযুক্ত খাবার গ্রহণ করলে অন্ত্রের মাইক্রোবায়োম বা অণুজীবের বৈচিত্র্য উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যেতে পারে। এর ফলে বিভিন্ন রোগের বিপজ্জনক সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়তে পারে।"
এই তথ্য মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের একটি গবেষণার প্রতিবেদন থেকে উদ্ধৃত হয়েছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (মৃত্যু), সারা দেশ (উপসর্গ)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর (বিজ্ঞপ্তি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১৪ জন (মৃত্যু), ১ হাজার ২২১ জন (উপসর্গ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!