📌 থাইল্যান্ডের ব্যাংককের উপকণ্ঠে একটি স্কুল ও বাসায় ১৪ বছর বয়সি এক কিশোরের এলোপাতাড়ি গুলিবর্ষণে সাতজন নিহত এবং ২৩ জন আহত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল জানিয়েছেন, ঘটনাটি পূর্বপরিকল্পিত ছিল
থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের উপকণ্ঠে দেবসিরিন স্কুল ও একটি বাসায় ১৪ বছর বয়সি এক কিশোরের এলোপাতাড়ি গুলিবর্ষণে সাতজন নিহত এবং ২৩ জন আহত হয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ঘটনার সময়কাল: স্থানীয় সময় সকাল ১০টার একটু পর
- 📌 নিহতের সংখ্যা: ৭ জন
- 📌 আহতের সংখ্যা: ২৩ জন
- 📌 হামলাকারীর বয়স: ১৪ বছর
- 📌 অবশিষ্ট গুলির সংখ্যা: ৩০টির বেশি
- 📌 আহতদের মধ্যে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছেন: নয়জন
📰 বিস্তারিত
থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের উপকণ্ঠে দেবসিরিন স্কুল ও একটি বাসায় ১৪ বছর বয়সি এক কিশোরের এলোপাতাড়ি গুলিবর্ষণে সাতজন নিহত এবং ২৩ জন আহত হয়েছেন। থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ননথাবুরির দেবসিরিন স্কুলের ওই ছাত্র প্রথমে তার বাড়িতে নিজের দাদা-দাদিকে গুলি করে হত্যা করে। এরপর সে স্কুলে গিয়ে আরও পাঁচ শিক্ষককে হত্যা করে এবং পরবর্তীতে নিজেই আত্মহত্যা করে।
আত্মহত্যার সময়ও বন্দুকধারীর কাছে ৩০টির বেশি গুলি অবশিষ্ট ছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ। এছাড়া এই ঘটনায় আহতদের মধ্যে নয়জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। স্থানীয় সময় সকাল ১০টার একটু পর এই হামলা শুরু হয়।
পুলিশ ও ফরেনসিক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হামলাকারী অত্যন্ত নিখুঁতভাবে লক্ষ্যবস্তুতে গুলি চালিয়েছিল এবং হামলাটি আগে থেকেই সুপরিকল্পিত ছিল। তবে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে কোনো নির্দিষ্ট মোটিভ প্রকাশ করেনি, যদিও প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন যে পড়াশোনার চাপের কারণে ওই কিশোর মানসিকভাবে বিপর্যস্ত থাকতে পারে।
"ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী দেবসিরিন স্কুলের এক সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী জানায়, ওই সময় সে তার শিক্ষিকার ঠিক সামনে দাঁড়িয়ে ছিল এবং কথা বলার মাঝেই হামলাকারী এসে শিক্ষিকাকে গুলি করে।"
আতঙ্কিত শিক্ষার্থীরা প্রাণ বাঁচাতে স্কুলের প্রাচীর টপকে পালিয়ে যায় এবং অনেকে শ্রেণিকক্ষে লুকিয়ে থেকে রক্ষা পায়। এই মর্মান্তিক ঘটনার পর আশপাশের স্কুলগুলোতে ক্লাস স্থগিত করা হয় এবং কর্তৃপক্ষ রক্তদানের আহ্বান জানায়।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: থাইল্যান্ডের ব্যাংককের উপকণ্ঠে দেবসিরিন স্কুল ও একটি বাসা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল, হামলাকারী কিশোর, প্রত্যক্ষদর্শী ছাত্রী, পুলিশ কর্মকর্তারা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ জন নিহত, ২৩ জন আহত, ৩০টির বেশি গুলি অবশিষ্ট, ৯ জন আহতের অবস্থা আশঙ্কাজনক
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!