📌 রাজশাহীতে একটি ফ্ল্যাটে নারীসহ আটক পুলিশ পরিদর্শক মাহবুব আলমকে অভিযোগের অভাবে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। আন্নি আক্তার নামের নারী মাহবুবকে তার ষষ্ঠ স্ত্রী বলে দাবি করলেও কোনো প্রমাণ না থাকায় মুক্তি পেয়েছেন তিনি। পুলিশের মুখপাত্র জানান, অভিযোগের তদন্ত চলছে
রাজশাহীতে একটি ফ্ল্যাটে নারীসহ আটক পুলিশ পরিদর্শক মাহবুব আলমকে অভিযোগের অভাবে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি) জানিয়েছে, আন্নি আক্তার নামের নারী মাহবুবকে তার ষষ্ঠ স্ত্রী বলে দাবি করলেও কোনো অভিযোগ না থাকায় মুক্তি পেয়েছেন তিনি। পুলিশের মুখপাত্র উপপুলিশ কমিশনার গাজিউর রহমান বলেছেন, ‘এ ধরনের ঘটনার ক্ষেত্রে নারী যদি অভিযোগ করতেন, তাহলে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হত। তাঁর কোনো অভিযোগ না থাকায় মাহবুবকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।’
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাজশাহীতে ফ্ল্যাটে আটক পুলিশ পরিদর্শক মাহবুব আলমকে অভিযোগের অভাবে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে
- 📌 আন্নি আক্তার মাহবুবকে তার ষষ্ঠ স্ত্রী বলে দাবি করলেও কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেননি
- 📌 মাহবুব আলমের বিরুদ্ধে ১৭ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে, তবে তা পুরোনো বলে জানানো হয়েছে
- 📌 সিরাজগঞ্জ ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের কমান্ড্যান্ট জানান, মাহবুব বিনা অনুমতিতে কর্মস্থল ত্যাগ করেছেন
- 📌 নওগাঁ জেলা পুলিশকে বিষয়টি জানানো হয়েছে, তারা বিভাগীয় ব্যবস্থা নেবে
📰 বিস্তারিত
রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের মুখপাত্র উপপুলিশ কমিশনার গাজিউর রহমান জানান, আন্নি আক্তার নামের নারী মাহবুব আলমকে তার ষষ্ঠ স্ত্রী বলে দাবি করেছেন। তবে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেননি। মাহবুব আলম একসময় চন্দ্রিমা ও দামকুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছিলেন। সাবেক স্ত্রীর অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়েছে। বর্তমানে তিনি নওগাঁ জেলা পুলিশ থেকে সিরাজগঞ্জ ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে সংযুক্ত রয়েছেন।
শুক্রবার সকাল সাড়ে সাতটায় আন্নি আক্তার নওগাঁ থেকে রাজশাহীর চন্দ্রিমা থানার নাদের হাজির মোড় এলাকার একটি চারতলা ভবনের দোতলার ফ্ল্যাটে গিয়েছিলেন। তিনি দাবি করেন, প্রায় দুই ঘণ্টা দরজায় ধাক্কা দিলেও মাহবুব আলম ফ্ল্যাটের দরজা খোলেননি। পরে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এসে দরজা ভাঙেন। ফ্ল্যাটে মাহবুব আলম ও আন্নি আক্তারকে পাওয়া যায়। পরে পুলিশ দুজনকে চন্দ্রিমা থানায় নিয়ে যায়।
আন্নি আক্তার সাংবাদিকদের বলেন, ‘মাহবুব আলম বিয়ে বহির্ভূত সম্পর্কে অভ্যস্ত। ওই নারীর সঙ্গেও তাঁর বিয়ে বহির্ভূত সম্পর্ক রয়েছে। গত চার মাসে তিনবার তাঁদের একসঙ্গে পেয়েছেন। মানসম্মানের ভয়ে আগের দুই ঘটনার কথা কাউকে জানাননি।’
থানায় নেওয়ার পর মাহবুব আলমের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দেন আন্নি আক্তার। অভিযোগে মাহবুব তাঁর কাছ থেকে ১৭ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। গাজিউর রহমান বলেন, ‘অভিযোগটি পুরোনো। এটি তদন্ত করে দেখা হবে। মাহবুব আলমকে নিয়ে রাজশাহীতে যা ঘটেছে, তা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।’
সিরাজগঞ্জ ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের কমান্ড্যান্ট মোস্তাক আহমেদ জানান, ‘মাহবুব আলমের কোনো ছুটি নেই। কাউকে না জানিয়েই তিনি রাজশাহীতে গেছেন। বিনা অনুমতিতে কর্মস্থল ত্যাগ করাও অপরাধ। বিষয়টি নওগাঁ জেলা পুলিশকে জানানো হয়েছে। তারা এ বিষয়ে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেবে।’
"এ ধরনের ঘটনার ক্ষেত্রে ওই নারী যদি কোনো অভিযোগ করতেন, তাহলে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার ছিল। তাঁর কোনো অভিযোগ না থাকায় মাহবুবকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।"
"মাহবুব আলম বিয়ে বহির্ভূত সম্পর্কে অভ্যস্ত। ওই নারীর সঙ্গেও তাঁর বিয়ে বহির্ভূত সম্পর্ক রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজশাহী, চন্দ্রিমা থানা, নাদের হাজির মোড়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাহবুব আলম, আন্নি আক্তার, উপপুলিশ কমিশনার গাজিউর রহমান, মোস্তাক আহমেদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭ লাখ টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!