📌 অ্যাপলের নতুন ফোল্ডেবল ফোন 'আইফোন ডুয়ো' বাজারে আসার পর বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ক্রেতাদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ দেখা দিয়েছে। ২ হাজার মার্কিন ডলারের দামের ফোনটি বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে আসেনি, সরবরাহের সীমাবদ্ধতা এবং উচ্চ মূল্যের কারণে ক্রেতারা অপেক্ষায় পড়ছেন। আইডিসি অনুমান করে, ২০২৬ সালে অ্যাপলের ফোল্ডেবল ফোন বাজারের ৪৪% মূল্য এবং ৩১% ইউনিট বিক্রি দখল করতে পারে
বিশ্বের প্রিমিয়াম ফোন বাজারে অ্যাপলের নতুন ফোল্ডেবল ফোন ‘আইফোন ডুয়ো’ আজকালের সবচেয়ে আলোচিত প্রযুক্তি হয়ে দাঁড়িয়েছে। ২৩ অক্টোবর বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আনুষ্ঠানিকভাবে বিক্রি শুরু হওয়ার পর থেকে এই ফোনের চাহিদা অত্যন্ত উচ্চতর, কিন্তু সরবরাহের সীমাবদ্ধতা ক্রেতাদের অপেক্ষায় ফেলেছে। ২ হাজার মার্কিন ডলারের দামের ফোনটি বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে আসেনি, তবে আমদানি শুল্ক ও করের কারণে স্থানীয় বাজারে এর দাম ২ লাখ ৪৪ হাজার টাকারও বেশি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২৩ অক্টোবর বিশ্বের বিভিন্ন শহর (সিঙ্গাপুর, সাংহাই, লন্ডন, সান ফ্রান্সিসকো) এ ‘আইফোন ডুয়ো’ বিক্রি শুরু হলেও সরবরাহের সীমাবদ্ধতা ক্রেতাদের অপেক্ষায় ফেলেছে।
- 📌 অ্যাপল সর্বোচ্চ দুটি ফোন আগাম অর্ডার করার সীমা নির্ধারণ করেছে, ফলে অনেক ক্রেতা ফোনটি কিনতে ব্যর্থ হচ্ছেন।
- 📌 ৫১২ গিগাবাইট স্টোরেজের ফোনটির দাম ৩ হাজার ৮৯৯ অস্ট্রেলীয় ডলার (প্রায় ২ লাখ ৪৪ হাজার টাকা) — অস্ট্রেলিয়ার একজন প্রকৌশলী সাইমন কৃষ্ণন এই ফোনটি কিনেছেন।
- 📌 ৪৪ শতাংশ বাজার মূল্য এবং ৩১ শতাংশ ইউনিট বিক্রির আশা করা হচ্ছে অ্যাপলের জন্য ২০২৬ সালে ফোল্ডেবল ফোন বাজারে।
- 📌 ফোনটির নকশা প্রশংসিত হলেও টেলিফটো লেন্সের অভাব এবং পর্দার আকারের কারণে কিছু অ্যাপের সমস্যা হতে পারে।
📰 বিস্তারিত
অ্যাপলের প্রথম ফোল্ডেবল ফোন ‘আইফোন ডুয়ো’ বাজারে আসার পর থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ক্রেতাদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ দেখা দিয়েছে। তবে সরবরাহের সীমাবদ্ধতা এবং অ্যাপলের আরোপিত বিধিনিষেধের কারণে অনেকের জন্য ফোনটি অর্জন করা কঠিন হয়ে পড়েছে। সিঙ্গাপুর, সাংহাই, লন্ডন এবং সান ফ্রান্সিসকোর মতো শহরে ফোনটি নিয়ে ক্রেতাদের আগ্রহ দেখা গেছে। তবে আগের আইফোন উন্মোচনের মতো দীর্ঘ লাইন বা রাতভর অপেক্ষার দৃশ্য এবার কম দেখা গেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ক্রেতাদের জন্য আগাম অর্ডার শুরু হওয়ার মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যেই ফোনটির সরবরাহের সময়সূচী জানুয়ারির শেষ দিকে পিছিয়ে যায়। অ্যাপল একজন ক্রেতার জন্য সর্বোচ্চ দুটি ফোন আগাম অর্ডার করার সীমা নির্ধারণ করেছে। কিছু দেশে অনলাইনে আগাম অর্ডার করা ক্রেতারাই ফোনটি কেনার সুযোগ পেয়েছেন। ফলে আগ্রহ থাকা সত্ত্বেও অনেকের জন্য নতুন ডিভাইসটি সংগ্রহ করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে ফোনটি কিনতে আসা ৪৮ বছর বয়সী প্রকৌশলী সাইমন কৃষ্ণন বলেছেন, উচ্চমূল্যের কারণে ফোনটি তাঁর কাছে বিলাসী পণ্য। তারপরও জীবনের স্বল্পতা বিবেচনায় তিনি এটি কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি ৫১২ গিগাবাইট ধারণক্ষমতার ফোনটির জন্য ৩ হাজার ৮৯৯ অস্ট্রেলীয় ডলার খরচ করেছেন। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকোর বাসিন্দা মোহিত চান্দেল বাবার অবসর উপলক্ষে তাঁকে ফোনটি উপহার দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু আগাম অর্ডার দিতে ভুলে যাওয়ায় তাঁকে দোকানের সামনে রাতভর অপেক্ষা করতে হয়েছে।
ফোনটির নকশা ও ভাঁজ করার কবজার প্রশংসা করেছেন প্রাথমিক পর্যালোচকরা। তবে ফোল্ডেবল ফোনের পর্দায় ভাঁজের দাগের সমস্যা এখনও বিদ্যমান। আইফোন ডুয়োতে সেই দাগ তুলনামূলক কম চোখে পড়ে, কিন্তু টেলিফটো লেন্সের অভাব এবং নতুন পর্দার আকারের কারণে কিছু তৃতীয় পক্ষের অ্যাপে পরিবর্তন আনার প্রয়োজন হতে পারে। প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে, যারা মূলত বার্তা পাঠানো ও ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য ফোন চালান, তাঁদের সবার জন্য এত দামি ফোল্ডেবল ফোন প্রয়োজনীয় নাও হতে পারে। তবে একই ডিভাইসে স্মার্টফোন ও ট্যাবলেটের সুবিধা পাওয়ার বিষয়টি অনেকের কাছে আকর্ষণীয়।
"আইফোন ডুয়োতে ভাঁজের দাগ কম চোখে পড়ে, কিন্তু টেলিফটো লেন্সের অভাব একটি বড় সমস্যা।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সিঙ্গাপুর, সাংহাই, লন্ডন, সান ফ্রান্সিসকো, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সাইমন কৃষ্ণন (প্রকৌশলী), মোহিত চান্দেল (ক্রেতা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ হাজার মার্কিন ডলার (দাম), ৫১২ গিগাবাইট (স্টোরেজ), ৪৪ শতাংশ (বাজার মূল্য), ৩১ শতাংশ (ইউনিট বিক্রি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!