📌 রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শনে বলেছেন, ফ্যাসিস্টদের হাত থেকে মুক্তি পেতে অনেক মূল্য দিতে হয়েছে। তিনি শহীদ ও আহতদের ঋণ শোধ করা সম্ভব নয় বলে উল্লেখ করেছেন
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শনকালে বলেছেন, ফ্যাসিস্টদের হাত থেকে মুক্তি পেতে বাংলাদেশের জনগণ অনেক বেশি মূল্য দিয়েছে। তিনি দাবি করেছেন, জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের ঋণ রাষ্ট্র কখনোই শোধ করতে পারবে না। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) জাদুঘর পরিদর্শনকালে এই মন্তব্য করেন তিনি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের ঋণ শোধ করা সম্ভব নয়
- 📌 তিনি জাদুঘরে একটি বৃক্ষরোপণ করে শহীদদের স্মৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন
- 📌 জাদুঘরের বিডিআর ম্যাসাকার, শাপলা ম্যাসাকার ও নির্যাতন সামগ্রী দেখে রাষ্ট্রপতি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন
- 📌 রাষ্ট্রপতি বলেছেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা ধরে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলা সকলের দায়িত্ব
- 📌 সহধর্মিণী রাহাত আরা বেগমের সঙ্গে রাষ্ট্রপতি সকাল ১১টায় জাদুঘরে উপস্থিত হন
📰 বিস্তারিত
বঙ্গভবনের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, রাষ্ট্রপতি জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন ও প্রামাণ্যচিত্র দেখে অশ্রু সজল চোখে মন্তব্য করেন, ‘ফ্যাসিস্টদের হাত থেকে মুক্তি পেয়েছি, গণতন্ত্র ফেরত পেয়েছি, কিন্তু মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি। রাষ্ট্র কখনোই এই শহীদ ও আহত জুলাই যোদ্ধাদের ঋণ শোধ করতে পারবে না।’
রাষ্ট্রপতি জাদুঘরে প্রবেশের সময় লংওয়াক টু ডেমোক্রেসির ওয়াকওয়ে দিয়ে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রার বিভিন্ন ধাপের ঐতিহাসিক চিত্র অবলোকন করেন। তিনি দীর্ঘ ১৬ বছর ফ্যাসিবাদী শাসনে শহীদ হওয়া ব্যক্তিদের স্মরণে নির্মিত মেমোরিয়াল ও রেপ্লিকা আয়নাঘর ঘুরে দেখেন। জাদুঘরের বিডিআর ম্যাসাকার, শাপলা ম্যাসাকার, নির্যাতন সামগ্রী, জোরপূর্বক গুমের সেকশনগুলো পরিদর্শনকালে তিনি শহীদদের চিঠি ও স্মৃতিচিহ্ন দেখে আবেগাপ্লুত হন।
জুলাই অভ্যুত্থানের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ও শিক্ষার্থী-জনতার সংগ্রামের অংশগুলো দেখে রাষ্ট্রপতি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তিনি মনসুন থিয়েটারে একটি ডকুমেন্টারি ফিল্ম দেখেন এবং পরিদর্শন শেষে জাদুঘরের পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন।
"জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা ধরে একটি গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলা আমাদের সকলের দায়িত্ব। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ইতিহাস যথাযথভাবে তুলে ধরতে স্মৃতি সংরক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।"
রাষ্ট্রপতি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং আহত ও ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন। তিনি শহীদদের আত্মত্যাগকে বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচারের সংগ্রামের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে উল্লেখ করেন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬ বছর (ফ্যাসিবাদী শাসন), ১১:০০ (পরিদর্শন সময়)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!