📌 শরীয়তপুরের নড়িয়া পৌর বিএনপির সহসভাপতি সালাউদ্দিন ছৈয়ালের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন সমর্থক চার নেতাকে ডেকে নিয়ে মারধর করে। আহতদের মধ্যে একজন পায়ের হাড় ভেঙে যায়। ব্যবসায়িক বিরোধের জেরে ঘটনাটি ঘটে
শরীয়তপুরের নড়িয়া পৌরসভার বৈশাখীপাড়া এলাকায় গত রোববার রাতে বিএনপির সহসভাপতি সালাউদ্দিন ছৈয়ালের নেতৃত্বে ২০ থেকে ২৫ জন সমর্থক চার নেতাকে ডেকে নিয়ে মারধর করে। আহতদের মধ্যে একজন পায়ের হাড় ভেঙে গেছে এবং তারা শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। ঘটনাটি ব্যবসায়িক বিরোধের জেরে ঘটে বলে জানা গেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সালাউদ্দিন ছৈয়ালের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন সমর্থক চার নেতাকে মারধর করে, একজন পায়ের হাড় ভেঙে যায়
- 📌 আহতরা হলেন নোমান চোকদার, মাসুদ খান, তাজুল শিকদার ও রাজিব দেওয়ান
- 📌 সালাউদ্দিন দাবি, ৪৪ লাখ টাকা বিনিয়োগের পর মুনাফা ও টাকা ফেরত দিতে অস্বীকার করায় ঘটনা ঘটে
- 📌 আহতদের মধ্যে একজন দাবি, হামলাকারীরা বন্দুক দিয়ে পিটিয়ে আহত করেছেন
- 📌 পুলিশ জানায়, এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাওয়ার পরই আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে
📰 বিস্তারিত
গতকাল রোববার রাতে নড়িয়া পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের বৈশাখীপাড়া এলাকায় বিএনপির সহসভাপতি সালাউদ্দিন ছৈয়ালের নেতৃত্বে ২০ থেকে ২৫ জন সমর্থক চার নেতাকে ডেকে নিয়ে মারধর করে। স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার করে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। হাসপাতালের চিকিৎসকদের তথ্য অনুযায়ী, আহতদের মধ্যে একজন তাজুল শিকদারের বাঁ পায়ের হাড় ভেঙে গেছে।
সালাউদ্দিনের দাবি, দল ক্ষমতায় আসার পর নোমান চোকদার ও মাসুদ খানের কাছে ঠিকাদারি ও জমি ব্যবসার প্রস্তাব আসে। তিনি তাদের ৪৪ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেছেন, কিন্তু মুনাফা ও টাকা ফেরত দিতে অস্বীকার করায় ঘটনাটি ঘটে। সালাউদ্দিন বলেন, ‘তাঁদের সঙ্গে আমার তর্কবিতর্ক হয়। ওই সময় আমার সঙ্গে থাকা কিছু লোকজনের সঙ্গে তাঁদের ধাক্কাধাক্কি ও মারামারি হয়। তাঁদের থামানোর চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু পারিনি।’
অপরদিকে, আহতদের মধ্যে একজন নোমান চোকদার প্রথম আলোকে বলেন, সালাউদ্দিনের সঙ্গে তাঁদের কোনো বিরোধ নেই। তিনি জানতে পারছেন না কেন তাঁদের মারধর করা হয়েছে। মাসুদ খানের দাবি, সালাউদ্দিন ফোন করে ৫০ লাখ টাকা দাবি করেন এবং টাকা দিতে অস্বীকার করলে হামলা শুরু হয়। তিনি দাবি করেন, হামলাকারীরা বন্দুক দিয়ে পিটিয়ে তাঁকে আহত করেছেন।
"তাঁদের সঙ্গে আমার তর্কবিতর্ক হয়। ওই সময় আমার সঙ্গে থাকা কিছু লোকজনের সঙ্গে তাঁদের ধাক্কাধাক্কি ও মারামারি হয়। তাঁদের থামানোর চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু পারিনি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নড়িয়া পৌরসভা, শরীয়তপুর সদর হাসপাতাল, বৈশাখীপাড়া এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সালাউদ্দিন ছৈয়াল, নোমান চোকদার, মাসুদ খান, তাজুল শিকদার, রাজিব দেওয়ান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০-২৫ জন সমর্থক, ৪৪ লাখ টাকা, ৫০ লাখ টাকা, একজন পায়ের হাড় ভেঙে যায়
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!