📌 ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের জন্মদিন আজ ২৫ অক্টোবর। বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া পরিবারের উত্তরসূরী এই আইনজীবী ২০২৬ সালে জাতিসংঘে আইন কর্মকর্তা হিসেবে নিযুক্ত হন।
ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের জন্মদিন আজ ২৫ অক্টোবর। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ঐতিহ্যের উত্তরসূরী এই আইনজীবী নিজের মেধা ও দক্ষতায় আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন। ঢাকার হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জন্মগ্রহণকারী জাইমা রহমানের বেড়ে ওঠা পরিবার বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবার। তার দাদা ছিলেন বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক ও সাবেক রাষ্ট্রপতি শহিদ জিয়াউর রহমান, দাদি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। অন্যদিকে তার নানা ছিলেন রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খান, যিনি নৌবাহিনীর সাবেক প্রধান ও সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ছিলেন। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমানের একমাত্র মেয়ে জাইমা রহমান, নিজের জীবন পথে আইন ও জনসেবার দিকে পরিচালিত করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জাইমা রহমানের জন্মদিন আজ ২৫ অক্টোবর, ঢাকার হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জন্মগ্রহণ করেন
- 📌 ২০২৬ সালের জুনে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আইনজীবী তালিকাভুক্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন এবং দেশের শীর্ষ আইন ফার্মে যোগদান করেন
- 📌 ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে ৭৩তম ন্যাশনাল প্রেয়ার ব্রেকফাস্টে বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রতিনিধি হিসেবে অংশ নেন
- 📌 ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির কার্যালয়ে ‘লিগ্যাল অফিসার’ হিসেবে নিযুক্ত হন
- 📌 ‘সুরভী’ সংস্থার পরিচালনা পর্ষদের সদস্য হিসেবে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষা ও মানবিক কাজে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন
📰 বিস্তারিত
জাইমা রহমানের শৈশবের বেশিরভাগ সময় কেটেছে ঢাকার সেনানিবাসের শহিদ মইনুল রোডে। ২০০৮ সালে বাবা তারেক রহমানের কারামুক্তির পর পরিবারের সঙ্গে তিনি যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমান। লন্ডনের কুইন মেরি ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জনের পর ২০১৯ সালে যুক্তরাজ্যের ‘ইনার টেম্পল’ থেকে ব্যারিস্টার ডিগ্রি লাভ করেন। দেশে ফিরে আসার পর তিনি বাংলাদেশের আইনি কাঠামোর সাথে নিজেকে যুক্ত করার প্রত্যয়ে ২০২৬ সালের জুন মাসে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আইনজীবী তালিকাভুক্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন।
পেশাগত জীবনের শুরুতে তিনি ‘সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটস’ নামের দেশের অন্যতম শীর্ষ আইন ফার্মে যোগদান করেন। সেখানে তিনি সাংবিধানিক আইন, কর্পোরেট ও বাণিজ্যিক আইন এবং কর সংক্রান্ত জটিল বিষয়গুলো পরিচালনা করেছেন। আন্তর্জাতিক মঞ্চে তার অগ্রযাত্রা দারুণ গতি পায় ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে, যখন তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অনুষ্ঠিত ৭৩তম ন্যাশনাল প্রেয়ার ব্রেকফাস্টে বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রতিনিধি হিসেবে অংশ নেন।
২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে তিনি একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নেন। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি ড. খলিলুর রহমানের কার্যালয়ে ‘লিগ্যাল অফিসার’ হিসেবে নিযুক্ত হন। বর্তমানে তিনি সভাপতির এক্সিকিউটিভ অফিসের অধীনে আন্তর্জাতিক আইনি বিষয়াবলি তদারকি করছেন। এছাড়াও তিনি ‘সুরভী’ সংস্থার পরিচালনা পর্ষদের সদস্য হিসেবে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষা ও মানবিক কাজে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন।
"সমাজে সুশাসন প্রতিষ্ঠা, অন্তর্ভুক্তিমূলক জননীতি প্রণয়ন এবং বিচারপ্রার্থী মানুষের মৌলিক অধিকার সুরক্ষা — এই বিষয়গুলোতে কাজ করার প্রতি তার বিশেষ ঝোঁক রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (জন্ম), লন্ডন (শিক্ষা), ওয়াশিংটন ডিসি (ন্যাশনাল প্রেয়ার ব্রেকফাস্ট), জাতিসংঘ সদর দফতর (নিযুক্তি)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ব্যারিস্টার জাইমা রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ (অক্টোবর), ৭৩ (ন্যাশনাল প্রেয়ার ব্রেকফাস্ট), ৮১ (জাতিসংঘ অধিবেশন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!