📌 পিরোজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মাসুদ সাঈদী মানিক পশারীকে ‘ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা’ বলে অভিযোগ করে তার মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় ও রাষ্ট্রীয় সুবিধার বিষয়ে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। তিনি দাবি করেন, মানিক পশারীকে গার্ড অব অনার দেওয়ার সময় স্থানীয়দের আপত্তি ছিল এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তার সাক্ষ্য নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে
পিরোজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মাসুদ সাঈদী মানিক পশারীকে ‘ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা’ বলে অভিযোগ করে তার মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় ও রাষ্ট্রীয় সুবিধার বিষয়ে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। তিনি দাবি করেছেন, মানিক পশারীকে গার্ড অব অনার দেওয়ার সময় স্থানীয় লোকজন তার মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় নিয়ে আপত্তি তোলেন। শনিবার (২৪ অক্টোবর) তার ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া একটি পোস্টে এই দাবি উত্থাপন করেছেন তিনি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পিরোজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মাসুদ সাঈদী মানিক পশারীকে ‘ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা’ বলে অভিযোগ করেছেন এবং তার মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় ও রাষ্ট্রীয় সুবিধার বিষয়ে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
- 📌 মানিক পশারী গোপালগঞ্জের একটি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন এবং তার মরদেহ পিরোজপুরে নিয়ে যাওয়ার সময় গার্ড অব অনার প্রদানের উদ্যোগ নেওয়া হয়। স্থানীয় লোকজন তার মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় নিয়ে আপত্তি তোলেন এবং গার্ড অব অনার প্রদানে বাধা দেন।
- 📌 মাসুদ সাঈদী বলেছেন, প্রশাসনের পক্ষ থেকে মানিক পশারীকে গেজেটভুক্ত মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে উল্লেখ করা হলেও স্থানীয়দের আপত্তি ছিল। তিনি বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার, বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি এবং পিরোজপুর প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।
- 📌 মানিক পশারীকে গার্ড অব অনার দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। মাসুদ সাঈদী দাবি করেছেন, এ ধরনের ঘটনায় প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের ত্যাগ ও রাষ্ট্রীয় সম্মানের মর্যাদা ক্ষুণ্ন হতে পারে।
- 📌 আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানিক পশারী সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশ না নেওয়ার কথা বলেছিলেন এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সহযোগিতা করার কথা জানিয়েছিলেন।
- 📌 মাসুদ সাঈদী দাবি করেছেন, সাবেক সংসদ সদস্য একেএমএ আউয়ালের দেওয়া একটি ডিও লেটারের মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির প্রসঙ্গও উল্লেখ করেছেন।
📰 বিস্তারিত
পিরোজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মাসুদ সাঈদী তার ফেসবুক পোস্টে উল্লেখ করেছেন, মানিক পশারী গোপালগঞ্জের একটি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। তার মরদেহ পিরোজপুরে নিয়ে যাওয়ার সময় রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ সময় স্থানীয় লোকজন তার মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় নিয়ে আপত্তি তোলেন এবং গার্ড অব অনার প্রদানে বাধা দেন। মাসুদ সাঈদী বলেছেন, প্রশাসনের পক্ষ থেকে মানিক পশারীকে গেজেটভুক্ত মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে উল্লেখ করা হলেও স্থানীয়দের আপত্তি ছিল। তিনি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার, বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি এবং পিরোজপুরের প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।
মাসুদ সাঈদী আরও জানিয়েছেন, মানিক পশারীর জানাজা বা দাফনে তাদের কোনো আপত্তি ছিল না। তবে তাকে গার্ড অব অনার দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তিনি বলেন, এ ধরনের ঘটনায় প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের ত্যাগ ও রাষ্ট্রীয় সম্মানের মর্যাদা ক্ষুণ্ন হতে পারে।
ফেসবুক পোস্টে মাসুদ সাঈদী আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানিক পশারীর দেওয়া সাক্ষ্যের প্রসঙ্গও তুলে ধরেছেন। তার দাবি, ট্রাইব্যুনালে জেরার সময় মানিক পশারী সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশ না নেওয়ার কথা বলেছিলেন এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সহযোগিতা করার কথা জানিয়েছিলেন। এছাড়াও তিনি সাবেক সংসদ সদস্য একেএমএ আউয়ালের দেওয়া একটি ডিও লেটারের মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির প্রসঙ্গ উল্লেখ করেছেন।
"আমি মানিক পশারীকে ‘ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা’ বলে অভিযোগ করছি। তার মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় ও রাষ্ট্রীয় সুবিধার বিষয়ে তদন্তের দাবি জানাচ্ছি। এ প্রক্রিয়ায় কোনো কর্মকর্তা, যাচাই-বাছাই কমিটি বা রাজনৈতিক ব্যক্তি অনিয়মে জড়িত থাকলে তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা উচিত।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পিরোজপুর, বরিশাল, গোপালগঞ্জ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাসুদ সাঈদী, মানিক পশারী, বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার, বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি, পিরোজপুর প্রশাসন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ (পিরোজপুর-১ আসন), ২৪ (অক্টোবর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!