📌 ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা বলেছেন, বাংলাদেশের নাগরিক যেকোনো সময় দেশ ছাড়তে ও ফিরতে পারেন। তিনি শেখ হাসিনার দেশে ফেরার বিষয়ে মন্তব্য করেছেন যে, সরকারের পদক্ষেপ নির্ধারণের দায়িত্ব সরকারের। ভাষাসৈনিক অলি আহাদের স্মরণে অনুষ্ঠানে তিনি ইতিহাস লেখার রাজনৈতিক প্রভাবের কথাও উল্লেখ করেছেন
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা শেখ হাসিনার দেশে ফেরার বিষয়ে মন্তব্য করেছেন যে, বাংলাদেশের কোনো নাগরিক যেকোনো সময় দেশ ছাড়তে ও ফিরতে পারেন। তিনি বলেছেন, এই অধিকার সংবিধানে স্পষ্টভাবে উল্লেখিত। তবে দেশে ফিরে আসলে সরকারের পদক্ষেপ কী হবে, তা সরকারই নির্ধারণ করবে। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে আশুগঞ্জ উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে শিক্ষার্থীদের সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানের শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রুমিন ফারহানা বলেছেন, নাগরিকের দেশ ছাড়া-ফিরা সাংবিধানিক অধিকার, কিন্তু সরকারের পদক্ষেপ নির্ধারণের দায়িত্ব সরকারের
- 📌 ভাষাসৈনিক অলি আহাদের অবদান ইতিহাসে যথাযথভাবে লিপিবদ্ধ হয়নি, রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে
- 📌 অনুষ্ঠানে ৫০ জন পুলিশ নিরাপত্তা দায়িত্ব পালন করে, একজন নির্বাচিত সংসদ সদ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়
- 📌 ২০২৫ সালের বৃত্তিপ্রাপ্ত ও ২০২৬ সালের জিপিএ-৫ পাওয়ার শিক্ষার্থীদের সম্মাননা প্রদান করা হয়
- 📌 রুমিন ফারহানা বলেন, রাজনীতিতে ভিন্নমত ও মিছিল-মিটিং স্বাভাবিক, সাধারণ মানুষই বক্তব্যের জবাব দেয়
📰 বিস্তারিত
আশুগঞ্জ উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত শিক্ষার্থীদের সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত রুমিন ফারহানা বলেন, ১৯৪৮ সালে ভাষা আন্দোলনের সূচনা হলেও ভাষাসৈনিক অলি আহাদের অবদান ইতিহাসে যথাযথভাবে লিপিবদ্ধ হয়নি। তিনি উল্লেখ করেন, দেশের ইতিহাস অনেক সময় রাজনৈতিক বয়ানের ভিত্তিতে লেখা হয়। তিনি বলেন, ‘যে দল ক্ষমতায় থাকে, ইতিহাস তাদের দৃষ্টিভঙ্গিতে লেখা হয়। ফলে অলি আহাদ, মাওলানা ভাসানী, শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের মতো ব্যক্তিত্বের অবদান নতুন প্রজন্ম জানতে পারে না।’
অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়। এতে লাঠিখেলা ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়। উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জামাল হোসেন, স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।
সাংবাদিকদের প্রশ্নে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘বাংলাদেশের কোনো নাগরিক যেকোনো সময় দেশ ছাড়তে ও ফিরতে পারেন। এটা তার সাংবিধানিক অধিকার। তবে তিনি দেশে ফিরে এলে সরকার কী করবে, সেটা সরকারই নির্ধারণ করবে।’ তিনি আরও বলেন, রাজনীতিতে ভিন্নমত থাকবে, মিছিল-মিটিং হবে এবং কাউকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার ঘটনাও ঘটতে পারে। এগুলোই রাজনীতির স্বাভাবিক অংশ। তিনি উল্লেখ করেন, ‘রাজনীতিকদের বক্তব্যের জবাব সাধারণ মানুষই দেয়। অনুষ্ঠানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ৫০ জন পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করেন।’
"বাংলাদেশের কোনো নাগরিক যেকোনো সময় দেশ ছাড়তে এবং দেশে ফিরতে পারেন। এটা তার সাংবিধানিক অধিকার। তবে তিনি দেশে ফিরে এলে সরকার কী করবে, সেটা সরকারই নির্ধারণ করবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: আশুগঞ্জ উপজেলা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রুমিন ফারহানা, মো. জামাল হোসেন, শাহ পাঠাগারের কর্মকর্তা, শিক্ষক, শিক্ষার্থী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৮ সেপ্টেম্বর, ৫ টা, ৫০ জন পুলিশ, ২০২৫ ও ২০২৬ সালের শিক্ষার্থী
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!